আজঃ সোমবার ২৫ মে, ২০২৬

ভাষার শক্তি নির্ভর করে জ্ঞানের সমৃদ্ধির ওপর: বিভাগীয় কমিশনার।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন বলছেন, ভাষা আন্দোলনের প্রেরণাই পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে শক্তি জুগিয়েছিল। ১৯৫২ সালের চেতনাই জাতিকে অন্যায় ও অনাচারের বিরুদ্ধে বারবার রাস্তায় নামতে সাহস জুগিয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও একুশের কবিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ১৯৪৭ সালের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করে।যদিও উর্দু ভাষার নিজস্ব সাহিত্য ও সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে,

তবুও অন্যের ভাষা জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি প্রমাণ করে যে, তারা ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং নিজেদের অধিকার আদায় করতে সক্ষম।তিনি আরও বলেন, একটি ভাষার শক্তি নির্ভর করে জ্ঞানের সমৃদ্ধির ওপর। ইতিহাসে দেখা যায়, একসময় জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র ছিল গ্রিস, পরে আরব বিশ্ব এবং তারপর ইউরোপ।

তারা বিশ্বের নানা ভাষার জ্ঞান নিজেদের ভাষায় অনুবাদ করে সমৃদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশেরও উচিত বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডার বাংলায় অনুবাদ ও চর্চার মাধ্যমে ভাষাকে আরও শক্তিশালী করা। পৃথিবীর জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলা ভাষা অন্যতম শীর্ষ ভাষা হলেও অর্থনৈতিক শক্তির অভাবে তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রাপ্য মর্যাদা পায়নি। তাই ভাষার মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সভাপতির বক্তৃতায় বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নয়, বরং এটি ছিল জাতীয় আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার বীজ রোপণের ঐতিহাসিক অধ্যায়। বাংলা ভাষা শুধু আবেগের বিষয় নয়-এটি জাতিসত্তার ভিত্তি। বাংলা ভাষা বিশ্বে অন্যতম বৃহৎ ভাষা হওয়া সত্ত্বেও প্রযুক্তি ও জ্ঞানচর্চায় এর ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ যেন বৃথা না যায়। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন প্রজন্মকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্চয় সরকার বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। এসময় প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক পুরস্কার তুলে দেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদে আসছে সৌরভ ও সোমার “মনে মন ছুঁয়ে গেছে”

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ঈদ-উল-আযাহায় জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী রঞ্জন চৌধুরীর তত্বাবধানে ও সংগীতপরিচালক সৃজন রায় এর পরিচালনায় একটি রোমান্টিক ধাঁচের “মনে মন ছুঁয়ে গেছে” শিরোনামে দ্বৈতগান নিয়ে আসছেন সৌরভ রায় ও সোমা। ইতিমধ্যে গানটি কে. এস. ডিজিটালের সত্বাধিকারী কনক রাজবরের সহযোগিতায় অডিও-ভিডিও সম্পন্ন হয়েছে।

গানটি প্রসঙ্গে শিল্পীযুগল বলেন, গানটি রঞ্জনদাদা অনেক আগে গেয়েছিলেন, আমরা পুনরায় নতুন করে উপস্থাপন করছি। গানটি কথায় সুধীর চন্দ্র দে ও সুরারোপ করেছেন ডেভিড। গানটি ঈদের দিন সংগীত পরিচালক সৃজন রায়ের নিজস্ব ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্রকাশিত হবে।

মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ ‘বীরাঙ্গনা’ টেপরি রানী চলে গেলেন পরপারে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ ‘বীরাঙ্গনা’—যাদের ত্যাগের ধরণকে মূল্যায়ন করে পরবর্তীকালে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে সম্মানিত ও মহিমান্বিত করা হয়েছে। সেই তাদেরই একজন, ঠাকুরগাঁও জেলার বীরাঙ্গনা ও বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা টেপরি রাণী বর্মণ সম্প্রতি ইহলোক ত্যাগ করেছেন। ২০১৬ সালে তিনি রাষ্ট্রীয়ভাবে বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

পাকিস্তানি সেনাদের ক্যাম্পে দীর্ঘ আট মাসের নরকবাস, তারপর আমৃত্যু ‘জারজ সন্তানের মা’ বলে যে সামাজিক ঘৃণা সইতে হয়েছে, সেই যুদ্ধ সাঙ্গ করে বীরাঙ্গনা টেপরি রাণী বর্মণ চলে গেলেন নিরবে। তার ত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্পে নির্যাতিত ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বীরাঙ্গনা টেপরি রাণী বর্মণ।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ