এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শীতের মাসী যখন বিদায় নিতে ব্যস্ত ঠিক তখনই মধুমাস ঋতুরাজ তার ফাল্গুনী হওয়ার শুভেচ্ছার আগমনী নিয়ে হাজির বসন্ত।
প্রতি বছরের ন্যায় এই ফাল্গুন মাসে প্রকৃতি তার নিজেকে সাঁজাতে ব্যস্ত থাকে।

সারা বাংলাদেশের ন্যায় পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়ায় মধু মাস ঋতুরাজ বসন্ত আসার আগাম বার্তা নিয়ে এসেছে আম গাছে মুকুল,সজ্জিনা গাছে ফুল। বর্তমানে পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় প্রায় প্রতিটি বাড়িতে আমের মুকুলের গন্ধে মৌমাছি,মৌ মৌ করে উড়ে উড়ে ফুলের মধু সংগ্রহ করছে।
প্রকৃতির দিকে তাকালে অনেক রকম ফুল চোখে পড়ছে ও দৃষ্টিনন্দন পাগল করা মুকুল এর ঘ্রাণে মন ভরে উঠছে।
প্রকৃতি তার ব্যস্ত সময় পার করছে।প্রকৃতিতে বসন্তের আপন মহিমায় ফোটা শুরু করেছে আমের মুকুল, ফুটেছে সজ্জিনা ফুল,প্রায় প্রতিটি জায়গাতেই চোখ জুড়ানো আমের মুকুল,সজ্জিনা ফুল ফুটেছে।
বিভিন্ন বাড়ীর ছাদবাগানের আমের গাছগুলো ভুল করেনি প্রকৃতি শোভায় মুকুল ছড়াতে। পাবনা জেলার প্রতিটি উপজেলায় দিন দিন বাড়ছে হরেক রকমের সুস্বাদু আমের চাষ। বাংলাদেশ সহ বাঙালির হৃদয়ের স্পন্দনে মিশে থাকা
বিশ্ব কবি,কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের একটি লাইন..
“ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রানে পাগল করে..
মরি হায়, হায় রে-
“ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রানে পাগল করে”..

পল্লীকবি জসীম উদ্দিন তার মামার বাড়ি কবিতার লিখেছেন..
আয় ছেলেরা, আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই..
ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই।
ঝড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ..
পাকা আমের মধুর রসে রঙিন করি মুখ…।
মধুমাসের স্বাদ নিতে বাকি আর মাত্র কয়েক মাস।
তবে মুকুলের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার মানুষ। গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল ও সজ্জিনার ফুল। চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে এই মুকুলের পাগল করা ঘ্রাণ। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ ফুলের গন্ধ।
যে গন্ধ মানুষের মনকে বিমোহিত করে। পাশাপাশি মধুমাসের আগমনী বার্তা শোনাচ্ছে আমের মুকুল। ভাঙ্গুড়ার বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে দেখা মিলছে আমের মুকুল ও সজ্জিনা ফুলের, গ্রামগুলোর মধ্যে খালি জায়গা, পুকুর পাড়, রাস্তার ধারে ও বাড়ির আঙ্গিনার গাছগুলোতে শোভা পাচ্ছে কেবলই আমের মুকুল ও সজ্জিনা ফুল।








