আজঃ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে লাখ টাকা জরিমানা গুনল হাজার টন খেজুর মজুদকারী।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে হিমাগারে প্রায় এক হাজার টন খেজুর মজুদ করায় ম্যানেজারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।জেলার সাতকানিয়ায় উপজেলার খাগরিয়া এলাকায় বার আউলিয়া হিমাগার প্রা. লিমিটেডের ম্যানেজারকে এ জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মাহমুদুল হাসান।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রমতে, খাগরিয়া এলাকায় বার আউলিয়া হিমাগার প্রা. লিমিটেডে বিপুল পরিমাণ খেজুর মজুদ করা হয়েছে। এ বিষয়ে গোপন খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হিমাগারে প্রায় এক হাজার টন খেজুর মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়। ফলে হিমাগারের ম্যানেজারকে তাৎক্ষণিকভাবে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্বদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, অভিযানকালে আমরা প্রায় এক হাজার টন খেজুর মজুদ অবস্থায় দেখতে পাই। ফলে হিমাগারের ম্যানেজারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে আগামী সাত দিনের মধ্যে মজুদকৃত খেজুর বাজারজাত করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। হিমাগারের ম্যানেজার জানিয়েছে, এগুলো বিভিন্ন ব্যবসায়ী সেখানে মজুদ করেছে। এজন্য খেজুরের মালিকের নাম এবং মজুদকৃত খেজুরের সঠিক পরিমাণ দ্রুত সময়ের মধ্যে জানানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বার আউলিয়া হিমাগার প্রা. লিমিটেডর অর্থদণ্ড প্রাপ্ত ম্যানেজার মো. রমজান আলী জানান, হিমাগারে ব্যবসায়ীরা এক মাস আগে থেকে খেজুর আনা শুরু করে। ইতিমধ্যে অনেক খেজুর নিয়েও গেছে। সর্বশেষ ২৪ হাজার বস্তা খেজুর হিমাগারে আনা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৮ হাজার বস্তা খেজুর নিয়ে গেছে। হিমাগারে বর্তমানে ৬ হাজার বস্তা খেজুর আছে।এগুলো এক-দুই দিনের মধ্যে নিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পৃথিবীতে রেখে যাবো অহিংসার বানী। সবাই করবো ধর্ম পালন, নাহয় যেন কারও সম্মানহানি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


রমযান মাস মুসলিম উম্মার সমস্ত পাপ মোচন করার জন্য আসে। মানব জীবনের সুপ্রবৃত্তি আমাদের সমাজ জীবনে ঐক্য-সংহতি,প্রেম-মৈত্রী ও ভালবাসা সৃষ্টিতে সহায়তা করে। ক্রোধ মানুষকে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য করে তোলে। লোভ- মোহ সামাজিক জীবনে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে। এসব দহনের জন্যই এ মহান সৃস্টিকর্তা রমযানের প্রবর্তন করেছেন। যাতে এ দহনের ফলে মানুষ তার প্রকৃত স্থান নির্দিষ্ট করতে পারে।


মুসলিম অধ্যুসিত বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা এমাসের পবিত্রতা পালনে সব সময় সম্মান প্রদর্শণ করে থাকে। বছরের বছর সিয়াম সাধনায় ব্রতদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সনাতনী সম্প্রদায় প্রকাশ্যে পানাহার থেকে বিরত থাকে। এমাসে কেউ কেউ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করে থাকে। বিশ্ব সনাতনী মৈত্রী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, রাধা গোবিন্দ মন্দির ও কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা ,হরিদাস বাবু সিয়াম সাধনার মাসে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী মুসলিম পরিবারের মাঝে ১০ টন চাল সহ বিভিন্ন সামগ্রী বিতরন করেছেন।


আজ ১৯ ফেব্রুয়ারী ৪ হাজার মুসলিম পরিবারের মাঝে খাদ্য বিতরণ করেছেন। রমজান মাসে তাঁহার বক্তব্য হচ্ছে জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর।তিনি ইফতার সামগ্রী বিতরণ‎কালে বলেন – রোজার মাস মুসলিম ভাইদের সিয়াম সাধনার মাস, আমরা অবশ্যই কোন ধরনের মাইক গান বাজনা থেকে বিরত থাকবো।আমরা সনাতনীরা যদি কোন অনুষ্ঠান করি অবশ্যই নিয়ম মাফিক করব যাতে কারো কোন সমস্যা না হয়। সবাই সবার ধর্ম কে শ্রদ্ধা সন্মান করবো। মানুষ হিসাবে পৃথিবীতে আসছি মানুষ হিসাবে পৃথিবী থেকে চলে যাবো। পৃথিবীতে রেখে যাবো অহিংসার বানী। সবাই করবো ধর্ম পালন, নাহয় যেন কারও সম্মানহানি।

পর্যাপ্ত মজুদ, রমজানে দাম বাড়ার সম্ভবনা নেই।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রমজান মাসকে সামনে রেখে ভোগ্যপণ্যের বাজারে দাম ওঠানামা শুরু হয়েছে। রোজায় সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকা ডালজাতীয় পণ্যের দাম এবার কম। বিশেষ করে পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় রোজাদারদের ইফতারের অনুসঙ্গ ছোলার দাম বাড়ার সম্ভবনা নেই। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম সাড়ে ৭ মাসে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে খালাস হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ৭৯৮ টন ছোলা। এর বাইরে আগের বছরের অবিক্রিত ছোলাও রয়েছে বাজারে।

সরেজমিন দেশের সবচেয়ে বড় ভোগপণ্যের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে দেখা গেছে, আড়তে প্রচুর ছোলার সরবরাহ। টেবিলে ছোট ছোট বাটিতে বিভিন্ন মানের ছোলার নমুনা সাজিয়ে রাখা হয়েছে। কেউ কেউ ছোট স্বচ্ছ বোতলে, বাটিতে পানি দিয়ে ছোলা ভিজিয়ে রেখেছেন, যাতে ক্রেতাদের সন্দেহ না থাকে। দূরদূরান্ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা কিনছেন ছোলা। প্রতিকেজি অস্ট্রেলিয়ার ছোলা পাইকারিতে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাকিস্তানি কাবলি ছোলা (সাদা) পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা।


ব্যবসায়ীরা বলছেন, মজুতের পাশাপাশি আমদানি বেশি হয়েছে ছোলা। দামও হাতের নাগালে। সরকার থেকে পাওয়া বিশেষ সুবিধায় বিপুল পরিমাণে ছোলা আমদানি হয়েছে। চাহিদার চেয়ে বেশি থাকায় এবার ছোলার বাজার চড়া হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। উল্টো ধীরে ধীরে দাম আরো কমবে। গত বছরের তুলনায় দাম বাড়তি থাকার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীদের একটি পক্ষ কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের কূটকৌশল এবং অন্য পক্ষ ডলারের উচ্চ দর বলে মনে করছেন।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের জুলাইতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ছোলা খালাস হয়েছে ৪৯৮ টন, আগস্টে ৮৮৩ টন, সেপ্টেম্বরে ৮৭০ টন, অক্টোবরে ৫ হাজার ১৭৭ টন, নভেম্বরে ৪২ হাজার ৩৪৩ টন, ডিসেম্বরে ৫৭ হাজার ৪৬১ টন, জানুয়ারিতে ৭৯ হাজার ৭৭১ টন এবং ১-১০ ফেব্রুয়ারি ৭ হাজার ৭৯৫ টন।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালে ২ লাখ ৯৫ হাজার ৫৬ মেট্রিক টন ছোলা আমদানি করা হয়েছে। এর আগে ২০২৪ সালে দেশে ছোলা আমদানি হয়েছিল মাত্র ১ লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ মেট্রিক টন। অর্থাৎ, আগের বছরের তুলনায় এবার ১ লাখ ২৮ হাজার ৯২৯ মেট্রিক টন বা প্রায় ৭৭.৬১ শতাংশ বেশি ছোলা আমদানি করেছে বাংলাদেশ।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ পরিচালক ড. মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, প্রতিবছর দেশে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিকটন ছোলা আমদানি হয় চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে। বেশিরভাগ ছোলা আমদানি হয় অস্ট্রেলিয়া থেকে। এ বছর আমদানি স্বাভাবিক পর্যায়ে আছে। ইতিমধ্যে প্রায় ২ লাখ মেট্রিকটন ছোলা খালাস হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে।কিছু ছোলা পাইপলাইনে আছে। সেগুলো দ্রুত খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। রোগ ও পোকামুক্ত, কোয়ালিটি হয়েই ছাড়পত্র দিচ্ছি আমরা। এবার ছোলার বাজারে অস্থিরতা বা দাম বৃদ্ধির কোনো সুযোগ থাকবে না।

এদিকে ছোলার বড় আমদানিকারক বিএসএম গ্রুপের চেয়ারম্যান আবুল বশর চৌধুরী বলেন, আমদানিকারকরা পাইকারদের কাছে প্রতি ছোলা মণ ২ হাজার ৬০০ টাকা বিক্রি করছেন। এ পর্যায়ে প্রতি কেজি ছোলা ৬৯ টাকা। সবচেয়ে ভালো কোয়ালিটির ছোলা ৭৪ টাকা। তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ায় ছোলার হারভেস্টিং মৌসুম শুরু হয় অক্টোবরে।

চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন বলেন, রমজান সামনে রেখে চাক্তাই খাতুনগঞ্জের আড়তে উৎসবমুখর পরিবেশে বেচাবিক্রি হচ্ছে। গত বছর যে অস্ট্রেলিয়ার ছোলা আড়তে ১০০-১০৪ টাকা, সেই ছোলা এবার বিক্রি হচ্ছে ৭৪-৭৫ টাকা। নিম্নমানের ছোলা ৭২ টাকা। প্রিমিয়াম কোয়ালিটির ছোলা ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এবার অস্ট্রেলিয়ায় ছোলার দাম কম ও ডলার সংকট না থাকায় প্রচুর ছোলা এসেছে। যথেষ্ট এলসি খোলা হয়েছে। কোনো সংকট হবে না। পর্যাপ্ত ছোলা আছে বাজারে। রমজানের চাহিদা মিটিয়ে আরও কয়েক মাস খেতে পারবে মানুষ।

ক্রেতারা মনে করছেন, বর্তমান বাজারদর গত বছরের তুলনায় কিছুটা স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। গত বছর রমজানের আগে ছোলার কেজি ১১০ থেকে ১১৫ টাকায় উঠলেও এবার মানভেদে ৭৫ থেকে ৮২ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ আছে। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এবার কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা কমে ছোলা কিনতে পারছেন ক্রেতারা।পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণে শক্ত মনিটরিং প্রয়োজন বলে মনে করছেন তারা।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, কোনো ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে ইচ্ছেমতো পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেয়, যার ফলে সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তির শিকার হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আলোচিত খবর

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। কমিটিতে আরও ১৪ জন সদস্য রয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং সচিব।

কমিটির সদস্যরা হলেন- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী; উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন; উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ; মন্ত্রিপরিষদ সচিব; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব; অর্থ বিভাগের সচিব; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব; স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।এ ক্ষেত্রে কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষে কমিটি আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দেবে।

এছাড়াও কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, নবগঠিত এই কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন; প্রাথমিক পর্যায় দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিটিতে ১টি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ; নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করা যায় কিনা তা পর্যালোচনা; সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও National Household Database আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল MIS প্রণয়নের সুপারিশ করবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ