আজঃ শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬

পেকুয়ায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত।

পেকুয়া সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে সকলের অংশগ্রহনে ভোটার অধিকার প্রয়োগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে পেকুয়ায় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে ওরিয়েন্টেশন সভা”অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বেসরকারী স্বেচ্ছাসেবী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ‘র আয়োজনে এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএফইএস এর সহযোগিতায় পেকুয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে আয়োজিত এই ওরিয়েন্টেশনে বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, ভান্তেসহ বিভিন্ন ধর্মের ৩৪জন ধমীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

পেুকয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব আলম মাহবুব ওরিয়েন্টেশনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, শওকত আলী চৌধুরী। আইএসডিই বাংলাদেশ’র কর্মসূচি সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম এর সঞ্চালনায় সভায় আলোচনায় অংশনেন পুরোহিত বীরমুক্তিযোদ্ধা অজিত কুমার নাথ, পেকুয়া উপজেলা পুজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি সুমন বিশ্বাস, মওলানা জিয়াবুল ইসলাম, মওলানা মোঃ শহিদুল্লাহ, মোঃ বেলাল হোসেন, গৌতম বিশ্বাস, রিদুয়ানুল আলম সজীব, আইএসডিই কর্মসুচী কর্মকর্তা মোঃ কামাল উদ্দিন, জালাল উদ্দিন ও শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাঁদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নতুন ভোটার, সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভোটার অধিকার, নির্বাচন পদ্ধতি এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোটদানে উৎসাহ সৃষ্টি করা সম্ভব। এছাড়া গণভোট বিষয়ে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টির এবং নির্বাচনের সময়ে গুজব ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের দায়িত্বশীল ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় বক্তারা গণভোট বিষয়ে ব্যাপক প্রচারনা ও সচেতনতা সৃষ্টির উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। অংশগ্রহণকারীরা মতবিনিময়কালে নিজ নিজ সম্প্রদায়ে ভোটার সচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, আইএসডিই কক্সবাজার জেলার চকরিয়া, পেকুয়া ও মহেশখালী উপজেলায় অন্তর্ভুক্তিমূলক ভোটার এডুকেশন প্রোগ্রামের আওতায় বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে, যার লক্ষ্য একটি গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ
আত্মসাতের চেষ্টায় একজনের কারাদণ্ড
ছবি-৩
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে স্বাক্ষর নকল ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের চেষ্টার দায়ে নজরুল ইসলাম একজনকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন একটি আদালত। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমান খানের আদালত এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নজরুল ইসলাম পটিয়া উপজেলার ভাটিখাইন ইউনিয়নের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে।রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের বিশেষ পিপি মোকাররম হোসাইন। তিনি বলেন, রায়ের সময় আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও মো. শাহাজাহান ডবলমুরিং এলাকার মেসার্স নবী এন্ড সন্সের কর্মচারী ছিলেন। নজরুল ইসলাম ছিলেন ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার। ২০০৭ সালের ৩ জুন দুপুর ২টার দিকে নগরীর সদরঘাট এলাকার স্ট্যান্ড রোডের জনতা ব্যাংকের শাখা থেকে তারা দুই কর্মচারী মিলে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বড় ভাই মো. সেলিমের স্বাক্ষর জাল করে ৬টি চেক জনতা ব্যাংকে জমা দেয় টাকা উত্তোলনের জন্য। পরে ব্যাংক থেকে প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি বুঝতে পেরে তারা টাকা দিতে নিষেধ করেন। পরদিন অর্থাৎ ওই বছরের ৫ জুন চেকগুলোর মাধ্যমে টাকা প্রদান না করার জন্য ব্যাংক বরাবর লিখিত আবেদন করেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবু সাদাত মোহাম্মদ শামীম। পরে ওই বছরের ১৮ জুলাই তিনি এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় পুলিশ ২ নম্বর আসামির সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় শাহাজাহানকে চার্জশিট থেকে বাদ দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। ওই মামলায় আজ আসামি নজরুল ইসলামকে ৯ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সৌদি আরবের উপহার চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরবের উপহার
চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ
ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: সৌদি আরব থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া খেজুর চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলায় ৫০০ কার্টন বরাদ্দ দয়ো হয়েছে। এদিকে খেজুর বরাদ্দ নিয়ে সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সারাদেশে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তার বক্তব্যের পর বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার খেজুর বরাদ্দের তালিকা সামনে আসতে শুরু করে এবং কোথায় কত কার্টন খেজুর গেছে তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়। একই সঙ্গে বরাদ্দের পরিমাণ, বণ্টনের স্বচ্ছতা এবং প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে এসব খেজুর পৌঁছাচ্ছে কি না, এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।
চট্টগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন মো. ছাইফুল্লাহ মজুমদার জানান, চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলায় মোট ৫০০ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ফটিকছড়িতে ৩৯ কার্টন, আনোয়ারায় ২৫ কার্টন, হাটহাজারীতে ৩৫ কার্টন, পটিয়ায় ৩৭ কার্টন এবং সীতাকুণ্ডে ২৫ কার্টন খেজুর দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সন্দ্বীপে ৩৭ কার্টন, মিরসরাইয়ে ৩৭ কার্টন, রাঙ্গুনিয়ায় ৩৫ কার্টন, বোয়ালখালীতে ২৫ কার্টন, রাউজানে ৩৫ কার্টন এবং চন্দনাইশে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তালিকা অনুযায়ী বাঁশখালীতে ৩৭ কার্টন, লোহাগাড়ায় ২৫ কার্টন, সাতকানিয়ায় ৩৭ কার্টন, কর্ণফুলীতে ১৫ কার্টন এবং চট্টগ্রাম মহানগরে ২৫ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সৌদি আরবের বাদশাহ প্রতিষ্ঠিত ‘কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার’ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ১২ হাজার ২৫০ কার্টন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর গত ৫ মার্চ সংশোধিত এক আদেশের মাধ্যমে এই বরাদ্দ চূড়ান্ত করে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে পাঠিয়েছে। জনসংখ্যার অনুপাত ও ইউনিয়নের সংখ্যা বিবেচনা করে এই খেজুর বণ্টন করা হয়েছে বলে সরকারি নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ