এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহেশখালীতে অবস্থিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলমান থাকায় বুধবার দুপুরের পর থেকে গ্যাস সরবরাহ আংশিকভাবে কমে গেছে। যার ফলে বাসা বাড়িগুলোতে চুলা জ্বালাতে হিমশিম খাচ্ছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীর কয়েকটি স্থান থেকে গ্যাসের কারণে চুলা নিভু নিভু করে জ্বলছে বলে গ্রাহকরা জানিয়েছেন। এদিকে মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে দেশের কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে কমেছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। তবে রমজানে রান্নাঘরের চুলার পাশাপাশি কারখানার জ্বালানী ব্যবহার আনুপাতিকভাবে কম থাকায়, তেমন কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ব্যবহারকারী। তবে কয়েকজন গৃহিনী বলেছেন, চুলা (গ্যাস) ঠিকভাবে জ্বলছে না। গ্যাসের চাপ কম। তাই রান্নায় সমস্যা হচ্ছে। জানা গেছে, বুধবার সকাল ১১টা থেকে মহেশখালীতে অবস্থিত এফএসআরইউ থেকে এক্সিলারেট এনার্জির মাধ্যমে সরবরাহিত এলএনজি হ্রাস পাবে, এমনটা জানিয়ে বার্তা পাঠায় পেট্রোবাংলা।
বার্তাটিতে বলা হয়, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের কারণে দেশের কিছু এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে। বর্তমানে টার্মিনালে কারিগরি কাজ চলছে। তাই জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ স্বাভাবিকের চেয়ে কমেছে। নাগরিকদের স্বাভাবিক গ্যাস ব্যবহার প্রভাবিত হতে পারে এমন শঙ্কা থেকে জনসাধারণের কাছে এই সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) প্রকৌশল বিভাগের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী সৈয়দ আবু নসর মো. সালেহ বলেন, মেরামতের কারণে চাপ কম থাকার বিষয়টি আমাদেরও জানানো হয়েছে। তবে আমরা সিউএফএল ও কাফকোতে গ্যাসের মাত্রা কমিয়ে আবাসিক ও শিল্পখাতে সরবরাহ ঠিক রাখার চেষ্টা করছি। এরপরও শেষ প্রান্তের গ্রাহকদের গ্যাস পেতে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।
গ্যাস সরবরাহ নিয়ে কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে বিজিএমইএ-এর প্রথম সহ-সভাপতি সেলিম রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত গ্যাস নিয়ে কারখানা থেকে কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি। তবে জ্বালানী সংকট নিয়ে আমাদের বরাবরই সমস্যা থাকে। আমরা চাই, জ্বালানী সংকট নিরসনে সরকার আন্তরিক ভূমিকা রাখবে।








