আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ক্ষমতাকে আমানত হিসেবে রাখবো : আবু সুফিয়ান।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম- ৯ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেছেন, ফ্যাসিস্ট বিদায় হয়েছে। নতুন স্বপ্ন নিয়ে মানুষ জেগে উঠেছে যে, জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা দেশ পরিচালিত হবে। মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করেছি। নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করবে। যদি নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পারি, যদি আমার দল সরকার গঠন করতে পারে এটাকে কোনভাবে ক্ষমতা হিসেবে নিতে চাই না, পবিত্র আমানত হিসেবে নিতে চাই। মানুষের আকাঙ্খা পূরণে আমরা যেন সমর্থ হই। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ক্ষমতাকে আমানত হিসেবে রাখবো। আমার দলের পক্ষ থেকে আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। এখানে আমার দলের অনেক যোগ্য প্রার্থী মনোনয়ন চেয়েছিলেন। তারপরও দল আমাকে দিয়েছে, আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। আমাদের সমস্ত নেতৃবৃন্দ নিজেরা প্রার্থী হলে যেভাবে কষ্ট করতেন সেভাবে উনারা ধানের শীষের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি রোববার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরীর জামাল খানস্থ দাওয়াত রেস্টুরেন্টে চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, অতীতে যারা ক্ষমতায় গেছে তারা জনগণের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের পকেট ভারি করেছে। দেশের সকল প্রতিষ্ঠান ফ্যাসিস্ট সরকারের কর্মকান্ডের কারণে ধংস হয়ে গেছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তুলতে হবে। অতীতে যারা ভোট ছাড়া ক্ষমতা দখল করেছিল, তাদের সম্পদ বেড়েছে। আজ ওয়াদা দিয়ে যেতে চাই, যদি সংসদে যাই আমরা দেশের মানুষের জন্য কাজ করবো। প্রত্যেক জনপ্রতিনিধি যদি জনগণ ও দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেয় তাহলে যে নিরাপদ বৈষম্যমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ আমরা চাই সেই বাংলাদেশ পাব।

আবু সুফিয়ান বলেন, জনগণের যে আকাঙ্খা, একটা সুষ্ঠু অবাধ নির্বাচন সে দিকে আমরা যাচ্ছি। নির্বাচনী আচরণ বিধি মেনে আগামী ২২ জানুয়ারী থেকে আমরা নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করব। বিএনপি জুলাই আন্দোলন এবং এর পূর্বেও গত ১৭ বছর ধরে দেশের জনগণের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার অর্জনের জন্য নিরলস সংগ্রাম করে যাচ্ছে। বিশেষ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই মানুষের অধিকারের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন। আমাদের নেতা বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান প্রায় ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন যাপন করেছেন। উনি যেদিন স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করলেন সেদিন সমাবেশে তিনি বলেছেন, নারী পুরুষ শিশু জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়বেন। এজন্য তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন।

সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে আবু সুফিয়ান বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ সাহেবের গণসংযোগে গুলিবর্ষণ হয়েছে, একজন মারা গেছে। তারপর ঢাকায় ওসমান হাদি সন্ত্রাসীদের গুলিতে শাহাদাত বরণ করেছেন। আমরা এসমস্ত ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে নিতে পারিনা। আমরা মনেকরি এটা নির্বাচনের পরিবেশকে বিঘ্নিত করার জন্যে কোন না কোন মহল যারা নির্বাচন করতে চায় না, যারা নির্বাচনকে বন্ধ করতে চায় তাদের কাজ।

প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, যারা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বেআইনী কর্মকাণ্ড করে তাদেরকে কঠোরভাবে আইনের আওতায় এনে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। এটা প্রশাসনের দায়িত্ব। প্রার্থী হিসেবে প্রশাসনকে যেটুকু সহযোগিতা করার সেটুকু আমরা করতে চাই।

এক প্রশ্নের জবাবে আবু সুফিয়ান বলেন, জামায়াত ও এনসিপির কেউ যদি ভোট চেয়ে থাকেন তাহলে তারা অপরাধ করেছেন। আমরা আচরণবিধি মেনে ২২ তারিখ থেকে প্রচারণায় যাব। তবে হ্যাঁ মানুষের সাথে আমাদের সম্পর্কটা একদম গভীরে। নির্বাচনে প্রচারণায় এখনো না গেলেও আমরা উনাদের চেয়ে এগিয়ে আছি।

তিনি বলেন, এক সময় নির্বাচনটা ছিল একটা উৎসব। ঈদের মত আনন্দ নিয়ে সবাই সপরিবারে ভোট কেন্দ্রে যেত। কিন্তু বিগত দিনে জনগণের উপর আস্থা হারিয়ে বিগত সরকার সেই ভোটের দিনকে আতঙ্কের দিনে পরিণত করেছিল, গুলি বোমা ককটেল এগুলো ফাটিয়ে। সেই কালো অধ্যায় থেকে বেরিয়ে নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করতে চাই। মানুষের মধ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রবণতা আমরা দেখতে পাচ্ছি। দেখবেন অন্যান্য ভোটের চেয়ে আরো বেশি মানুষ ভোটকেন্দ্রে যাবে।

উৎসমবুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিয়ে আবার ঘরে ফিরতে পারবে। এবং জনগণের প্রদত্ত ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হবে। এটাই প্রত্যাশা করছি।
আবু সুফিয়ান বলেন, ইতিমধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ করে সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য যারা স্ট্রাইকিং ফোর্স আছে ও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছে, কোনভাবেই ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যাওয়া আসায় কোন বাধার সৃষ্টি হবে না। তারা এটা সিরিয়াসলি মনিটর করে এ ব্যাপারে আমাদেরকে নিশ্চয়তা প্রদান করেছে। তাদের সেই আশ্বাসে আমরা আস্থা রাখতে চাই। আশাকরি কোন অপশক্তি পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে পারবে না। কারণ জনগণ সচেতন আছে।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৯ আসনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চিফ কোঅর্ডিনেটর, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ৯ আসনে সংসদ সদস্য প্রত্যাশী আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সামশুল আলম, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সাইফুল আলম ও আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল। উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক হারুন জামান, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, শিহাব উদ্দিন মোবিন, আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক নুরুল আলম রাজু, মো. মহসিন, খোরশেদুল আলম, আনোয়ার হোসেন লিপু, ইসমাঈল বালি, মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাসস’র চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মো. শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বৈশাখী টিভির ব্যুরো প্রধান গোলাম মওলা মুরাদ সহ চট্টগ্রামে কর্মরত বিপুল সংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ