আজঃ শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আন্দোলন করা ১৫ বন্দরকর্মীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ তদন্তে চিঠি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে আন্দোলন করা এবং পরবর্তীতে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি হওয়া ১৫ কর্মচারীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এরা আন্দোলন করেছিল।
বৃহস্পতিবার বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সই করা এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়। পাশাপাশি বিষয়টি তদন্তের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থাকেও (এনএসআই) অবহিত করা হয়েছে।

দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা ১৫ জনের মধ্যে রয়েছেন- চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও জাতীয়তাবাদী বন্দর শ্রমিক দলের নেতা মো. হুমায়ুন কবির, সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন, মো. ফরিদুর রহমান, মোহাম্মদ শফি উদ্দিন, রাশিদুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল মামুন, মো. জহিরুল ইসলাম, খন্দকার মাসুদুজ্জামান, হুমায়ুন কবির (এস এস পেইন্টার), মো. শাকিল রায়হান, মানিক মিঝি, মো. শামসু মিয়া, মো. লিয়াকত আলী, আমিনুর রসুল বুলবুল ও মো. রাব্বানী।

‘আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী কর্মচারীদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ তদন্তকরণ’ শীর্ষক চিঠিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বন্দরে আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে এসব কর্মচারীকে গত ২ ফেব্রুয়ারি মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।চিঠিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়, তদন্তাধীন অবস্থায় তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

একইসঙ্গে তাদের সম্পদের উৎস ও পরিমাণ যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে দুদকের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিমের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বন্দরের চিফ পারসোনাল অফিসার নাসির উদ্দিন চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়া বন্ধের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষনা করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর জানান, সরকার যতক্ষণ ইজারা প্রক্রিয়া থেকে ফিরে আসবেনা ততক্ষণ এ কর্মসূচি চলবে।

ক্ক
তিনি জানান, বন্দরের সর্বস্তরের কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়েছেন।এতে বন্দর থেকে আমদানি পণ্যের ডেলিভারি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং, বন্দরের ভেতরে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা। তবে বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস স্বাভাবিক রয়েছে। বন্দরে তিন দিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতির পর ২৪ ঘণ্টার কর্মসূচি দিয়েছিল পরিষদ। সেটি শেষ হওয়ার আগেই অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি এলো।

বন্দর কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীরসহ আন্দোলনে জড়িত অন্তত ১৬ জন কর্মচারীকে প্রথমে ঢাকার পানগাঁও আইসিটি ও কমলাপুর আইসিডিতে পরে মন্ত্রণালয় তাদের মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করেছে। যদিও তারা কর্মস্থলে যোগ দেননি।

হেলদি সিটি বানাতে রেড ক্রিসেন্টকে ভূমিকা রাখতে হবে- মেয়র শাহাদাত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হেলদি ও মানবিক নগর হিসেবে চট্টগ্রামকে গড়ে তুলতে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান ডা. হালিদা হানুমের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মেয়র এ আহ্বান জানান। তিনি বলেছেন, মানবিক সেবা, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় রেড ক্রিসেন্টের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা চট্টগ্রামের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মানবিক সেবার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা সবসময় সমাজের বিপন্ন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।দুর্যোগকালীন সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা, রক্তদান, প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমে রেড ক্রিসেন্টের অবদান প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও এই ঐতিহ্য বজায় রেখে রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রামবাসীর সেবায় আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

একটি হেলদি সিটি গড়ে তুলতে শুধু অবকাঠামো উন্নয়ন নয়, স্বাস্থ্য সচেতনতা, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি ও মানবিক মূল্যবোধ, এই সবকিছুর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে রেড ক্রিসেন্টের সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী।প্রয়োজনীয় সমন্বয় ও সহযোগিতা দিতে চসিক সবসময় প্রস্তুত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম একটি ঘনবসতিপূর্ণ মহানগর। এখানে স্বাস্থ্যঝুঁকি, দুর্যোগ ও মানবিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সিটি করপোরেশন, রেড ক্রিসেন্টসহ সব স্বেচ্ছাসেবী ও সামাজিক সংগঠনের সম্মিলিত উদ্যোগ অপরিহার্য। আমরা চাই, রেড ক্রিসেন্ট তার দক্ষ স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে চট্টগ্রামকে একটি হেলদি, নিরাপদ ও মানবিক নগরে রূপান্তরের অংশীদার হোক।ডা. হালিদা হানুম বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা ও মানবিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব।

তিনি চট্টগ্রামকে হেলদি সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে রেড ক্রিসেন্টের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।এ সময় উপস্থিত ছিলেন রেড ক্রিসেন্টের চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান এমএ ছালাম, ডেপুটি সেক্রেটারি মেজর (অব.) রেজা আহমেদ, চট্টগ্রাম সিটি ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক গোলাম বাকি মাসুদ, সিডিএর বোর্ড সদস্য জাহিদুল করিম কচি, ডা. এসএম সারোয়ার আলম, সদস্য ফারহানাজ মাবুদ, নিজামুল আলম, জিয়াউল হক সোহেল, মেহেদী হাসান রায়হান, আব্দুর রহিম, রেড ক্রিসেন্ট ইয়ুথ কমিটির মো. সাহাফ, তানজুম, নিজাম উদ্দীন প্রমুখ।

আলোচিত খবর

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন-ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন-ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ