আজঃ রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত- ১৬।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে ঘটনার জন্য একে অপরকে দুষছেন দুই দলের নেতারা।শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।বিএনপির দাবি, সংঘর্ষে উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষকদলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা মো. ইমনসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে জামায়অত নেতা আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৮ থেকে ১০ জন আহত হয়েছেন।দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এস এম ফারুক হোসেন অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন হিন্দুপাড়ার ভোটারদের নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। তিনি বলেন, স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারির নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা করা হয়।

অন্যদিকে কর্ণফুলী জামায়াতে ইসলামীর আমীর মনির আবছার চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন,শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় বিএনপি ও মাদক ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালানো হয়। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য ফাজিল খাঁর হাট বাজারে গেলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয় এবং কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করা হয়।

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাহীনুর আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ করেনি। ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফলমন্ডিতে অভিযানে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে নগরের ফলমন্ডিতে ২টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে নগরের স্টেশন রোডের ফলমন্ডিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে মূল্য তালিকা হালনাগাদ প্রদর্শন না করা এবং ক্রয়-বিক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করার অপরাধে কৃষি বিপণন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী ২টি প্রতিষ্ঠানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান দুটির মালিকদের কাছ থেকে ভবিষ্যতে নিয়ম মেনে ব্যবসা করার অঙ্গীকারনামা গ্রহণ করা হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামজীদুর রহমান জানান, রমজান উপলক্ষ্যে আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালত চলমান রয়েছে। আজকে ফলমন্ডিতে দুই প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। রমজান মাসব্যাপী নিত্য পণ্যের বাজার মনিটরিং নিশ্চিত করতে এই ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।এসময় জেলা প্রশাসনের আরেক নির্বার্হী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন উপুস্থিত ছিলেন।

মাতৃভাষা দিবসে বোধনের আবৃত্তি অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে আবৃত্তি সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ চট্টগ্রাম।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিনের প্রথম প্রহরে প্রভাতফেরীর মাধ্যমে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে সংগঠনটি।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল ৯.৩০ মিনিট থেকে ১০:৩০ মিনিট পর্যন্ত নগরীর আমতল রাইফেল ক্লাব সংলগ্ন শাহ আমানত মার্কেট চত্বরে ‘একুশ মানে মাথা নত না করা’ শিরোনামে আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বোধন।

বোধনের সভাপতি এড. নারায়ণ প্রসাদ বিশ্বাস-এর সভাপতিত্বে এবং অনুষ্ঠান সম্পাদক মোহিনী সংগীতা সিংহের সঞ্চালনায় কবিতা আবৃত্তি ও কবিতা পাঠে অংশ নেয় বোধন সদস্য অনিমেষ পালিত, স্মরণ ধর, হোসনে আরা নাজু, অর্চি দত্ত, প্রিয়ন্তী চৌধুরীসহ প্রমুখ।আমন্ত্রিত শিল্পী হিসেবে আবৃত্তি করেন উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জের তাফসিরুল ইসলাম, মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের সোমা মুৎসুদ্দী, তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের স্বপ্নীল বড়ুয়া ডানা, প্রমিতি সাংস্কৃতিক একাডেমির ইকবাল হোসেন জুয়েল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চের তাসলিম হাসান।

এছাড়াও মহান ভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম-এ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে বোধনের শিশু বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বৃন্দ আবৃত্তি ‘শিশুর ভাবনায় পৃথিবী’ পরিবেশিত হয়। যার গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় ছিলেন সন্দীপন সেন একা এবং মহড়া পরিচালনায় ছিলেন আরজু সেন শ্লোক।

আলোচিত খবর

একুশের রক্তাক্ত পথ ধরে অর্জন হয়েছে স্বাধীনতা: তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন- একুশের রক্তাক্ত পথ ধরে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা। মহান শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তারেক রহমান।

একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শহিদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে রচিত হয় শত বছরের শাসন ও শোষণে জর্জরিত তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান।

তিনি বলেন-মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এআন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে করেছে আরো মজবুত ও সুদৃঢ়। একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন- মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এ চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ