আজঃ রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি আমিরের পুষ্পস্তবক অর্পণ।

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার-এ পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-এর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। ফুল দেওয়ার পর শহীদ বেদীতে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে আমির সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন – এটা রাষ্ট্রীয় আচার হিসেবে সঙ্গীদের নিয়ে আমাকে আসতে হবে, তাই আমি এসেছি।

তিনি বলেন-আমরা ভাষা শহীদদের পাশাপাশি ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন আন্দোলনে শহীদদেরও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। যারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে শহীদ হয়েছেন, তাদেরও স্মরণ করি।জাতির মুক্তি না আসা পর্যন্ত, ফ্যাসিবাদ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত একটি মানবিক দেশ গঠন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মিয়া চৌধুরী- বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী ট্রাস্টের ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসা স্বীকৃতিস্বরুপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মার্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনের রুপ নিয়েছে বলে বক্তব্য রাখেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মিয়া চৌধুরী- বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদের আত্মত্যাগ কথা স্মরণ করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাত ১২.০১ মিনিটে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী মিয়া চৌধুরী- বীরমুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী ট্রাস্টের নেতৃবৃন্দ। পুষ্পস্তবক অর্পণ কালে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল এর আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ চৌধুরী, খুলশী থানা ডেপুটি কমান্ডার এস এম লিয়াকত হোসেন, গেরিলা কমান্ডার ফজল আহমদ, সাংবাদিক বীরমুক্তিযোদ্ধা পংকজ দস্তিদার, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মো: রাশেদুল ইসলাম, শামসুল ইসলাম প্রমূখ।

ভাষার শক্তি নির্ভর করে জ্ঞানের সমৃদ্ধির ওপর: বিভাগীয় কমিশনার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন বলছেন, ভাষা আন্দোলনের প্রেরণাই পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে শক্তি জুগিয়েছিল। ১৯৫২ সালের চেতনাই জাতিকে অন্যায় ও অনাচারের বিরুদ্ধে বারবার রাস্তায় নামতে সাহস জুগিয়েছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও একুশের কবিতা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ১৯৪৭ সালের পর তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তান সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করে।যদিও উর্দু ভাষার নিজস্ব সাহিত্য ও সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে,

তবুও অন্যের ভাষা জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতি প্রমাণ করে যে, তারা ঐক্যবদ্ধ হতে পারে এবং নিজেদের অধিকার আদায় করতে সক্ষম।তিনি আরও বলেন, একটি ভাষার শক্তি নির্ভর করে জ্ঞানের সমৃদ্ধির ওপর। ইতিহাসে দেখা যায়, একসময় জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র ছিল গ্রিস, পরে আরব বিশ্ব এবং তারপর ইউরোপ।

তারা বিশ্বের নানা ভাষার জ্ঞান নিজেদের ভাষায় অনুবাদ করে সমৃদ্ধ হয়েছে। বাংলাদেশেরও উচিত বিশ্বের জ্ঞানভাণ্ডার বাংলায় অনুবাদ ও চর্চার মাধ্যমে ভাষাকে আরও শক্তিশালী করা। পৃথিবীর জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলা ভাষা অন্যতম শীর্ষ ভাষা হলেও অর্থনৈতিক শক্তির অভাবে তা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে প্রাপ্য মর্যাদা পায়নি। তাই ভাষার মর্যাদা রক্ষার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা সভাপতির বক্তৃতায় বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম নয়, বরং এটি ছিল জাতীয় আত্মমর্যাদা ও স্বাধীনতার বীজ রোপণের ঐতিহাসিক অধ্যায়। বাংলা ভাষা শুধু আবেগের বিষয় নয়-এটি জাতিসত্তার ভিত্তি। বাংলা ভাষা বিশ্বে অন্যতম বৃহৎ ভাষা হওয়া সত্ত্বেও প্রযুক্তি ও জ্ঞানচর্চায় এর ব্যবহার বাড়ানো এখন সময়ের দাবি।

তিনি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ যেন বৃথা না যায়। প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নতুন প্রজন্মকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি সঞ্চয় সরকার বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন। উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক শিক্ষার্থীরা। এসময় প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসক পুরস্কার তুলে দেন।

আলোচিত খবর

একুশের রক্তাক্ত পথ ধরে অর্জন হয়েছে স্বাধীনতা: তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন- একুশের রক্তাক্ত পথ ধরে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা। মহান শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারি দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তারেক রহমান।

একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শহিদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে রচিত হয় শত বছরের শাসন ও শোষণে জর্জরিত তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান।

তিনি বলেন-মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এআন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করেনি, বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে করেছে আরো মজবুত ও সুদৃঢ়। একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা অর্জন করেছি বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন- মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সকল ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এ চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ