আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

স্থায়ী হলেন চসিকের ৪৫৯ অস্থায়ী কর্মচারী।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) আরও ৪৫৯ জন অস্থায়ী কর্মচারীকে স্থায়ী করা হয়েছে। মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সোমবার টাইগারপাসে কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে অস্থায়ী কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়কালে এ ঘোষণা দেন। এসময় চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চসিক সূত্র জানায়, বিভিন্ন ক্যাটাগরির ১৯টি পদের বিপরীতে কর্মরত এসব কর্মচারী দীর্ঘদিন ধরে অস্থায়ী ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। নতুন করে স্থায়ী হওয়াদের মধ্যে কারিগরি, প্রশাসনিক ও সহায়ক পদের কর্মীরা রয়েছেন। বিদ্যুৎ, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, অফিস সহায়তা, পরিচ্ছন্নতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সেবাখাতে তারা কর্মরত ছিলেন।

মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ১ হাজার ৪৫০ জন অস্থায়ী কর্মচারীকে স্থায়ী করা হয়েছে। তিনি বলেন, চসিকের উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল রাখতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ জনবল প্রয়োজন। দীর্ঘদিন অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব পালনকারী কর্মচারীরা নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করেছেন। তাদের চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। তিনি আরও জানান, যেসব পদের ক্ষেত্রে জনবল কাঠামোয় অনুমোদিত পদ রয়েছে এবং মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পাওয়া গেছে, সেসব পদে পর্যায়ক্রমে স্থায়ীকরণ করা হচ্ছে।

অন্যান্য পদের ক্ষেত্রেও মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। অনুমোদন সাপেক্ষে আরও কর্মচারীকে স্থায়ী করা হবে বলে জানান তিনি। ডা. শাহাদাত বলেন, চাকরির স্থায়িত্ব নিশ্চিত হলে কর্মীদের দায়িত্ববোধ ও কর্মউদ্দীপনা বাড়ে, যা সরাসরি নাগরিক সেবার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৩ লাখের বেশি শিশু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে হাম-রুবেলা টিকা পাবে ৩ লাখের বেশি শিশু। বৃহস্পতিবার লালদীঘির পাড়ে চসিক পাবলিক লাইব্রেরি কনফারেন্স রুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এ তথ্য জানান।

এ সময় মেয়র নগরের শিশুকে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যে ২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত মাসব্যাপী টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হবে বলে জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন। বক্তব্য রাখেন, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) শেখ ফজলে রাব্বী, সিভিল সার্জন ড. জাহাঙ্গীর আলম, চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, ডা. হোসনে আরা, ডা. তপন কুমার, ডা. খাদিজা আহমেদ, ডা. আব্দুল মজিদ শিকদার, ইউনিসেফের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দেলোয়ার হোসেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বিভাগীয় কো-অর্ডিনেটর ডা. ইমং প্রো চৌধুরী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক ফাহমিদা বেগম।

মেয়র আরো বলেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দেয় এবং পরবর্তীতে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, অপুষ্টি এমনকি মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। তাই প্রতিটি শিশুকে টিকার আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি।তিনি জানান, এই ক্যাম্পেইনের আওতায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে। প্রতিদিন (শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন বাদে) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

চসিক সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পেইনে ৭টি জোনের ৪১টি ওয়ার্ডে মোট ৩ লাখ ৩০০ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য ৪৮টি স্থায়ী টিম, ২০৫টি অস্থায়ী টিম, ৪১টি মপ-আপ টিম এবং ১৪টি সন্ধ্যাকালীন টিকাদান সেশন চালু থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, টিকা গ্রহণের জন্য অভিভাবকদের ১৭ ডিজিটের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করে অনলাইনে নিবন্ধন করতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তবে নিবন্ধন না থাকলেও কোনো শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হবে না। বিশেষ করে বস্তি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত বাদ পড়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেওয়া হবে।

মেয়র আরও জানান, ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ও মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ, স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতকরণ, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষকদের সঙ্গে সমন্বয় সভা, মাইকিং ও গণসচেতনতা কার্যক্রম।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচি সফল করতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। সাংবাদিক, শিক্ষক, ইমাম, পেশাজীবীসহ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই আমরা একটি সুস্থ, নিরাপদ চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে পারবো।
আগামী ২০ এপ্রিল সকাল ১০টায় চসিক জেনারেল হাসপাতাল মিলনায়তনে এ টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিকল্প নাই : বিদ্যালয়ে প্রচারণা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌর, পানি ও বায়ু বিদ্যুতের মতো প্রাকৃতিক উৎস থেকে উৎপাদিত নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো ছাড়া জ্বালানীতে সক্ষমতা উন্নয়নের বিকল্প নাই। কারণ জ্বীবাষ্ম ভিত্তিক জ্বালানীতে নির্ভরশীলতার কারণে পুরো দেশ ও জাতি এখন চরম সংকটে। জ্বালানী তেলের অভাবে পেট্রোল পাম্পগুলিতে দিনের পর দিন দাঁড়িয়ে থেকে তেল পাওয়া যাচ্ছে না। আর জ্বালানীর অভাবে শিল্প, কলকারখানা, অফিস আদালতে স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যাচ্ছে না। টাকা থাকালেও জ্বালানী পাওয়া যাচ্ছে না। সেজায়গায় যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানীখাতে সক্ষমতা বাড়ানো যেত তাহলে, অর্থনীতির চাকা সচল থাকতো। তাই এখনথেকেই জ্বীবাষ্ম জ্বালানীর ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করে নবয়ানযোগ্য জ্বালানীতে অধিক জোর প্রদান করতে হবে।

একই সাথে সবুজ জ্বালানী ও টেকসই জ্বালানীর ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়ে তরুন প্রজন্মকে সচেতন করতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সবুজ জ্বালানী বিষয়ক প্রচারণা কর্মসুচির মতো আরও গণসচেতনতামুলক কর্মসুচি আয়োজন করতে হবে।বুধবার বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ, ‘ক্লিন’ এবং ‘বিডব্লিউজিইডি’-এর উদ্যোগে নগরীর কাপাসগোলা সিটিকরপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সবুজ জ্বালানী বিষয়ক প্রচারণা কর্মসুচির আওতায় আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তারা উপরোক্ত মন্তব্য করেন।


কাপাসগোলা সিটিকরপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুমা বড়ুয়া সভাপতিত্বে ক্যাব চট্টগ্রাম ক্যাব বিভাগীয় সংগঠক রাসেল উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রচারণা কর্মসুচির অংশহিসাবে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই এর নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আবদুল মান্নান, ক্যাব চান্দগাও থানা সভাপতি মোঃ জানে আলম, আইএসডিই বাংলাদেশের প্রকল্প সমন্বয়কারী শম্পা কে নাহার, প্রজেক্ট অফিসার রাইসুল ইসলাম, অ্যাডমিন অফিসার আবদুল মান্নান জিহাদ প্রমুখ।
রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় রচনা প্রতিযোগিতায় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় ১ম হয়েছে ৯ শ্রেণীর ছাত্রী স্হোাইলা করিম চৌধুরী, ২য় হয়েছে ৯ম শ্রেনীর তাহিয়াত তারান্নুম আরশি ও ৩য় হয়েছে ১০ম শ্রেনীর তুনাজ্জিয়া নুর। রচনা প্রতিযোগিতায় ১ম হয়েছে ১০ শ্রেনীর উনাইছা আমরিন, ২য় হয়েছে ১০ম শ্রেণীর আদওয়া জাহান, ৩য় ১০ শ্রেনীর মৌমিতা দাস বর্ষা। এ প্রচারণা কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমান শিক্ষার্থী উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন।

কাপাসগোলা সিটিকরপোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুমা বড়ুয়া বলেন, জ্বীবাস্ম জ্বালানীর ওপর নির্ভরশীলতার কারণে দেশ আজ চরম হুমকির সম্মুখীন। জ্বালানী তেল সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। টাকা থাকলেও জ্বালানী তেল আমদানিও করা যাচ্ছে না।সেকারণে আগামি প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে সবুজ জ্বালানী বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি ও টেকসই জ্বালানী নিয়ে আরও সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা দরকার। তাহলে পুরো জাতি উপকৃত হবে।
ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই এর নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন বলেন, জ্বীবাষ্ম জ্বালানীর ওপর নির্ভরশীলতার কারণে দেশ জ্বালানী খাতে সক্ষমতা অর্জনে সমর্থ হয়নি। যার কারণে ইরান যুদ্ধের ফলে টাকা থাকলেও জ্বালানী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। জ্বালানী নিরাপত্তা আজকে হুমকির সম্মুখীন। সেকারণে যদি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো হতে তাহলে বিপদের সময় এধরনের হুমকিতে পড়তে হতো না। এ জন্য সবুজ জ্বালানীর সক্ষমতা বাড়াতে জনসচেতনতার পাশাপাশ সরকারের উদ্যোগের বিকল্প নাই। আর প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো, তরুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের মাঝে পরিবেশবান্ধব সবুজ জ্বালানির ব্যবহার সম্পর্কে গণসচেতনতা সৃষ্টি করা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে টেকসই জ্বালানি ব্যবহারে উৎসাহিত করা।P

আলোচিত খবর

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ