আজঃ মঙ্গলবার ২৬ মে, ২০২৬

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে বিল্ডিং ভেঙ্গে দিল সিডিএ।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নগরীর নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে বিল্ডিং ভেঙ্গে দিল সিডিএ । জানা যায় রাষ্টীয় মর্যাদায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অনুকূলে বরাদ্দ প্রাপ্ত পরিত্যক্ত বাড়ী নং ১৮/বি-১, ( বর্তমান ৬) রোড নং ৪, নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটি, চট্টগ্রাম। বাড়ির নাম “সাফ জাফর ভিলা”। বাড়িটি সিডিএ ও ৩৪ বিগ্রেড কর্তৃক মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ অমান্য করে ভাংচুর করছে।


সাফ জাফর ভিলা বিল্ডিংটি ” সাফ হোল্ডিং লিঃ ডেভেলপার কর্তৃক ২০২২ সালে নির্মিত করা হয়েছে। এই বিল্ডিং এর পিছনে একটি খাল রয়েছে এই খালটি বিএস সিটে পশ্চিম পাশে ৫২ ফুট প্রস্ত ও পূর্ব পাশে ৪৯ ফুট প্রস্ত। কিন্তু সিডিএ ও সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর ৩৪ বিগ্রেড খালের পশ্চিম পাশে ৫৮ ফুট ও পূর্ব পাশে ৫৪ ফুট দাবী করে সম্পুর্ণ বিনা নোটিশে মহামান্য হাইকোর্টের রায় অমান্য করে ৪৪ পরিবারের বসবাসরত ১২ তলা বিশিষ্ট বিল্ডিংটি ভাংচুর করছে যা সম্পুর্ন অমানবিক, অন্যায় ও মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের প্রতি অশ্রদ্ধা।বরাদ্দ প্রাপ্ত শহীদ পরিবারের নাম ক. বেগম সামশুন্নাহার স্বামী-বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হাবিলদার রহিম বক্স (বি ডি আর), গ্রাম-এওচিয়া,উপজেলা-সাতকানিয়া,জেলা-চট্রগ্রাম।

খ. বেগম আলমাছ খাতুন, শহীদ মাতা, পুত্র- শহীদ এ,টি,এম,জাফর আলম,সি এস পি,গ্রাম-রত্ন পালং, উপজেলা-ওখিয়া, জেলা-কক্সবাজার । চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের কনসালটেন্ট (এ সি এল)-এর মেজর (অব.) সরদার জিয়াউর রহমান, উনার বড় ভাইয়ের মাধ্যমে ২ কোটি টাকা উৎকোচ দাবী করেছিলেন এবং একই প্রজেক্টের চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সি ডি এ)-এর পি ডি ইঞ্জিনিয়ার আহমদ মঈনুদ্দিন এই কর্মকান্ডের সাথে জড়িত।বলাবাহুল্য যে, তারা দুই জনেই বিগত আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট সরকারের নিয়োগ প্রাপ্ত এবং সুবিধাভোগী।


শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবি এই দুই জন চক্রান্ত করে তাদের দাবি করা টাকা না পাওয়ার তথ্য গোপন করে সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে এই কর্মযজ্ঞ চালাচ্ছেন। শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের দাবি সেনাপ্রধানের কাছে মহামান্য আদালতের রায়কে অনুসরণ করে যেন সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোর এর ৩৪ বিগ্রেড উক্ত বিল্ডিং এর ভাংচুর বন্ধ করে দেয়। এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য মহামান্য হাইকোর্টের আদেশের সার্টিফাইড কপি পেতে কিছু দিন সময় লাগবে যেহেতু কোর্ট এই মুহূর্তে বন্ধ।

এই সুযোগে ইনটেনশনালি শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের বরাদ্দ পাওয়া এই প্লটে নির্মিত বিল্ডিং টা ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙে ফেলছে। হাইকোর্টের আদেশ মেনে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে আকুল আবেদন জানিয়েছেন সাফ জাফর ভিলার মালিকগণ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাকপ্রতিবন্ধীকে পিটিয়ে হত্যা:চোর সাজানোর নাটক: দামাচাপা দিতে মরিয়া মালিকপক্ষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বিসমিল্লাহ ফেব্রিক্স ফ্যাক্টরিতে” চুরির অপবাদ দিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী যুবক হাসমত আলীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের মা মাজমা বেগম বাদী হয়ে বোয়ালখালী থানা এ হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ফ্যাক্টরির কর্মকর্তাসহ ১০ জনকে এজাহারভুক্ত এবং আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

নিহত হাসমত আলী পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নের লাকুরা কালারপুল এলাকার ১নং ওয়ার্ডের ইয়াকুব আলীর ছেলে। তিনি বাকপ্রতিবন্ধী ছিলেন। তার তিন সন্তান রয়েছে— জিহাদ (১০), নিহাত (৮) ও ফাহাদ (৪)।

মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোর রাতে বিসমিল্লাহ ফেব্রিক্স ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করলে হাসমত আলীকে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এরপর তাকে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং আহত অবস্থায় হাত-পা বেঁধে দীর্ঘ সময় ফেলে রাখা হয়। তাকে কোনো প্রাথমিক চিকিৎসাও দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি ভোর রাতে ঘটলেও দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।স্থানীয়দের দাবি, নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল এবং সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ,এইচআর ম্যানেজার মোঃ মোশারফ হোসেন,জেনারেল অ্যাডমিন হাফেজ মোঃ মনিরুল ইসলাম, সিকিউরিটি শিফট ইনচার্জ আমির হোসেন
বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মাহাফুজুর রহমান বলেন মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণের পর আটক-৩০

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার আলোচিত জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর ক্যাম্পে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় তারা নির্মাণাধীন নতুন ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয়। খবর পেয়ে গেশ, র‌্যাব, পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী রাতেই অভিযানে নামে। গুলিবর্ষণের পাশাপাশি সন্ত্রাসীরা যাতায়াতের সড়কগুলো কেটে দিয়েছে। ফলে যৌথবাহিনীর যানবাহন ছাড়াই অভিযান পরিচালনা করতে হয়েছে। অভিযানে র‌্যাব-পুলিশ ২০ থেকে ৩০ জনকে আটক করেছে। সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় র‌্যাব-৭-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রোববার দিবাগত রাত ১টার পর জঙ্গল সলিমপুরে সদ্য প্রতিষ্ঠিত র‌্যাব ক্যাম্প লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ করেছে। সন্ত্রাসীরা একে-৪৭ থেকেও গুলি ছুড়েছে। আমাদের সদস্যরা প্রথমে রাবার বুলেট ব্যবহার করে তখন সন্ত্রাসীরা বুলডোজার দিয়ে নির্মাণাধীন নতুন ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দিয়েছে।একপর্যায়ে আমাদের সদস্যরা রাইফেল থেকে ফাঁকা গুলি ছোড়েন। ততক্ষণে আমরা চতুর্পাশ থেকে ঘিরে ফেলি। রাস্তা কাটা থাকায় আমরা হেঁটে ক্যাম্পে পৌঁছতে যে সময় লেগেছে সেই সুযোগে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এই হামলার জন্য তিনি ইয়াসিনবাহিনীকে দায়ী করে আরো বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে জঙ্গল সলিমপুর থেকে বিতাড়িত সন্ত্রাসী ইয়াসিন গ্রুপ হামলা চালিয়েছে বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি। অভিযানে ২০ থেকে ৩০ জন আটক আছে।যাচাই-বাছাই করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের আমরা ছেড়ে দেব।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, যে ক্যাম্পটি সন্ত্রাসীরা গুঁড়িয়ে দিয়েছে সেটির কাজ শেষ পর্যায়ে ছিল। ঈদের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চট্টগ্রাম সফরে সেটি উদ্বোধন করার কথা ছিল। সন্ত্রাসীদের হামলায় আমাদের কেউ আহত হয়ননি। সন্ত্রাসীরা জঙ্গল সলিমপুরে আর ফিরতে পারবে না।

প্রসঙ্গত, গত ৯ মার্চ সেনাবাহিনী, র‌্যাব, পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে জঙ্গল সলিমপুরের নিয়ন্ত্রণ নেয়। জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এখানে ৩ হাজার ১০০ একর খাসজমি রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে বিভিন্ন ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানের পর এলাকাটিতে পুলিশ ও র‌্যাবের জন্য দুটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র স্থাপনের ঘোষণা দেয় সরকার। এরই অংশ হিসেবে র‌্যাব আলীনগরে একটি ক্যাম্প তৈরির কাজ শুরু করে। গতকাল রাতে সেই ক্যাম্পটি গুঁড়িয়ে দিল সন্ত্রাসীরা।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ