আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

কোস্ট গার্ডের সাড়ে তিন হাজার সদস্য উপকূলীয় ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকবে : মহাপরিচালক।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক বলেছেন, কোস্ট গার্ড উপকূলবাসীর কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সন্দ্বীপের বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন শেষে বশিরিয়া আহমদিয়া আবু বকর সিদ্দিক ফাজিল মাদরাসা মাঠে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দেশের সুবিশাল সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।পাশাপাশি জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন ধরনের অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে কোস্ট গার্ড উপকূলবাসীর কাছে আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং নিরপেক্ষভাবে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি কঠোর নিরাপত্তা কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। গত ১৮ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত ২৮ দিনব্যাপী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রায় ৩ হাজার ৫০০ সদস্যের ১০০টি প্লাটুন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে।

এই প্লাটুনগুলো স্থলভাগ ও জলভাগে বিভক্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী, কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা ও পটুয়াখালী জেলার নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় ৬৯টি ইউনিয়নের ৩৩২টি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে। এ সময় ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর এলাকায় বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একটি উৎসব মুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, জনকল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অন্তর্বতীকালীন সরকার একই দিনে গণভোটের আয়োজন করেছে। আমরা আমাদের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সব বয়স ও শ্রেণি-পেশার নারী-পুরুষদের নিকট গণভোটে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যবস্থা করছি।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা দমনে সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে।নির্বাচনকালীন অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে কোস্ট গার্ড জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে ইইউ,র ১৪ মিলিয়ন ইউরো অনুদান ঘোষণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় অতিরিক্ত ১৪ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে অংশীদারত্বের মেয়াদ নবায়নের মাধ্যমে এই অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে, যা জরুরি মানবিক সহায়তা ও সুরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যয় করা হবে।

আজ ১৮ জুন ইইউ ও ইউএনএইচসিআরের যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন এই অর্থায়নের আওতায় কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা এবং প্রায় ৭০ হাজার স্থানীয় বাসিন্দা উপকৃত হবেন। বিশেষভাবে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি সম্প্রসারণ এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি হিসেবে এলপিজির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘমেয়াদি রূপ নিয়েছে। তাই শুধু জরুরি ত্রাণ নয়, শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং জীবিকা অর্জনের সুযোগ তৈরির বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন ইইউর ধারাবাহিক সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন- বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য এমন সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এটি তাদের সুরক্ষা, মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং ভবিষ্যতের প্রতি আশাবাদ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।বিশ্ব শরণার্থী দিবস ২০ জুন উপলক্ষে এই সহায়তার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

অপতথ্য ও গুজবের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, গুজব ও অপতথ্য মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা নিতে হবে।তিনি সোমবার ১৫ জুন ময়মনসিংহের নান্দাইলে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) আয়োজিত
১৩-১৫ জুন তিন দিনব্যাপী সাংবাদিক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন।

অপতথ্য ও গুজব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় ব্যক্তিগতভাবে অপতথ্যের শিকার হয়েছি। এখন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুজব ও অপতথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এটি মোকাবেলায় সাংবাদিকদের জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়িয়ে সাংবাদিকদের দক্ষ করে তুলতে সারা দেশে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নেওয়া হবে। সমাজে নানান বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে হবে।

নান্দাইল উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত সাংবাদিকদের মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট চেক ও এআই বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন (জুম মাধ্যমে) পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ এবং নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত। প্রশিক্ষণটি সমন্বয় ও সভা সঞ্চালনা করেন পিআইবির প্রশিক্ষক সাহানোয়ার সাইদ শাহীন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নান্দাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এনামুল হক বাবুল এবং প্রেসক্লাব নান্দাইলের সভাপতি হান্নান মাহমুদ। নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা জান্নাত প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী নান্দাইল উপজেলার ৩৫ জন সাংবাদিকের হাতে আনুষ্ঠানিক সনদপত্র তুলে দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ