আজঃ শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

দুবাইয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনা।

মোহাম্মদ আরমান চৌধুরী ইউএই প্রতিনিধি

দুবাইয়ে প্রবাসী সাংবাদিকদের আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাইয়ের প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দুবাইয়ের প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মরত প্রবাসী সাংবাদিকরা। দুবাইয়ের আল মতিনা রয়েল নাইট রেস্টুরেন্টের হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং ইত্তেফাক প্রতিনিধি এস. এম. ফয়জুল্লাহ শহীদের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন গাজী টিভির ফখরুদ্দিন মুন্না। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নাসিম উদ্দিন আকাশ, নওশের আলী, ওবায়দুল হক মানিক, মোহাম্মদ সেলিম, মাসুম বিল্লাহ রায়হান, মো. মনির হোসেন, আবুল কালাম, মো. আলিনুর, শরীয়ত উল্লাহ সবুজ, সাইদুর রহমানসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বিদায়ী প্রথম সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের পেশাদারিত্ব, সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রবাসে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে তাঁর গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, সাংবাদিক ও কনস্যুলেটের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।আলোচনা শেষে প্রবাসী সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ আরিফুর রহমান বলেন, দীর্ঘ দুই বছরের কর্মকালীন সময়ে আমি সকল সাংবাদিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। প্রবাসে দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা আমার কাজকে অনেক সহজ করেছে।

তিনি আরও বলেন, তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে প্রবাসী সাংবাদিক সমাজের সঙ্গে যে আন্তরিকতা, সৌহার্দ্য ও পেশাদারিত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তা সবসময় স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রবাসী সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে তিনি সবসময় সহযোগিতা করেছেন এবং বাংলাদেশ ও প্রবাসী গণমাধ্যমের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার পারদ আরও উসকে দিয়ে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডকে ওই অঞ্চলে মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্র অনুযায়ী, ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে অবস্থানরত এই দানবীয় রণতরীটি এখন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাত্রা শুরু করছে।

ইজিপ্টে ইকামাহীনদের বিরুদ্ধে অভিযান, অনিশ্চয়তার মুখে আজহারি ছাত্রসমাজ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইদানীং মিসরে ইকামা (আবাসিক অনুমতি) বিহীন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এই অভিযানে আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী রয়েছেন, যাদের বড় একটি অংশ আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে আল-আজহার কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, যেখানে ইকামা বিহীন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার স্বার্থে বাইরে না যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে বহু বাংলাদেশি নাগরিককে মিসরীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করে হেফাজতে নিয়েছে। বিষয়টি আপাতদৃষ্টিতে অভিবাসন আইন প্রয়োগের স্বাভাবিক পদক্ষেপ মনে হলেও, এর পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের জটিল ও উদ্বেগজনক এক বাস্তবতা, যা ধীরে ধীরে প্রশাসনকে কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য করেছে।

মিসরকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করে ইউরোপে অবৈধভাবে মানুষ পাচারের একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। এই চক্র বাংলাদেশ থেকে মানুষ এনে ইউরোপে পাঠানোর প্রলোভন দেখায় এবং নৌপথে ইজিপ্ট হয়ে ইউরোপে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এসব মানুষ ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার আগেই মিসরীয় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এর ফলে একটি জাতিগোষ্ঠী হিসেবে বাংলাদেশিরা প্রশাসনিক সন্দেহের আওতায় চলে যাচ্ছে।

আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কিছু ব্যক্তি নিজেদের ছাত্র পরিচয় ব্যবহার করছে। এমনকি কিছু বাংলাদেশি অবৈধ ব্যবসায়ী ছাত্রদের নাম ব্যবহার করে বা ভুয়া ছাত্র পরিচয়ে এই নোংরা ব্যবসার অংশ হয়ে উঠছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া আইডি ও গ্রুপ খুলে আকর্ষণীয় পোস্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। দিন দিন এই ধরনের তৎপরতা বেড়েই চলেছে, যা মিসরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্যও হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে মিসরীয় প্রশাসন বিষয়টিকে শুধু অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছে না; বরং জাতীয় নিরাপত্তা, মানবপাচার রোধ এবং জীবন রক্ষার প্রশ্ন হিসেবেই দেখছে। সে কারণেই ইকামাহীনদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এই অভিযানের প্রভাব নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের জীবনেও এসে পড়ছে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসী ছাত্রদের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। ইকামা ও কাগজপত্র দ্রুত হালনাগাদ করা, সন্দেহজনক ব্যক্তি ও অনলাইন প্রলোভন থেকে দূরে থাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলাই এখন একমাত্র নিরাপদ পথ।

ইজিপ্টে আগত শিক্ষার্থীরা জ্ঞানার্জনের উদ্দেশ্যেই এখানে অবস্থান করছেন—তারা কোনো অপরাধী নন। কিন্তু কিছু অসাধু ও লোভী চক্রের কারণে পুরো একটি সম্প্রদায় আজ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে, যখন অপরাধ নীরবে বাড়ে, তখন তার মূল্য অনেক সময় নিরপরাধকেও দিতে হয়।

এই সংকট কেবল প্রশাসনিক নয়; এটি সচেতনতা, নৈতিকতা এবং দায়িত্ববোধেরও এক কঠিন পরীক্ষা।

আলোচিত খবর

ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের জন্য ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকার ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে ১৫ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কমিটি বিষয়ক অধিশাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। কমিটিতে আরও ১৪ জন সদস্য রয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সচিবালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং সচিব।

কমিটির সদস্যরা হলেন- মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী; উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী; উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন; উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ; মন্ত্রিপরিষদ সচিব; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব; অর্থ বিভাগের সচিব; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব; স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব; পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।এ ক্ষেত্রে কমিটিতে ‘সচিব’ বলতে সিনিয়র সচিবও অন্তর্ভুক্ত হবেন উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের লক্ষে কমিটি আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন দেবে।

এছাড়াও কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, নবগঠিত এই কমিটি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত ডিজাইন প্রণয়ন এবং সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন; প্রাথমিক পর্যায় দেশের ৮টি বিভাগের প্রতিটিতে ১টি করে উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রবর্তনের ব্যবস্থা গ্রহণ; নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসাবে ব্যবহার করা যায় কিনা তা পর্যালোচনা; সুবিধাভোগীদের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও National Household Database আন্তঃসংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল MIS প্রণয়নের সুপারিশ করবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ