আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে টিকেট চেকিং কার্যক্রম এক মাসে আয় ৫৩ লক্ষ ৮১ হাজার।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বিদায়ী ২০২৫ সালে ডিসেম্বর মাসে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অধীন চট্টগ্রাম বিভাগে টিকেট চেকিং কার্যক্রমের মাধ্যমে টিটিইদের সর্বোচ্চ আয়ের রেকর্ড হয়েছে। এই বিভাগের অধীন চট্টগ্রাম ও লাকসাম হেডকোয়ার্টার থেকে আয় হয়েছে ৫৩ লক্ষ ৮১ হাজার ৬২০ টাকা। যা দুই ঈদের মাস ব্যাতিত স্বাভাবিক সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ।

জানা গেছে, রেলওয়ের টিকেট চেকিং প্রোগ্রামে অংশ নেয়া টিটিই কর্তৃক বিনা টিকিটের যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়া ও জরিমানা আদায় করা হয়। যা রেলওয়ের চলমান কার্যক্রমের অংশ। এর সাথে বিভিন্ন সময় রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের তত্বাবধানে পরিচালিত হয় বিশেষ চেকিং প্রোগ্রাম ও টাস্কফোর্স চেকিং। এসব চেকিং প্রোগ্রামে বিনা টিকিটের যাত্রী প্রতিরোধে ও তাদের কাছ থেকে ভাড়া ও জরিমানা আদায়ে করা হয় চিরুনি অভিযান। এতে বিনা টিকিটের যাত্রী প্রতিরোধের পাশাপাশি রেলওয়ের রাজস্বে জমা হয় বিপুল পরিমান অর্থ।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন চট্টগ্রাম ও লাকসাম হেডকোয়ার্টারে কর্মরত আছেন ৩৫জন টিটিই। বিগত সময়ে কেবল বছরের দুই ঈদে বিশেষ চেকিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় করা হয়ে থাকলেও এখন বছরের অন্যান্য সময়ও বিশেষ চেকিং পরিচালিত হচ্ছে ফলে রেলওয়ের আয় বেড়েছে কয়েকগুণ। দুই ঈদের মাস ব্যাতিত গত ডিসেম্বরেই শুধু চট্টগ্রাম বিভাগের টিটিই কর্তৃক আয় হয়েছে অর্ধ কোটি টাকারও বেশী। কেবল চট্টগ্রাম হেডকোয়ার্টারের ২২ জন টিটিই চেকিং কার্যক্রমে অংশ নিয়ে ডিসেম্বরে আয় করেছে ৩৯ লক্ষ ২৩ হাজার ৪৭৫ টাকা। ১১ হাজারের বেশী যাত্রী থেকে তারা এই ভাড়া ও জরিমানা আদায় করেন।

অন্যদিকে লাকসাম হেডকোয়ার্টারে ১৩ জন টিটিই কাজ করেছেন সারা মাস জুড়ে, ১৪ লক্ষ ৫৮ হাজার একশত পয়তাল্লিশ টাকা আদায় করেছেন প্রায় ৯ হাজার যাত্রী থেকে। চট্টগ্রাম বিভাগের এই দুই হেডকোয়ার্টার মিলিয়ে চট্টগ্রামের জুনিয়র টিটিই সাইদুল ইসলাম একাই রেলওয়েকে রাজস্ব দিয়েছেন ৩ লক্ষ ৯২ হাজার ২০৫ টাকা। যা দুই হেডকোয়ার্টারে সর্বোচ্চ।
এত বিপুল পরিমান রাজস্ব আদায় কিভাবে সম্ভব হলো জানতে চাইলে ওই টিটিই জানান, ডিসেম্বরে যাত্রীর চাপ ও বিনা টিকিটের যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশী ছিল। টিটিইদের যথাযথ দায়িত্ব পালন একই সাথে উর্ধতন কর্মকর্তাদের সহায়তায় বিপুল রাজস্ব আয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে’।


রেলওয়ের অনন্য এই রাজস্ব আয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বানিজ্যিক কর্মকর্তা তৌষিয়া আহমেদ বলেন, রেলওয়েকে আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বানিজ্যিক বিভাগ রাজস্ব বৃদ্ধি আদায়ে কাজ করে যাচ্ছে। চট্টগ্রামে কর্মরত সকল টিটিই গণের প্রচেষ্টায় সফলতা পাওয়া যাচ্ছে’। টিটিইদের সাধুবাদ জানিয়ে তিনি এই কর্মপ্রচেষ্টাকে অব্যাহত রাখার আহবান জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হলেন তামিম ইকবাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। এবার নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পাকাপাকিভাবে ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতির চেয়ারে তামিম ইকবালরোববার (৭ জুন) বিকেলে মিরপুর শেরে-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে পরিচালক পদে বিজয়ী হয়েছেন তামিম ইকবাল খান। পরিচালকদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তিনি। 

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। এরপর মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট।ফাহিম সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেবিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হলেন তামিম ইকবালয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন । ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ভোট ছিল ৭৬টি। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ