আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

গণভোটে সাত আসনে জিতেছে ‘না’ ভোট।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গতকাল সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। গণভোটে সারাদেশের মোট সাতটি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে।
সাতটি আসনের মধ্যে তিনটি গোপালগঞ্জ জেলার। বাকি আসনগুলো হলো- বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম-১৩। তবে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।আজ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের ফলাফল শিট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি জানিয়েছে, বান্দরবানে ৩ লাখ ১৫ হাজার ৪২২ জন ভোটারের মধ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৪১৭টি। ‘না’ ভোট পড়েছে ৯০ হাজার ১৫৬টি।
চট্টগ্রাম-১৩ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৯৫ হাজার ২৪৬ জন ভোটারের মধ্যে ৮০ হাজার ৫৮০টি হ্যাঁ ভোটের বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার ৬২৯টি।
রাঙামাটিতে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৫টি এবং ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৭১ হাজার ৬৯৯টি। সেখানে মোট ভোটার ৫ লাখ ৯ হাজার ২৬৭ জন।
এছাড়া খাগড়াছড়িতে ৫ লাখ ৫৪ হাজার ১১৩ জন ভোটারের মধ্যে ‘হ্যাঁ’-তে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৫৫টি এবং ‘না’-তে ভোট পড়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪২টি।এদিকে, গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি আসনে ‘না’ ভোট জয়ী হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় গোপালগঞ্জ-১ আসনে ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার ২৯৮টি। পক্ষান্তরে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৫৪ হাজার ৭১৬টি।গোপালগঞ্জ-২ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৪ হাজার ৩০১টি, ‘না’ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৯০টি।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৩৩ হাজার ৪৯৮টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৯৩ হাজার ৩৬৮টি

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে মুসাফিরখানা মসজিদ শপিং কমপ্লেক্স বন্ধ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীর নন্দনকাননস্থ মুসাফিরখানা মসজিদ শপিং কমপ্লেক্স সারকারী হিসেবে দুইদিন বন্ধ দেয়ার নিয়ম থাকলেও একদিন বন্ধের নোটিশ দেয়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বিরাজ করছে। চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের একদিন বন্ধের নোটিশ সাঁটানোর পর থেকে শ্রমিক কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন নোটিশে দুইদিন বন্ধ ঘোষণা করেছে। এদিকে একদিন বন্ধের বিষয়ে চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি মোঃ আবছার হাসান চৌধুরী (জসিম)’র কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন ধরেননি।
জানা গেছে, গত ৯ ফেব্রুয়ারী মার্কেটটি বন্ধের বিষয়ে চট্টগ্রাম বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবসায়ী গ্রুপের নোটিশ সাাঁটানো হয়।সভাপতি মোঃ আবছার হাসান চৌধুরী (জসিম) ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহ আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত

ওই নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” অনুষ্ঠিত হবে। “আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬” উপলক্ষ্যে সরকারী গেজেট বন্ধ থাকায় আগামী ১২/০২/২০২৬ বৃহস্পতিবার সকল বৈদ্যুতিক দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ থাকবে। অতএব, আপনাদের স্ব স্ব দোকান ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সমুহ বন্ধ রেখে

“আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” এ সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখার জন্য সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।অন্যদিকে বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়ন তাদের নোটিশে দুইদিন বন্ধ ঘোষণা করেছে। বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মফিজ উদ্দিন স্বাক্ষরিত
আজ সোমবার দেয়া নোটিশে উল্লেখ রয়েছে, আগামী ১১ ও ১২ই ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং, রোজ- বুধবার ও বৃহস্পতিবার, ক্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে ।

অতএব আমরা বৈদ্যুতিক দোকান কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে উক্ত ২ দিন আপনাদের স্ব স্ব দোকান ও প্রতিষ্ঠান সমূহ বন্ধ রাখার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করিতেছি। এ বিষয়ে সভাপতি মোঃ ওমর ফারুক বলেন, আমরা মার্কেট দুইদিন বন্ধ রাখার নোটিশ দিয়েছি। তবে মালিক পক্ষের একদিন বন্ধ রাখার বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

চট্টগ্রাম মহানগরের ৫ স্থানে হচ্ছে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মা ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান। মঙ্গলবার নতুন ব্রিজ পুলিশ বক্স এলাকায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মেয়র বলেন, একজন কর্মজীবী বা বাইরে অবস্থানরত মায়ের জন্য শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নগরের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর মাধ্যমে মায়েরা স্বাচ্ছন্দ্যে এবং মর্যাদার সঙ্গে তাদের শিশুদের প্রয়োজনীয় যত্ন নিশ্চিত করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি সদস্য আব্দুল করিম ভুট্টো, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এন. মোহাম্মদ রিমন, হালিশহর বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মেহেদী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নোমান সিকদার সোহাগ। এসময় ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী সাফরাশ নুরী সিজ্জি প্রকল্পের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বর্ণনা দেন।

ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ এর নেতৃত্বে বাস্তবায়নাধীন এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় নগরের নতুন ব্রিজ, পতেঙ্গা, কদমতলী কারখানা এলাকা, আগ্রাবাদ এবং রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা যৌথভাবে অর্থায়ন করছে ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
চসিক মেয়র আরও বলেন, শিশুর সুস্বাস্থ্য ও মায়ের মর্যাদা রক্ষায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ।এটি শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, বরং মানবিক নগর গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রামের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি স্বাস্থ্যবান্ধব, মানবিক ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল পুনরুদ্ধার, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম, খেলাধুলার মাঠ আধুনিকায়ন এবং নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণসহ একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ