আজঃ রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

পাবনা-০১ একক আসন হলো শুধু সাঁথিয়া উপজেলা।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার, বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রায় দেড় যুগ আগে থেকে সাঁথিয়া ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে সর্বদলীয় নেতাকর্মীদের একত্রে সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে শুরু হয় ৬৮,পাবনা-০১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের দাবীতে আন্দোলন।

৬৮,পাবনা-১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের দাবীতে আন্দোলন টি একপর্যায়ে আদালতের শরণাপন্ন হন সাঁথিয়াবাসী। সাঁথিয়ার একক আসনের প্রধান বাধা হয়ে দাড়ান ফ্যাসিস্ট সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এবং তার কিছু দোসর। একক আসনের দাবীতে অনড় থাকায় সাঁথিয়া ফাউন্ডেশনের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম নিজাম উদ্দিন, সভাপতি সুশিল মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মনসুরুল ইসলাম,
সহসভাপতি মরহুম মোজাম্মেল হক মাষ্টার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনসুর আলম, জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মী সহ অনেকেই লাঞ্চিত হয় ফ্যাসিস্ট সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু এবং তার কিছু দোসরদের হাতে।

অপমান, নিন্দা, তিরস্কার, ভর্ৎসনা, কটূক্তি, অসম্মান হয়েও তারা চালিয়ে যান সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের আন্দোলন। তারই ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালানোর পর ২০২৫ সালের শেষের দিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বাধীন আইন বিভাগ রায় দেন সাঁথিয়া উপজেলা একক আসন। রায়ের বিরোধিতা করেন, সাঁথিয়া এবং বেড়ার বেশকিছু নেতাকর্মী। সাঁথিয়া উপজেলা একক আসনের পক্ষে হাল ধরেন সাবেক সফল মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর পুত্র ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক মনসুর আলম। আইনি লড়াইয়ের একপর্যায়ে ১০ জানুয়ারী নির্বাচন কমিশন ৬৮,পাবনা-০১ ও ৬৯,পাবনা-০২ আসন নির্বাচন স্থগিত করেন।

১১ জানুয়ারী ৬৮,পাবনা-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন নির্বাচন কমিশনের আদেশের বিরুদ্ধে পাবনা-১ ও ২ আসনের পক্ষে লিগ্যাল নোটিশ করেন। সাঁথিয়া একক আসনের পক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)জেলা সদস্য ফারুক হোসেন, সহকারী অধ্যাপক জয়নুল আবেদীন রানা, সাঁথিয়া বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান, সহকারী অধ্যাপক আব্দুল হাই, এনসিপির জেলা নেতা বকুল হোসেন,এনসিপির জেলা নেতা আবু দাউদ ফকির, ছাত্রনেতা মুহতাসিম বিল্লাহ সাদ, শিখন মোল্লা,

সাবেক ছাত্র নেতা নজরুল ইসলাম,সাদ্দাম ফকির, ছাত্র নেতা আরিফুল ইসলাম, আসলাম উদ্দিন সহ সাঁথিয়াবাসীর নেতৃত্বে শুরু হয় সাঁথিয়ায় ব্যাপক আন্দোলন। ব্যাপক আইনি লড়াই শেষে ১৫ জানুয়ারী মহামান্য আদালত ইনসাফের পক্ষে ফাইনাল রায় দেন ৬৮,পাবনা-০১ সাঁথিয়া উপজেলা একক আসন, ৬৯,পাবনা-০২(সুজানগর, বেড়া) উপজেলা এবং ১২ ফেব্রুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চরফ্যাশনে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় রসুলপুর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম ভুট্টোকে (৪৫) এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১০টার দিকে উপজেলার নজরুলনগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কলেরহাট সড়কের মাথায় এ ঘটনা ঘটে।

মধুুমাস ঋতুরাজ বসন্ত মাসে প্রকৃতি তার নিজেকে সাঁজাতে ব্যস্ত থাকে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতের মাসী যখন বিদায় নিতে ব্যস্ত ঠিক তখনই মধুমাস ঋতুরাজ তার ফাল্গুনী হওয়ার শুভেচ্ছার আগমনী নিয়ে হাজির বসন্ত।
প্রতি বছরের ন্যায় এই ফাল্গুন মাসে প্রকৃতি তার নিজেকে সাঁজাতে ব্যস্ত থাকে।

সারা বাংলাদেশের ন্যায় পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়ায় মধু মাস ঋতুরাজ বসন্ত আসার আগাম বার্তা নিয়ে এসেছে আম গাছে মুকুল,সজ্জিনা গাছে ফুল। বর্তমানে পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় প্রায় প্রতিটি বাড়িতে আমের মুকুলের গন্ধে মৌমাছি,মৌ মৌ করে উড়ে উড়ে ফুলের মধু সংগ্রহ করছে।
প্রকৃতির দিকে তাকালে অনেক রকম ফুল চোখে পড়ছে ও দৃষ্টিনন্দন পাগল করা মুকুল এর ঘ্রাণে মন ভরে উঠছে।

প্রকৃতি তার ব্যস্ত সময় পার করছে।প্রকৃতিতে বসন্তের আপন মহিমায় ফোটা শুরু করেছে আমের মুকুল, ফুটেছে সজ্জিনা ফুল,প্রায় প্রতিটি জায়গাতেই চোখ জুড়ানো আমের মুকুল,সজ্জিনা ফুল ফুটেছে।
বিভিন্ন বাড়ীর ছাদবাগানের আমের গাছগুলো ভুল করেনি প্রকৃতি শোভায় মুকুল ছড়াতে। পাবনা জেলার প্রতিটি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে হরেক রকমের সুস্বাদু আমের চাষ। বাংলাদেশ সহ বাঙালির হৃদয়ের স্পন্দনে মিশে থাকা
বিশ্ব কবি,কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের একটি লাইন..
“ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রানে পাগল করে..
মরি হায়, হায় রে-
“ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রানে পাগল করে”..

পল্লীকবি জসীম উদ্দিন তার মামার বাড়ি কবিতার লিখেছেন..
আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই..
ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই।
ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ..
পাকা আমের মধুর রসে রঙিন করি মুখ…।
মধুমাসের স্বাদ নিতে বাকি আর মাত্র কয়েক মাস।
তবে মুকুলের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মানুষ। গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল ও সজ্জিনার ফুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ ফুলের গন্ধ।
যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল। ভাঙ্গুড়ার বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে দেখা মিলছে আমের মুকুল ও সজ্জিনা ফুলের, গ্রামগুলোর মধ্যে খালি জায়গা, পুকুর পাড়, রাস্তার ধারে ও বাড়ির আঙ্গিনার গাছগুলোতে শোভা পাচ্ছে কেবলই আমের মুকুল ও সজ্জিনা ফুল।

আলোচিত খবর

নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে ভারত, চীন, পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। নবনির্বাচিত সরকারের শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে চীনের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভারত-পাকিস্তানসহ ১৩ দেশকে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন সরকার।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ