আজঃ মঙ্গলবার ১২ মে, ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে এক কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকা।

ডেস্ক নিউজ

এক বছরে স্ত্রীর সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এক বছরে আয় বেড়েছে ড. ইউনূসের, কমেছে স্ত্রীর
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে। গত বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মোট পরিসম্পদ ছিল ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকার।
এক বছর আগে ২০২৪ সালের ৩০ জুন তা ছিল ১৪ কোটি এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকা। অর্থাৎ এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে এক কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকা। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এটা প্রকাশ করেছে।

সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী বা মেয়াদি আমানতে বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া শেয়ার ইত্যাদি কারণে মোট সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের মোট পরিসম্পদ ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬০ টাকা। যা আগের অর্থবছরে ছিল ২ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৪ টাকা। সে হিসাবে এক বছরে তার সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গোমস্তাপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধুর আত্মহত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলায় শয়নকক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে অনজনা পারভীন (৪০) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। ১১মে সোমবার রাতে উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর ফুরকান মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত অনজনা পারভীন ওই গ্রামের মো. সোনারুল ইসলামের স্ত্রী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক ৯:৩০ ঘটিকার দিকে অনজনা পারভীন তার স্বামীর বসতবাড়ির শয়নকক্ষে সিলিং ফ্যানের সাথে কাপড়ের ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। তবে আত্মহত্যার সঠিক কারণ সম্পর্কে প্রাথমিক প্রতিবেদনে কিছু জানা যায়নি।ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলেও বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে থানা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধারসহ এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এর হলরুমে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাঘাটা-ফুলছড়ি (গাইবান্ধা-৫) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ। তিনি সভায় সভাপতিত্ব করেন। প্রধান সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আশরাফুল কবীর।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, হাসপাতালের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, জনবল সংকট নিরসন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বক্তারা বলেন, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও কার্যকর করতে হবে।

সভায় প্রধান অতিথি আব্দুল ওয়ারেছ বলেন, স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার। তাই হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা যেন আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ ও কার্যকর হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি রোগীদের চিকিৎসা গ্রহণে কোনো ধরনের হয়রানি বা ভোগান্তি না হওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় স্বাস্থ্যসেবায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়। পাশাপাশি হাসপাতালের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং রোগীদের সঙ্গে সদাচরণ বজায় রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সদস্য সচিব ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইলতুতমিশ আকন্দ, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মেহেদী হাসান তন্ময়, সাঘাটা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইব্রাহিম হোসেন মন্ডল, ঘুড়িদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সেলিম আহমেদ তুলিব, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফুল ইসলাম, দৈনিক কালবেলার সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন রানা, দৈনিক মাতৃজগতের সাংবাদিক মেহেদী হাসান, সাঘাটা উপজেলা স্কাউট লিডার আব্দুর রউফসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মেডিকেল অফিসার ডা. আব্দুল আল ফারুক।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ