আজঃ মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

চট্টগ্রামে লাখ টাকা জরিমানা গুনল হাজার টন খেজুর মজুদকারী।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে হিমাগারে প্রায় এক হাজার টন খেজুর মজুদ করায় ম্যানেজারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।জেলার সাতকানিয়ায় উপজেলার খাগরিয়া এলাকায় বার আউলিয়া হিমাগার প্রা. লিমিটেডের ম্যানেজারকে এ জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খোন্দকার মাহমুদুল হাসান।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রমতে, খাগরিয়া এলাকায় বার আউলিয়া হিমাগার প্রা. লিমিটেডে বিপুল পরিমাণ খেজুর মজুদ করা হয়েছে। এ বিষয়ে গোপন খবরের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হিমাগারে প্রায় এক হাজার টন খেজুর মজুদ অবস্থায় পাওয়া যায়। ফলে হিমাগারের ম্যানেজারকে তাৎক্ষণিকভাবে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্বদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, অভিযানকালে আমরা প্রায় এক হাজার টন খেজুর মজুদ অবস্থায় দেখতে পাই। ফলে হিমাগারের ম্যানেজারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সাথে আগামী সাত দিনের মধ্যে মজুদকৃত খেজুর বাজারজাত করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। হিমাগারের ম্যানেজার জানিয়েছে, এগুলো বিভিন্ন ব্যবসায়ী সেখানে মজুদ করেছে। এজন্য খেজুরের মালিকের নাম এবং মজুদকৃত খেজুরের সঠিক পরিমাণ দ্রুত সময়ের মধ্যে জানানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বার আউলিয়া হিমাগার প্রা. লিমিটেডর অর্থদণ্ড প্রাপ্ত ম্যানেজার মো. রমজান আলী জানান, হিমাগারে ব্যবসায়ীরা এক মাস আগে থেকে খেজুর আনা শুরু করে। ইতিমধ্যে অনেক খেজুর নিয়েও গেছে। সর্বশেষ ২৪ হাজার বস্তা খেজুর হিমাগারে আনা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৮ হাজার বস্তা খেজুর নিয়ে গেছে। হিমাগারে বর্তমানে ৬ হাজার বস্তা খেজুর আছে।এগুলো এক-দুই দিনের মধ্যে নিয়ে যাবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজে বর্নিল সাজে পহেলা বৈশাখ-১৪৩৩ উদযাপন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় বর্নিল সাজে উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ-১৪৩৩ সন।মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নতুন বাংলা বছর ১৪৩৩ সনের সূচনাকে স্বাগত জানান মহিলা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী,শিক্ষক ও কর্মচারীরা।সকালে অত্র কলেজের উদ্যোগে একটি আনন্দ পদ যাত্রা বের হয়। পদ যাত্রাটি অত্র কলেজ চত্বরে শেষ হয়।


পদ যাত্রাটিতে অংশগ্রহন করেন মহিলা ডিগ্রি কলেজের ছাত্রী,শিক্ষক ও কর্মচারীরা।পহেলা বৈশাখ-১৪৩৩ সন উদযাপন উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ জনাব মোঃ মোস্তফা কামাল,গভর্নিংবডির সদস্য হায়দার মিন্টু সহ কলেজের সকল ছাত্রী,শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ এবং গণমাধ্যম বৃন্দ।

পরে মহিলা ডিগ্রি কলেজের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান । সেখানে কলেজের ছাত্রীরা গান, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এছাড়া সকালে পান্তা খাওয়া এবং দুপুরে ভাত,মাংস,ডাল ও কচু শাখ খাওয়ার মধ্যে দিয়ে অত্র কলেজের পহেলা বৈশাখ-১৪৩৩ উদযাপন শেষ হয়। সব মিলিয়ে ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেন নতুন বছর ১৪৩৩ সন।

চট্টগ্রামে দেড় কিলোমিটার জুড়ে সড়কে আলপনা অঙ্কনের ব্যতিক্রমী আয়োজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পয়লা বৈশাখ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে সড়কে আলপনা অঙ্কনের ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রাম নগরের সার্কিট হাউস থেকে শুরু হয়ে লাভলেইন ও কাজীর দেউড়ি হয়ে ঐতিহ্যবাহী ডিসি হিল পর্যন্ত বিস্তৃত এই আয়োজন উৎসবমুখর পরিবেশে শেষ করেছে জেলা
প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা রোববার (১২ এপ্রিল) রাত ১১টায় এই আলপনা অঙ্কনের উদ্বোধন করেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমি এবং শিশু একাডেমির শিক্ষার্থী ও শিল্পীরা এতে অংশ নিয়েছেন। তারা বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে লতাপাতা, ফুল, পাখি ও লোকজ মোটিফের মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য তুলে ধরেছেন।

জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম গত রাতে বলেন, আমরা আসলে দেড় কিলোমিটার যে আলপনা করছি, সেখানে আপনারা দেখছেন বিভিন্ন রঙে আমাদের এই সড়ক রাঙানো হচ্ছে। আমরা আমাদের জীবনকেও এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সেভাবে রাঙিয়ে তুলতে চাই।তিনি বলেন, আমাদের এই সমাজে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধসহ যারা বসবাস করে, তাদের প্রত্যেকের আলাদা রং থাকলেও উৎসব পালনের ক্ষেত্রে আমরা একতাবদ্ধ। আমরা একত্রে মিলিত হয়ে আমাদের উৎসব আয়োজন করি।

তিনি আরও বলেন, সমাজে হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে এবং উৎসবের সময় তারা ঐক্যবদ্ধ হয়-এই আয়োজন সেই সম্প্রীতির প্রতীক।
তিনি আরও যোগ করেন, এখানে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টান সবাই মিলে এবং অন্যান্য যারা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে, বৌদ্ধসহ যারা আছে-আমরা সবাই মিলে একটি সুন্দর সমাজে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করি।

ডিসি বলেন, আমরা সম্মিলিতভাবে দেশের জন্য কাজ করি এবং আমাদের সংস্কৃতির যে মেলবন্ধন আছে, সেটি বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে চাই। আমাদের সংস্কৃতির যে গৌরব এবং ঐতিহ্য, সেটি যেন আগামী প্রজন্ম ধরে রাখে—সেজন্য আমরা তাদের উৎসাহিত করছি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) হোসেন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শরীফ উদ্দিন ও মো. সাইদুজ্জামান পাঠান। এ সময় জেলা প্রশাসকের একমাত্র সন্তানও উপস্থিত ছিলেন এবং আলপনা অঙ্কনে অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ