আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

পেকুয়ায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত।

পেকুয়া সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে সকলের অংশগ্রহনে ভোটার অধিকার প্রয়োগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে পেকুয়ায় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ওরিয়েন্টেশন সভা”অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ‘র আয়োজনে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএফইএস এর সহযোগিতায় পেকুয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এই ওরিয়েন্টেশনে বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, ভান্তেসহ বিভিন্ন ধর্মের ৩৪জন ধমীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

পেুকয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব আলম মাহবুব ওরিয়েন্টেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, শওকত আলী চৌধুরী। আইএসডিই বাংলাদেশ’র কর্মসূচি সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম এর সঞ্চালনায় সভায় আলোচনায় অংশনেন পুরোহিত বীরমুক্তিযোদ্ধা অজিত কুমার নাথ, পেকুয়া উপজেলা পুজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি সুমন বিশ্বাস, মওলানা জিয়াবুল ইসলাম, মওলানা মোঃ শহিদুল্লাহ, মোঃ বেলাল হোসেন, গৌতম বিশ্বাস, রিদুয়ানুল আলম সজীব, আইএসডিই কর্মসুচী কর্মকর্তা মোঃ কামাল উদ্দিন, জালাল উদ্দিন ও শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নতুন ভোটার, সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভোটার অধিকার, নির্বাচন পদ্ধতি এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদানে উৎসাহ সৃষ্টি করা সম্ভব। এছাড়া গণভোট বিষয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির এবং নির্বাচনের সময়ে গুজব ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় বক্তারা গণভোট বিষয়ে ব্যাপক প্রচারনা ও সচেতনতা সৃষ্টির উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। অংশগ্রহণকারীরা মতবিনিময়কালে নিজ নিজ সম্প্রদায়ে ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, আইএসডিই কক্সবাজার জেলার চকরিয়া, পেকুয়া ও মহেশখালী উপজেলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটার এডুকেশন প্রোগ্রামের আওতায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে, যার লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গু মোকাবেলায় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে।

তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে।

এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ