আজঃ শুক্রবার ৩ জুলাই, ২০২৬

চসিক মেয়রের ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত নিজহাতে সরালেন নিজের ছবিসহ ব্যানার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অবৈধ বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)। বুধবার দুপুরে নগরের চকবাজার অলিখাঁ মসজিদ মোড় থেকে শুরু হওয়া এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

মেয়র নিজের ছবি সম্বলিত একাধিক ব্যানার নিজহাতে সরিয়ে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তাঁর এ পদক্ষেপ উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে এবং নগর ব্যবস্থাপনায় সমতা ও আইনের প্রয়োগের বার্তা দেয়। অভিযান চলাকালে সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনায় টাঙানো অবৈধ বিলবোর্ড, ব্যানার ও পোস্টার সরানো হয়।
মেয়র বলেন, নগরের সৌন্দর্য ও শৃঙ্খলা রক্ষায় অবৈধ কোনো বিলবোর্ড বা ব্যানার সহ্য করা হবে না। আইন সবার জন্য সমান-আমার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। নগরকে পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন রাখতে এ ধরনের অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলবে।

অভিযানের সময় ফুটপাত দখল করে ব্যবসায়িক পণ্য রাখার অভিযোগে দোকান মালিকদের সতর্ক করা হয়। মেয়র নিজে হেঁটে বিভিন্ন দোকানের সামনে গিয়ে ফুটপাত থেকে পণ্য সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। মেয়র বলেন, ফুটপাত পথচারীদের জন্য এটি দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম অব্যাহত থাকলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম বন্দরে ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবনের যাত্রা শুরু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, নিরাপদ ও গতিশীল করতে ৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) ভবনের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভবনটি বুধবার উদ্বোধন করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। বেলা পৌনে ১২টায় বেলুন উড়িয়ে, ফলক উন্মোচন করে ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবন উদ্বোধন করেন তিনি।

এ সময় বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, নতুন ভবনটি নির্মাণে প্রায় ৮০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। ভবনের দাম এক বছরে উঠে আসবে। বিশেষ করে ভবনটি থেকে ভাড়া ও বিভিন্ন সেবা বাবদ আয় দিয়ে এক বছরের মধ্যেই নির্মাণ ব্যয় উঠে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। ভবনটি থেকে প্রতি মাসে প্রায় ৫ কোটি টাকা আয় হবে।
তিনি বলেন, ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার ভেতরে ছিল। তখন হাজার হাজার মানুষ বন্দরের ভেতরে ঢোকা-বের হওয়ায় সমস্যা হতো। ভবনের নিরাপত্তার বিষয়টি আইএসপিএম কোড মেনে করা হয়েছে। এ ভবন পোর্ট কমপ্লায়েন্সে যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

এ সময় বন্দরের সদস্য, পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার বন্দরের ভেতরে ছিল। তখন প্রতিদিন ৫ হাজার মানুষকে ভেতরে ঢুকতে হতো। ২০২২ সালে ভবনের কাজ শুরু হয়। নিচতলায় রিসিপশন। প্রথম তলায় টোকেন দেওয়া হবে। সব ফ্লোরে ব্যাংকের বুথ আছে। তিনটি ফ্লোরে সার্ভিস দেওয়া হবে। পঞ্চম ও ষষ্ঠ তলা ভাড়া দেওয়া হয়েছে। বাকি ৩টি ফ্লোর বন্দরের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। নতুন ওয়ান স্টপ সার্ভিস ভবন চালুর মাধ্যমে বন্দরের বিভিন্ন সেবা এক ছাদের নিচে আরও দ্রুত, সহজ ও কার্যকরভাবে দেওয়া সম্ভব হবে বলে আশা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

সরকারী দপ্তরে চসিক’র পৌরকর পাওনা ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সরকারের ২৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এই আর্থিক সংকটের কারণে সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকসেবা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি মেয়রের। তবে পৌরকর আটকে থাকা দপ্তরগুলোর কর্মকর্তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়গুলো থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এর অধীন সরকারি দপ্তরগুলো চসিকের এই বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধ করতে পারছে না।

এদিকে পৌরকর আদায়ে ২৫ মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। আটকে থাকা ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আদায়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর তার এই আধাসরকারি (ডিও) চিঠি।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মেয়র বলেছেন, চসিকের আয়ের মূল উৎস পৌরকর। এই টাকা থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, আবর্জনা অপসারণ, সড়ক আলোকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো বহুমুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সিংহভাগ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া ২ কোটি ২৬ লাখ বকেয়া পরিশোধের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ মঞ্জুরির অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইভাবে বাকি ২৪টি মন্ত্রণালয়েও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

চসিকের রাজস্ব বিভাগের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনার সিংহ ভাগই আটকে আছে মাত্র তিনটি বড় মন্ত্রণালয়ের কাছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে বড় দেনাদার হলো রেলপথ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের কাছে মোট পাওনা ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বললেন, দুটিই সরকারি প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলে গৃহকর পরিশোধ করা হবে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হোল্ডিং ট্যাক্স আটকে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে। পাওনা প্রায় ৩০ কোটি টাকা। বকেয়া আদায়ের চিঠি সম্পর্কে জানতে কথা হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে। তিনি বললেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে বকেয়া আদায়ের জন্য এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছি। সরকারের জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই আমরা এই চিঠিগুলো পাঠিয়েছি, যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো তাদের বার্ষিক বাজেটে চসিকের এই পৌরকর পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে পারে। যেভাবে আমরা চট্টগ্রাম বন্দরের পেছনে লেগে থেকে ন্যায্য পাওনা আদায় করেছি, একইভাবে এই ২৫টি মন্ত্রণালয়ের বকেয়া ১৭৭ কোটি টাকা আদায়েও আমি শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে যাব।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) পৌরকর (হোল্ডিং ট্যাক্স) ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। এই আর্থিক সংকটের কারণে সিটি কর্পোরেশনের নাগরিকসেবা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি মেয়রের। তবে পৌরকর আটকে থাকা দপ্তরগুলোর কর্মকর্তাদের দাবি, মন্ত্রণালয়গুলো থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না থাকায় এর অধীন সরকারি দপ্তরগুলো চসিকের এই বিশাল অঙ্কের কর পরিশোধ করতে পারছে না।
এদিকে পৌরকর আদায়ে ২৫ মন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। আটকে থাকা ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা আদায়ে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর তার এই আধাসরকারি (ডিও) চিঠি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে মেয়র বলেছেন, চসিকের আয়ের মূল উৎস পৌরকর। এই টাকা থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, আবর্জনা অপসারণ, সড়ক আলোকায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের মতো বহুমুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সিংহভাগ ব্যয় নির্বাহ করা হয়। চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের কাছে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বকেয়া ২ কোটি ২৬ লাখ বকেয়া পরিশোধের জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ মঞ্জুরির অনুরোধ জানানো হয়েছে। একইভাবে বাকি ২৪টি মন্ত্রণালয়েও চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

চসিকের রাজস্ব বিভাগের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, মোট ১৯৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকা পাওনার সিংহ ভাগই আটকে আছে মাত্র তিনটি বড় মন্ত্রণালয়ের কাছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে বড় দেনাদার হলো রেলপথ মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের কাছে মোট পাওনা ১১৩ কোটি ২৭ লাখ টাকা। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মো. সুবক্তগীন বললেন, দুটিই সরকারি প্রতিষ্ঠান। মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পেলে গৃহকর পরিশোধ করা হবে।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হোল্ডিং ট্যাক্স আটকে আছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের কাছে। পাওনা প্রায় ৩০ কোটি টাকা। বকেয়া আদায়ের চিঠি সম্পর্কে জানতে কথা হয় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে। তিনি বললেন, প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে বকেয়া আদায়ের জন্য এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছি। সরকারের জাতীয় বাজেট ঘোষণার আগেই আমরা এই চিঠিগুলো পাঠিয়েছি, যাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো তাদের বার্ষিক বাজেটে চসিকের এই পৌরকর পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখতে পারে। যেভাবে আমরা চট্টগ্রাম বন্দরের পেছনে লেগে থেকে ন্যায্য পাওনা আদায় করেছি, একইভাবে এই ২৫টি মন্ত্রণালয়ের বকেয়া ১৭৭ কোটি টাকা আদায়েও আমি শতভাগ চেষ্টা চালিয়ে যাব।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ