এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরীর নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে বিল্ডিং ভেঙ্গে দিল সিডিএ । জানা যায় রাষ্টীয় মর্যাদায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অনুকূলে বরাদ্দ প্রাপ্ত পরিত্যক্ত বাড়ী নং ১৮/বি-১, ( বর্তমান ৬) রোড নং ৪, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, চট্টগ্রাম। বাড়ির নাম “সাফ জাফর ভিলা”। বাড়িটি সিডিএ ও ৩৪ বিগ্রেড কর্তৃক মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে ভাংচুর করছে।


সাফ জাফর ভিলা বিল্ডিংটি ” সাফ হোল্ডিং লিঃ ডেভেলপার কর্তৃক ২০২২ সালে নির্মিত করা হয়েছে। এই বিল্ডিং এর পিছনে একটি খাল রয়েছে এই খালটি বিএস সিটে পশ্চিম পাশে ৫২ ফুট প্রস্ত ও পূর্ব পাশে ৪৯ ফুট প্রস্ত। কিন্তু সিডিএ ও সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর ৩৪ বিগ্রেড খালের পশ্চিম পাশে ৫৮ ফুট ও পূর্ব পাশে ৫৪ ফুট দাবী করে সম্পুর্ণ বিনা নোটিশে মহামান্য হাইকোর্টের রায় অমান্য করে ৪৪ পরিবারের বসবাসরত ১২ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিংটি ভাংচুর করছে যা সম্পুর্ন অমানবিক, অন্যায় ও মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের প্রতি অশ্রদ্ধা।বরাদ্দ প্রাপ্ত শহীদ পরিবারের নাম ক. বেগম সামশুন্নাহার স্বামী-বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হাবিলদার রহিম বক্স (বি ডি আর), গ্রাম-এওচিয়া,উপজেলা-সাতকানিয়া,জেলা-চট্রগ্রাম।
খ. বেগম আলমাছ খাতুন, শহীদ মাতা, পুত্র- শহীদ এ,টি,এম,জাফর আলম,সি এস পি,গ্রাম-রত্ন পালং, উপজেলা-ওখিয়া, জেলা-কক্সবাজার । চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কনসালটেন্ট (এ সি এল)-এর মেজর (অব.) সরদার জিয়াউর রহমান, উনার বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ২ কোটি টাকা উৎকোচ দাবী করেছিলেন এবং একই প্রজেক্টের চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সি ডি এ)-এর পি ডি ইঞ্জিনিয়ার আহমদ মঈনুদ্দিন এই কর্মকান্ডের সাথে জড়িত।বলাবাহুল্য যে, তারা দুই জনেই বিগত আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের নিয়োগ প্রাপ্ত এবং সুবিধাভোগী।


শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবি এই দুই জন চক্রান্ত করে তাদের দাবি করা টাকা না পাওয়ার তথ্য গোপন করে সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে এই কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবি সেনাপ্রধানের কাছে মহামান্য আদালতের রায়কে অনুসরণ করে যেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর ৩৪ বিগ্রেড উক্ত বিল্ডিং এর ভাংচুর বন্ধ করে দেয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের সার্টিফাইড কপি পেতে কিছু দিন সময় লাগবে যেহেতু কোর্ট এই মুহূর্তে বন্ধ।

এই সুযোগে ইনটেনশনালি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বরাদ্দ পাওয়া এই প্লটে নির্মিত বিল্ডিং টা ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙে ফেলছে। হাইকোর্টের আদেশ মেনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাফ জাফর ভিলার মালিকগণ।



সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের জন্য দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। ৫ এপ্রিল থেকে নতুন এই সময়সূচি কার্যকর হবে। এতে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে মোট ৭ ঘণ্টা নির্ধারণ করা হয়েছে।






