আজঃ শনিবার ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

আগামী ৩ মার্চ ২০২৬ নদীবাংলার কবি রিপন শান এর ৫১ তম জন্মবার্ষিকী ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একান্ন পূর্ণ হচ্ছে নদীবাংলার কবি রিপন শান এর । নদীর বুকে জীবন জ্বলে, ফিনিক্স পাখির উড়াল, রত্নখচিত কুয়াশা, আট বেহেশতের সুবাস, শতজনমের শিলালিপি, শিল্পের আলাপ, অপার বিস্ময়, ফুল ও পাথরের সংলাপ , ভোলা জেলার কবি ও কবিতা- প্রভৃতি গ্রন্থের অনবদ্য রচয়িতা কবি ও কণ্ঠশিল্পী রিপন শান যাপিত জীবনের অর্ধশতক হাকিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন সৃজনপিয়াসী নতুন দিগন্তে ।


জীবন ও সাহিত্যকর্ম মূল্যায়ন এবং ইফতার মাহফিল এর মধ্যে দিয়ে কবির জন্মজেলা দ্বীপজেলা ভোলার লালমোহনে বহুমাত্রিক প্রতিভাবান এই বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা জানাবে- তাঁর হাতে গড়া ১৪ বছর বয়সী গণমাধ্যম সংগঠন ⭕ লালমোহন মিডিয়া ক্লাব । আগামী মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় লালমোহন ফুডপ্লেস চাইনিজ রেস্টুরেন্টে এক ধর্মীয় ভাবগম্ভীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে কবির জন্মবার্ষিকীর এই প্রীতি সমাবেশ ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ জাফর ইকবাল। গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- লালমোহন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম বাবুল । প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন – লালমোহন প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল আজিজ শাহীন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ছাদেক মিয়া ঝান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারী, লালমোহন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সহিদ মিয়া , ডেপুটি কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইউনুছ মিয়া প্রমুখ । অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন- লালমোহন মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি প্রভাষক মোসলেউদ্দিন মুরাদ । সঞ্চালনা করবেন- সাংবাদিক মিজান হাওলাদার । ইসলামী সংগীত কথা কবিতা গানের আন্তরিক আয়োজনে নানা শ্রেণী পেশার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান নদীবাংলার কবিকে শুভেচ্ছা নিবেদন করবে ।

বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কবি রিপন শান পেশায় কলেজ শিক্ষক ও সাংবাদিক ।
ভোলার লালমোহনের বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক # বাংলা । স্বতন্ত্রধারার সংবাদপত্র
দৈনিক অমৃতালোক এর ফিচার এডিটর হিসেবে আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন ।
১৯৯৮ সালে বরেণ্য অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী সম্পাদিত পাক্ষিক নটনন্দন দিয়ে সাংবাদিকতা জীবন শুরু করা বহুমাত্রিক লেখক সংগঠক রিপন শান বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলেন- সাপ্তাহিক বর্তমান সংলাপ, সাপ্তাহিক খবরের কাগজ (আজকের কাগজ), সাপ্তাহিক শীর্ষকাগজ, সাপ্তাহিক দ্বীপকথা,দৈনিক খবরপত্র, বাংলারিপোর্ট২৪, বজ্রকণ্ঠ, দৈনিক দেশজনপদ, দৈনিক বাংলাদেশ বাণী, ইউরোসমাচার, ইউরোবাংলাটাইমস,

বিডিনিউজ২৪ইউরোপ, দৈনিক ভোরের আকাশসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন গণমাধ্যমে। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা থেকে প্রকাশিত বাংলা গণমাধ্যম ইউরোবাংলাটাইমসে ম্যানেজিং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন টানা তিন বছর । অস্ট্রিয়া বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের বাংলাদেশ কো- অর্ডিনেটর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন টানা পাঁচ বছর।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অবিস্মরণীয় “কবিকণ্ঠে আবৃত্তি সন্ধ্যা ২০০৭” অনুষ্ঠানের গ্রন্থিক ও উপস্থাপক, লালমোহন উপজেলা শিল্পকলা একাডমির নির্বাচিত সাবেক সাধারণ সম্পাদক কবি রিপন শান, টানা তিন টার্ম লালমোহন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

তাঁর সনদীয় নাম মোঃ শাহাবুদ্দিন রিপন । লেখালেখি, সমাজকর্ম ও সাংস্কৃতিক পরিমন্ডলে রিপন শান নামেই সমধিক পরিচিত। মূলত কবি হিসেবে সমাদৃত হলেও তুখোড় বক্তা, আবৃত্তিশিল্পী, উপস্থাপক, মঞ্চ নাট্যকার, নির্দেশক, লিটলম্যাগ সম্পাদক, সাংবাদিক, কলেজ শিক্ষক, সমাজকর্মীএবং কণ্ঠশিল্পী হিসেবেও বহুমাত্রিক পরিচয় রয়েছে তাঁর। ১৯৭৫ সালের ৩ মার্চ দ্বীপজেলা ভোলার লালমোহন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের চতলা গ্রামে এক বনেদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ।

পিতা একাত্তরের রণাঙ্গনের বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ মরহুম সালাউদ্দিন আহমাদ। মাতা লালমোহনের প্রথম এন্ট্রান্স শিক্ষিতা মরহুমা বেগম রওশান আরা পঞ্চায়েত। পিতামহ মরহুম মাওলানা মনসুর আহমাদ গোল্ডমেডেলিস্ট ছিলেন ভোলা সরকারি কলেজের খ্যাতিমান অধ্যাপক। মাতামহ মরহুম দানবীর মজিবুর রহমান পঞ্চায়েত ছিলেন লালমোহন ইউপির জননন্দিত চেয়ারম্যান । জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অভিমানী সাবেক ছাত্র রিপন শান ঢাকা কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। জীবনের শিক্ষাধারায় তিনি- চতলা বোর্ড মডেল গভর্নমেন্ট প্রাইমারি স্কুল, লালমোহন মডেল হাইস্কুল, সরকারি তিতুমীর কলেজ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ এর মেধাবী ছাত্র ছিলেন । চিত্রনায়ক বুলবুল আহমেদের তত্ত্বাবধায়নে ঢাকার স্বপ্নীল একাডেমি থেকে তিনমাসমেয়াদী নাট্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন । স্বরকল্পন আবৃত্তিচক্র থেকে শুদ্ধ উচ্চারণ, বাচনিক উৎকর্ষ ও আবৃত্তির মাসব্যাপী কর্মশালায় ঋষভ (প্রথম শ্রেণী) অর্জন করেন ।

রিপন শান ব্র্যাক সিইপি প্রযোজিত গণনাটক নতুন সকাল এর কেন্দ্রীয় মাস্টার চরিত্রে ৫৬ টি শোতে অনবদ্য অভিনয় করে সাউন্ডবাংলা কর্তৃক জাতীয় পর্যায়ে সংবর্ধিত হয়েছেন । আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচিত, বাংলার মুখ প্রযোজিত ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ নাটকের বোস্টার চরিত্রের সফল অভিনেতা । সাংস্কৃতিক কর্মধারায় বিভিন্ন সময়ে যুক্ত ছিলেন- ক্রান্তি, উদীচি, স্বপ্নকুঁড়ি, কপোতাক্ষ সাহিত্য পরিষদ, বাঙালি সংস্কৃতি মঞ্চ, বাঙালি সাংস্কৃতিক বন্ধন, ন্যাচার কনজারভেশন কমিটি, বাংলাদেশ বার্ড ওয়াচার সোসাইটি, বাংলাদেশ রাইটার্স গিল্ড.. এর সাথে । তিনি ভোলার লালমোহনের সাড়াজাগানো সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘তোলপাড় কৃষ্টি সংসার’ এর প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি । লালমোহন ফাউন্ডেশন ঢাকার উদ্যোক্তা ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

বহুমুখী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাংবাদিক রিপন শান বদরপুর মহাবিদ্যালয়ে একটানা ১৫ বছর ধরে বাঙলা বিষয়ে অধ্যাপনায় নিয়োজিত আছেন । এছাড়া জনপ্রিয় ম্যাগাজিন মুক্তবলির প্রধান সম্পাদক, মাতৃজগত আইপিএ টিভির পরিচালক , দৈনিক মাতৃজগতের ডেপুটি ম্যানেজিং এডিটর, ভয়েস চট্টগ্রামের উপদেষ্টা সম্পাদক, ভোলার কণ্ঠের বিশেষ প্রতিনিধি ও দ্য রেডটাইমসের সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবেও যুক্ত আছেন।
লেখক রিপন শান এর প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে : কাব্যগ্রন্থ- নদীর বুকে জীবন জ্বলে, রত্নখচিত কুয়াশা; গল্পগ্রণ্হ- ফিনিক্স পাখির উড়াল।

প্রকাশের পথে- শিল্পের আলাপ ( সাক্ষাৎকার সংকলন ), অপার বিস্ময় ( তথ্য সংকলন ), আট বেহেশতের সুবাস, শত জনমের শিলালিপি ( কাব্যগ্রন্থ ), কবিতা-কলাপ ( নির্বাচিত কবিতা ) । শ্যামল মাটির কমলেরা, বাউন্ডুলে, বেকার অমানিশা- নাট্যকার রিপন শান রচিত ও নির্দেশিত মঞ্চসফল তিনটি নাটক। সম্পাদনা করেছেন দুই বাংলার কবিতা সংকলন- জ্বলে ওঠার কবিতা ; লিটল ম্যাগ- রোদসী, বেতুয়া , প্রমিত বাংলার মুখ।
বাংলাদেশ রোদসী কৃষ্টিসংসারের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান রিপন শান- ভোলা দক্ষিণ প্রেসক্লাব, জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ ভোলা, লালমোহন মিডিয়া ক্লাব ও নেক্সাস ৯৩ ফ্রেন্ডস প্লাটফর্মের প্রতিষ্ঠাতা ।

সামাজিক সাংস্কৃতিক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন সময়ে অর্জন করেছেন- জাতীয় ছাত্রধারা পুরস্কার, চরফ্যাসন প্রগতি ইউনিটি এওয়ার্ড, আমরা করবো জয় পুরস্কার, মিরপুর এইচ এইচ মাইক্রো ইনস্টিটিউট সম্মাননা, নবকল্লোল পুরস্কার, এম আর মনজু কালচারাল সোসাইটি সম্মাননা, লালমোহন ফাউন্ডেশন ঢাকা পুরস্কার, সাউন্ডবাঙলা বেস্টবুক এওয়ার্ড, নিউন্যাশন মডেল স্কুল সম্মাননা, দৈনিক মাতৃজগত সম্মাননা , ম্যাজিক লণ্ঠন আড্ডার কবি সম্মাননা, সাউন্ডবাংলা কাব্যবন্ধু সম্মাননা, শব্দকুঠি সভাকবি সম্মাননা ইত্যাদি ।
২০২৩ সালের ১৭ মে এক পারিবারিক দুর্ঘটনায় ১১ বছরবয়সী একমাত্র সন্তান ( পরাণপাখি ) বিবি খাদিজা রওশান রোদসীকে হারিয়ে শোকের অথৈ সাগরে ভাসছেন কবি রিপন শান ।

💚❤️💚❤️💚❤️💚❤️💚

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কবিতা শুধু সাহিত্য নয়, এটি প্রতিবাদের শক্তিশালী মাধ্যম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

লেখক ও কবি জিন্নাহ চৌধুরী বলেছেন, কবিতা শুধু সাহিত্য নয়, এটি প্রতিবাদের শক্তিশালী মাধ্যম। কবিতা সবসময় মানুষের কথা বলে, মুক্তির কথা বলে। অনেক না বলা কথা কবিতার মাধ্যমেই প্রকাশ পায়। কবিতা কখনো মাথা নত করে না। যত অন্যায় ও সুবিধাবাদই আসুক, কবিতা তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর কাজীর দেউরী জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠের বই মেলা মঞ্চে স্বাধীনতার বই মেলার আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে ১৯ দিন ব্যাপি বই মেলার ১৭ তম দিনে কবিতাপাঠ উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত কবি সাহিত্যিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, তাদের লেখনী সমাজকে সচেতন ও মানবিক করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একজন অসৎ বা ভীতু মানুষ কখনো প্রকৃত কবি হতে পারে না। কবিতা সাহস, সততা ও ভালোবাসার প্রতীক।

অনুষ্ঠানের আলোচক কবি ও সাংবাদিক নাজিম উদ্দীন শ্যামল বলেন, স্বাধীনতার পরও দেশের মানুষের কাঙ্ক্ষিত মুক্তি পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। এই না পাওয়ার বেদনা থেকেই সমাজে নানা বৈষম্য, সুবিধাবাদের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আমরা দেশ স্বাধীন করেছি, গণতন্ত্রের স্বপ্ন দেখেছি। কিন্তু আজও সেই প্রকৃত মুক্তির পূর্ণ স্বাদ আমরা পাইনি।

তিনি বলেন, দেশের মানুষ, মাটি ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর নানা সময় অত্যাচার হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোও বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা জাতির জন্য উদ্বেগজনক।অনুষ্ঠানে বেতার ও টেলিভিশনের শিল্পী সীমা পাল, এড. অর্পিতা দাস, সুমিত্রা বিশ্বাস ও এড. শুভাগত চৌধুরী গান পরিবেশন করেন এবং চসিকের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

লেখক ও কবি জিন্নাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচক ছিলেন কবি ও সাংবাদিক নাজিম উদ্দীন শ্যামল, স্বাগত বক্তব্য রাখেন কবি আলী প্রয়াস। কবিতা পাঠ করেন অধ্যাপক কবি রুহু রুহেল, কবি সাথী দাস, কবি রেজাউল করিম, কবি বিদ্যুৎ কুমার দাস, কবি আলমগীর ইমন, রাজিব রাহুল, আকতারী ইসলাম, নাহিদা আকতার নাজু, মিনহাজ মাসুম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিভি ও বেতারের উপস্থাপিকা নাহিদা নাজু।

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র পহেলা বৈশাখে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পহেলা বৈশাখ বছরের প্রথম দিন বাঙ্গালী জাতির জন্যে বিশেষ দিন আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে পালন করে থাকে, সেই সাথে বিভিন্ন পটচিত্র হাতে বাংলার

ঘরে ঘরে রৌদ্রময় দিনগুলো যেভাবে কাটে হাত পাখা, মিষ্টি, দই সহ নানা রকম পণ্য কৃষকের নতুন ধান ঘরে আনার যে কৌতূহল। বিভিন্ন প্রাণীর ছবি সম্বলিত ফেস্টুন হাতে বৈশাখী শোভা যাত্রা বের করে, রাস্তায় আঁকা হয় আলপনা, বৈশাখী রঙিন পোশাক পরে সবাই আনন্দ উৎসবে সকাল থেকে রাত পযর্ন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, খেলাধুলা সহ পান্তা ইলিশ খাওয়া, ঘুরাঘুরি উৎসবে মেতে উঠে ছেলে বুড়ো সব বয়সের মানুষ।

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ কর্তৃক আয়োজিত পহেলা বৈশাখে চট্টগ্রাম নগরীর বৈঠক খানা কমিউনিটি হল চেরাগী পাহাড় ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ এর আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, এতে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কণ্ঠ শিল্পী, সুরকার,বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন এর সঙ্গীত পরিচালক সুব্রত দাশ অনুজ, সম্মানিত অতিথি ছিলেন সোনালী ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তা অঞ্জনা পারিয়াল, রিজেন্সী ও ক্যানপার্ক মানব সম্পদ বিভাগের উপমহা ব্যবস্হাপক লিটন কান্তি সরকার ও বিশিষ্ট কলামিস্ট সনেট দেব।পহেলা বৈশাখের তাৎপর্য তোলে ধরে অনুভূতি প্রকাশ করেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. অনুপ দে, শিক্ষক লেলিন বিশ্বাস, এর পর অনুভূতি প্রকাশ করেন সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র সভাপতি সাংবাদিক

অরুণ নাথ, পরিষদের অন্যতম উপদেষ্টা লোপা দাশ, সুর্বণা দাশ, অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন পরিষদের সম্পাদক মো: লোকমান হোসেন।একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন স্মৃতি দে, অনিন্দিতা ভট্টাচার্য, হিমু আইচ,অদিতি বিশ্বাস, উর্বশী চক্রবর্তী, কবিতা আবৃত্তি ও গান করেন লিটন কান্তি সরকার,এর পর একক গান করেন সারদা স্বয়ং প্রভা ঘোষ,অভ্রনীল দে,আর্য্যদীপ সরকার,শুভ্রনীল দাশ,দ্বৈত সঙ্গীত পরিবেশন করেন দীপা দে – নীপা দে ও অবন্তী সরকার – পিহুনা সরকার। এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সৌমিল শ্রীহান দত্ত, মো: লোকমান হোসেন, অরুণ নাথ, সনেট দেব,সুপ্রিয়া চৌধুরী, নরেন বিশ্বাস, রোদ্দুর দে, প্রসেনজিৎ ঘোষ,ঈশ্বান চক্রবর্তী,সূর্বণা দাশ,,উর্বশী চক্রবর্তী,দীপা সিংহ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের মধ্যমনি ছিলেন বিদ্যার্থী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজ, তাঁর পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মনজয় করে নিয়েছে। বিকাল ৩.৩০ টা থেকে রাত ৮ টা অবধি সুরের মায়াজালে ভরপুর। হলরুমটি ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। শ্রোতাদের অনুরোধে শিল্পী সুব্রত দাশ অনুজের গানের মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ