আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে একমাত্র এনসিপির প্রার্থী আরিফ : জামানত হারালেন

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একমাত্র প্রার্থী জোবাইরুল হাসান আরিফ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির মুখে পড়েছেন। তিনি চট্টগ্রাম-৮ ( বোয়ালখালী,চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ ) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৯০৬ ভোট, যা মোট ভোটারের শূন্য দশমিক ৫২ শতাংশ।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৯ জন। ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৬ হাজার ১৩৪টি। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭৩৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবু নাছের পেয়েছেন ৫২ হাজার ৩৩ ভোট। চট্টগ্রামের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং বোয়ালখালীর সহকারী রিটার্নিং অফিসার মেহেদী হাসান ফারুক ঘোষিত ফলাফলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। সে হিসাবে চট্টগ্রাম-৮ আসনে জামানত রক্ষা করতে প্রার্থীকে কমপক্ষে ২৩ হাজারের বেশি ভোট পেতে হতো (প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ প্রায় ৩২ হাজার)। এনসিপি প্রার্থী সেই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তার জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

শুধু এনসিপি প্রার্থী নন, এ আসনে আরও দুই প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ১৮৮ ভোট এবং ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক পেয়েছেন ৮৭ এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। বাকি দুটি আসনে জয়ী হয়েছেন জামায়াতের প্রার্থীরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে জুতার কারখানায় আগুন, দগ্ধ ১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের মাদারবাড়ি এলাকায় একটি জুতার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স–এর আটটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের কন্ট্রোল রুম জানায়, বিকেল ৩টায় আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর দ্রুত ইউনিট পাঠানো হয়। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় বিকেল ৫টার পর আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।অগ্নিকাণ্ডে একজন আহত হয়েছেন। তবে আগুন লাগার কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

চট্টগ্রামে প্রতীক নিয়ে তর্ক-বিতর্কেং ভাতিজার হাতে চাচা ছুরিকাঘাত ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের আকবর শাহ থানাধীন একটি ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যাওয়ার সময় ছুরিকাঘাতে মো.নুরুল আফসার (৪৫) নামের এক ভোটার আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই থানাধীন হাজী দাউদ আহম্মদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় ঘটনা ঘটে। আহত নুরুল আফসার আকবর শাহ এলাকার বশির মোহাম্মদ বাড়ির মৃত নুরুল আলমের ছেলে।

তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা রবিউল হোসেন বলেন, নুরুল আফসার ভোট দেওয়ার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রের দিকে যাচ্ছিলেন।এসময় ভোটকেন্দ্রের সামনে স্থানীয় ইমন ও তার ভাইয়ের সঙ্গে নুরুল আফসারের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে নুরুল আফসারকে ছুরিকাঘাত করা হয়। নুরুল আফসার ও ইমন একই এলাকার বাসিন্দা। পরবর্তীতে স্থানীয়রা নুরুল আফসারকে উদ্ধার করে দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে আসেন।বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে তিনি জানান।

আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান বলেন, চাচা-ভাতিজার মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়। এক পর্যায়ে চাচাকে ছুরিকাঘাতে করা হয়। ভোটকেন্দ্রের অনেক দূরে এ ঘটনা ঘটেছে।এটা ভোট সংশ্লিষ্ট কোনও ঘটনা নয়। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথা তিনি জানান।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ