আজঃ শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যা মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ শুনানি ১৯ জানুয়ারি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় ইসকনের সাবেক সংগঠক চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে ১৯ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের শুনানির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার বিকেলে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা জজ মো. জাহিদুল হক এ আদেশ দিয়েছেন। এদিন অভিযোগ গঠন হলে চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরু হবে। নিম্ন আদালত থেকে বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়ে আসার পর বুধবার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটির প্রথম কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন হাজতে থাকা ২৩ আসামির মধ্যে চিন্ময় কৃষ্ণ ছাড়া বাকি ২২ জনকে আদালতে হাজির করা হয়। চাঞ্চল্যকর এ মামলার কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সকাল থেকে আদালতের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ব্যাপক কড়াকড়ি দেখা যায়।

এদিকে আদালতে মামলার কার্যক্রম চলাকালে আসামির স্বজনরা আদালত প্রাঙ্গনে গিয়ে বিক্ষোভ করেন। তারা আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন। পরে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তারসহ জ্যেষ্ঠ্য আইনজীবীরা গিয়ে তাদের আদালত ন্যায়বিচার করবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

আলিফ হত্যা মামলার আইনজীবী ও সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে চিন্ময়কে কারাগার থেকে আদালতে নেওয়া হয়নি। হাজির করা ২২ আসামির উপস্থিতিতে আদালত মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। বিচারক নিজে প্রত্যেক আসামির নাম উল্লেখ করে হাজিরা নিশ্চিত করেন। এ সময় কয়েকজন আসামি আদালতের অনুমতি নিয়ে বক্তব্য দেন এবং নিজেদের পক্ষে আইনজীবী ও নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আসামিদের জন্য প্রয়োজনে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানান। এছাড়া তাদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।এ সময় বিচারক বলেন, এই পর্যায়ে আদালত কাউকেই চূড়ান্ত আসামি হিসেবে বিবেচনা করছে না।

সবাই সাধারণ অভিযুক্ত। মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হলেই কেবল আসামি হিসেবে গণ্য হবেন। এরপর আদালত আগামী ১৯ জানুয়ারি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির নির্দেশনা দেন। এদিন হাজতে থাকা সব আসামিকে আদালতে হাজিরের নির্দেশনাও দেন আদালত।
জানা গেছে, নিহত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফের বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায়। ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর তিনি খুন হন। চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর রাতে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ইসকনের বহিষ্কৃত সংগঠক ও সনাতনী জাগরণ জোট নামে একটি সংগঠনের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করে ডিএমপির গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

পরদিন ২৬ নভেম্বর তাকে চট্টগ্রাম আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারাগারে পাঠানোর নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গনে ত্রাস সৃষ্টি করে চিন্ময়ের অনুসারীরা। প্রায় তিনঘন্টা তাকে বহনকারী প্রিজন ভ্যান আদালত এলাকায় আটকে রাখে তারা। একপর্যায়ে পুলিশ, বিজিবি লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। তখনই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরবর্তীতে নগরীর লালদিঘীর পাড় থেকে কোতোয়ালী এলাকায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের সময় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে আদালত প্রাঙ্গনের অদূরে নগরীর বাণ্ডেল সেবক কলোনির সামনে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৯ নভেম্বর আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন নগরীর কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন। আসামিরা সবাই চিন্ময়ের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

তবে জামাল উদ্দিনের করা মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর নাম ছিল না। ২০২৫ সালের ৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তে সম্পৃক্ততা পাবার তথ্য উল্লেখ করে চিন্ময়কে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করেন। আদালত গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন। এরপর ২০২৫ সালের ১ জুলাই চিন্ময়কে প্রধান আসামি করে ৩৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ।

তবে অভিযোগপত্র গ্রহণের শুনানিতে আদালত মামলা থেকে একজন আসামির অব্যাহতির জন্য তদন্ত কর্মকর্তার সুপারিশ নাকচ করেন। এর ফলে ওই মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামির সংখ্যা দাঁড়াল ৩৯ জনে। চিন্ময় বাদে বাকি আসামিরা হলেন- চন্দন দাস মেথর, রিপন দাস, রাজীব ভট্টাচার্য্য, শুভ কান্তি দাস, আমান দাস, বুঞ্জা, রনব, বিধান, বিকাশ, রমিত প্রকাশ দাস, রুমিত দাস, নয়ন দাস, ওমকার দাস, বিশাল, লালা দাস, সামীর, সোহেল দাশ রানা, শিব কুমার, বিগলাল, পরাশ, গণেশ, ওম দাস, পপি, অজয়, দেবীচরণ, দেব, জয়, লালা মেথর, দুর্লভ দাস, সুমিত দাস, সনু দাস, সকু দাস, ভাজন, আশিক, শাহিত, শিবা দাস, দ্বীপ দাস ও সুকান্ত দত্ত। মামলার ৩৯ জন আসামির মধ্যে ১৬ জন এখনও পলাতক আছেন বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে সায়েন্স অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তরুণ বিজ্ঞানীদের সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সায়েন্স অলিম্পিয়াড ২০২৬ (সিজন–১) উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. এইচ. এম. ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা তরুণ প্রজন্মকে উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল করে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান এস. এম. খালিদ হোসেন। প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সরকারি সাদাত কলেজ, করটিয়া, টাঙ্গাইলের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহজাহান আলী।

বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ইফতেখারুল ইসলাম, শাহজাহান আলী কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুর রহমান এবং আব্দুল মান্নান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহ আলম।
অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন সরোয়ার হোসেন আকুল, যিনি সায়েন্স অলিম্পিয়াড প্রোগ্রামের আহ্বায়ক ও পূর্ববচন্দ্র স্পোর্টিং ক্লাব (পিএসসি)-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক।পূর্ববচন্দ্র স্পোর্টিং ক্লাব (পিএসসি) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন

চট্টগ্রামে মানবিক ডিসির সহায়তায় এগিয়ে গেল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর শিক্ষার পথ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার খটেশ্বর গ্রামের রিকশাচালক আমজাদ ফকির ও গৃহকর্মী ছামেনা বেগম দম্পত্তির কন্যা মাফিয়া খাতুন। জন্ম থেকেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও তার স্বপ্ন দেখার চোখ কখনো অন্ধ হয়নি। চরম প্রতিকূলতার মাঝেও মাফিয়া খাতুন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্সে ভর্তিও অপেক্ষায়। কিন্তু অর্থাভাবে সেই স্বপ্ন আজ থমকে যাওয়ার মুখে। মাফিয়ার বাবা আমজাদ ফকির রিকশা চালিয়ে আর মা ছামেনা বেগম বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানোর চেষ্টা করতেন। ২০২০ সালে আমজাদের মৃত্যুর পর পরিবারটির জীবনসংগ্রাম আরও কঠিন হয়ে ওঠে। একা ছামেনার পক্ষে চার সন্তানের ভরণপোষণই হয়ে পড়ে প্রায় অসম্ভব। সেখানে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বহন ছিল কল্পনাতীত। মাফিয়ার সংগ্রাম শুধু তার একার নয়। তার আরেক ভাই মোহাম্মদ আশিকও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। আশিক বর্তমানে সিরাজগঞ্জের একটি কলেজে এইচএসসি পর্যায়ে পড়াশোনা করছে বলে জানিয়েছে পরিবার। সীমাহীন দারিদ্র্যের মাঝেও দুই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষার স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে রেখেছেন মা ছামেনা বেগম। তবে একার আয়ে সেই স্বপ্ন টিকিয়ে রাখা দিন দিন আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

তবু থেমে যাননি মাফিয়া। মানুষের কাছে ধার-দেনা করে কোনোভাবে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি। কিন্তু মাস্টার্সে ভর্তির ফি ও আনুষাঙ্গিক শিক্ষা ব্যয় জোগাড় করা তার পক্ষে আর সম্ভব হয়ে উঠছিল না। কেবল অর্থাভাবে একজন মেধাবী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
এমন পরিস্থিতিতে মাফিয়া বৃহস্পতিবার হাজির হন সারাদেশে ‘মানবিক ডিসি’ হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞার কার্যালয়ে। সেখানে নিজের জীবনের করুণ বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন তিনি।

মাফিয়ার কাহিনি শুনে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন,‘একজন মেধাবী শিক্ষার্থী, তাও আবার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন—টাকার অভাবে মাস্টার্স শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে না, এটা জেলা প্রশাসক হিসেবে মেনে নেওয়া কষ্টকর।’
নির্বাচনী কাজে চরম ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি মাফিয়াকে কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান। সরকারি নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও তার পাশে দাঁড়ান, যেন সে বুঝতে পারে-রাষ্ট্রঅসহায় মানুষের পাশেই থাকে।

মাফিয়া খাতুন জানান, তিনি বরিশালের এ.আর.এস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ভর্তি হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগে। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পর এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মাফিয়া। তিনি বলেন, ‘এত ব্যস্ততার মাঝেও ডিসি স্যার আমাকে সময় দিয়েছেন। উনি মানবিক না হলে নিশ্চয়ই আমার মতো মানুষের পাশে দাঁড়াতেন না।’

আলোচিত খবর

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন-ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন-ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ