আজঃ শনিবার ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

বোয়ালখালীতে হাম-রুবেলা টিকাদান কো- অর্ডিনেশন সভা অনুষ্ঠিত

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায় হাম ও রুবেলা (এমআর) সংক্রমণ প্রতিরোধে আসন্ন টিকাদান ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১২ মে পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন উপজেলা পর্যায়ে চলমান থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হলরুমে এ সভার অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান ফারুক, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুফিয়ান সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুমন তালুকদার, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. শাহানুর ইসলাম, বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহফুজুর রহমান, শিক্ষা কর্মকর্তা সালমা ইসলাম, মো. হারুন উর রশিদ, বোয়ালখালী প্রেসক্লাব সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, সাংবাদিক মো. মুজাহিদুল ইসলাম, ইয়াছিন চৌধুরী, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. তৌফিকুল ইসলাম ও ডা. তোফায়েল আহমেদ। এসময় বক্তারা বলেন, শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

সভায় জানানো হয়, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ করে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি পূর্বে ৯ মাস ও ১৫ মাস বয়সে এমআর টিকা গ্রহণকারী শিশুরাও এ ক্যাম্পেইনের আওতায় পুনরায় টিকা গ্রহণ করবে।

অভিভাবকদের সুবিধার্থে টিকা গ্রহণের পূর্বে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম vaxepi-তে নিবন্ধন করে টিকাকার্ড ডাউনলোড করে সঙ্গে আনার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি বলেন- সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে পারলে হাম ও রুবেলার মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নিকটবর্তী টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। এসময় বক্তারা বলেন, শিশুদের সুস্থ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ক্যাম্পেইন শতভাগ সফল করতে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেওয়ান বাজারকে আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে দেখতে চাই : চসিক কাউন্সিলর প্রার্থী রেজাউল করিম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার পটপরিবর্তন হলে একদল সুযোগসন্ধানী মানুষ জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু ক্ষমতার দাপটে বা কোনো বিশেষ সুযোগ নিয়ে নয়, বরং সুশিক্ষা এবং জনগণের সরাসরি ম্যান্ডেট নিয়ে দেওয়ান বাজারবাসীর সেবক হতে চান এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা মোহাম্মদ রেজাউল করিম রেজা। তিনি আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ২০ নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী।

দেওয়ান বাজারের এক সভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে বেড়ে ওঠা রেজাউল করিমের শিক্ষার ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত। তিনি ঐতিহ্যবাহী মুসলিম হাই স্কুল থেকে সফলতার সাথে এসএসসি, ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রেও তিনি মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন; ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চিটাগাং-এর ঢাকা ক্যাম্পাস থেকে তিনি ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

এলাকার সচেতন নাগরিকরা মনে করেন, একজন জনপ্রতিনিধির কেবল রাজনৈতিক পরিচিতি থাকলেই চলে না, তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থাকাটা জরুরি। রেজাউল করিমের এই উচ্চশিক্ষা ও ব্যবসায়িক জ্ঞান দেওয়ান বাজারকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত ‘স্মার্ট ওয়ার্ড’ হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন।

সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় রেজাউল করিম রেজা বলেন, আমরা লক্ষ্য করি, যখনই দেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তন হয়, তখন একশ্রেণীর মানুষ রাতারাতি নিজেদের প্রভাবশালী প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, দখলদারিত্ব বা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া নেতৃত্ব কখনও এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন করতে পারে না। আমি চাই একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন, যেখানে সাধারণ মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে একজন শিক্ষিত ও যোগ্য প্রতিনিধি বেছে নেবেন।

তিনি আরও বলেন, আমি মুসলিম হাই স্কুল ও ইসলামিয়া কলেজের আঙিনায় বড় হয়েছি। এই মাটির মানুষের ভাষা আমি বুঝি। উচ্চশিক্ষা আমাকে শিখিয়েছে কীভাবে আধুনিক পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নাগরিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা যায়। আমি দেওয়ান বাজারকে একটি নিরাপদ, সিসিটিভি নিয়ন্ত্রিত,পরিচ্ছন্ন,মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে দেখতে চাই।

এলাকার বাসিন্দাদের মতে, ক্ষমতার এই সন্ধিক্ষণে অনেক ‘বসন্তের কোকিল’ দেখা গেলেও রেজাউল করিম সবসময়ই এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে ছিলেন। তাঁর এই উচ্চশিক্ষিত ও নিরপেক্ষ ভাবমূর্তির কারণে বিশেষ করে তরুণ ও শিক্ষিত ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

আসন্ন চসিক নির্বাচনে কোনো দলীয় প্রভাব ছাড়াই জনগণের সরাসরি সমর্থনে জয়ী হয়ে দেওয়ান বাজারের সেবায় আমৃত্যু আত্মনিয়োগ করার দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করেন এই মেধাবী তরুণ সমাজসেবক।

যোগ্যদের স্বীকৃতি দিতে পেরে গর্বিত” মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, স্বাধীনতা বইমেলার সমাপনী দিনে যোগ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। এই সম্মাননার মাধ্যমে সমাজ, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা ব্যক্তিদের যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং জাতির প্রতি তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি।


শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে নগরীর চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম চত্বরে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত “স্বাধীনতা বইমেলা চট্টগ্রাম–২০২৬” এর সমাপনী দিনে স্বাধীনতা পদক–২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা পদক–২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।


তিনি বলেন, সম্মাননা প্রদানের ক্ষেত্রে নিরপেক্ষতা বজায় রেখে যোগ্যতার ভিত্তিতেই নির্বাচন করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং তাদের অবদানই ছিল প্রধান বিবেচ্য। ইতিহাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইতিহাসকে বিকৃত করার কোনো সুযোগ নেই এবং দেশের জন্য অবদান রাখা ব্যক্তিদের যথাযথ সম্মান দিতে হবে। ইতিহাস তার নিজস্ব ধারায় চলবে এবং ইতিহাসবিদরাই তা সংরক্ষণ করবেন।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির অর্জন শুধু এই অঞ্চলের নয়, পুরো বাংলাদেশের জন্য গর্বের বিষয়। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সাতটি বিষয়ে এক্রেডিটেশন অর্জন করেছে এ প্রতিষ্ঠান, যা উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে একটি মাইলফলক।একইসঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের অবদানের জন্য নূর আহমেদ চেয়ারম্যানকে সম্মাননা প্রদানের পেছনের যুক্তিও তুলে ধরেন তিনি। তিনি বলেন, যোগ্যতার যথাযথ মূল্যায়ন না হওয়া আমাদের একটি দুর্বলতা ছিল, সেখান থেকে বের হয়ে আসতেই আমরা এ উদ্যোগ নিয়েছি।

স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন করা হয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে আমরা অবদানকে মূল্যায়ন করেছি। মরহুম জননেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানকে স্বাধীনতা আন্দোলনের সংগঠক হিসেবে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের জাতির ভিত্তি। এই ইতিহাসকে কোনোভাবেই বিকৃত বা অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা, সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধে অবদান, সবকিছুই ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। শেখ মুজিবুর রহমান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানসহ সকল ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকে তাঁদের যথাযথ মর্যাদায় মূল্যায়নের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ইতিহাসকে দলীয় দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে দেখা উচিত নয়। ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলবে, এবং আমরা সেই সত্যকেই ধারণ করতে চাই। কোনো ধরনের প্রোপাগান্ডা দিয়ে সত্যকে আড়াল করা সম্ভব নয়।

বইমেলার সফল আয়োজন প্রসঙ্গে মেয়র উল্লেখ করেন, এবারের মেলায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বই বিক্রি হয়েছে, যা পাঠাভ্যাস বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রকাশনা শিল্পকে এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, লেখক, প্রকাশক ও পাঠকদের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পেরে সিটি করপোরেশন আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এস. এম. নছরুল কদির এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহফুজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু।

এবার স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননার জন্য মোট আটজন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করা হয়। স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদানের জন্য প্রয়াত রাজনীতিবিদ আবদুল্লাহ আলম নোমান (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একরামুল করিম, শিক্ষাক্ষেত্রে চট্টগ্রাম পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নূর আহমদ চেয়ারম্যান (মরণোত্তর), চিকিৎসা ক্ষেত্রে ডা. এম. এ. ফয়েজ এবং সাংবাদিকতায় দৈনিক পূর্বকোণের সম্পাদক ডা. ম. রমিজ উদ্দিন চৌধুরী সম্মাননায় ভূষিত হন।

এছাড়া ক্রীড়াক্ষেত্রে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান, সমাজসেবায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, স্বাস্থ্যসেবায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস), সঙ্গীতে শিল্পী আবদুল মান্নান রানা এবং চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় অবদানের জন্য শিল্পী বুলবুল আকতার স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা লাভ করেন।

অন্যদিকে সাহিত্য সম্মাননা পদকের জন্য গীতিকবিতায় ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, শিশু সাহিত্যে সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার, প্রবন্ধ ও গবেষণায় হারুন রশীদ, কবিতায় শাহিদ হাসান এবং কথাসাহিত্যে জাহেদ মোতালেবকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবং চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ বইমেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। পুরো মেলা জুড়ে পাঠক দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।সমাপনী অনুষ্ঠানে পদক প্রদান ছাড়াও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টিভি ও বেতারের উপস্থাপিকা নাহিদা নাজু, চসিক স্কুলের শিক্ষিকা রুমিলা বড়ুয়া ও কংকন দাস

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ