আজঃ রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের ঈদ পুণর্মিলনী ও প্রীতি সন্মাননা উৎসবে – সাংসদ এরশাদ উল্লাহ

এস মনির চৌধুরী রানা

সাংবাদিকেরা হচ্ছে জাতীর বিবেক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ঈদপুণর্মিলনী-প্রীতি সন্মাননা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান গতকাল ১৭ এপ্রিল বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উপজেলা অডিটোরিয়াম মিলনায়তনে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো: সিরাজুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম -৮ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ।

প্রধান বক্তা ছিলেন বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান ফারুক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতেমা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সালমা ইসলাম, থানার অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান,

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, সাবেক সদস্য সচিব, ও বর্তমান সদস্য জেলার মোস্তাক আহমেদ খান, জেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক শওকত আলম, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক হাজী ইসহাক চৌধুরী, সাবেক সদস্য সচিব হামিদুল হক মান্নান চেয়ারম্যান, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব নুরুন্নবী চৌধুরী, বিএনপি নেতা নুরুল করিম নুরু, পৌরসভা বিএনপি সাবেক আহবায়ক শহিদুল্লাহ চৌধুরী, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজগর, সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম শাহীন, সহ সাধারণ সম্পাদক ও নবগঠিত বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থা সদস্য সচিব হাজি আবু আকতার। মোঃ কামাল উদ্দিন, এডভোকেট সামশুদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা হাসান চৌধুরী, বিএনপি নেতা পেয়ার মোহাম্মদ, শাকপুরা চৌমুহনী ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি মতিউর রহমান রাসেল। উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের আহবায়ক স্বপন কুমার শীল, ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ হাসান চৌধুরী,পল্টু কান্তি বড়ুয়া।

প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন চৌধুরী সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি লোকমান চৌধুরী, আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহসভাপতি -এডভোকেট সেলিম চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধীর বড়ুয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোঃ নজরুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক প্রভাস চক্রবর্তী, সাইফুদ্দিন খালেদ, এস এম নাঈম উদ্দিন।

প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য হিমাদ্রী রাহা,এম মনির চৌধুরী রানা , এমরান চৌধুরী, সুমন চক্রবর্ত্তী, শাহালম বাবলু, মো: খোরশেদ আলম, তৌহিদুর রহমান, খোরশেদুল আলম, এম আর তাওহীদ, শাহেদ হোসেন ছোটন তাজুল ইসলাম, বিপ্লব জলদাস।

এ সরকার জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে বদ্ধপরিকর। সরকার দেশ উন্নয়নে সাংবাদিকদের ভূমিকা মাথায় রেখে কাজ করছেন। এসময় তিনি সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার মান ধরে রাখতে সব সময় বস্তুনিষ্ঠ – স্বচ্ছ – তথ্য সমৃদ্ধ সংবাদ তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আকুল আহবান জানান।

এ উপলক্ষে মনোজ্ঞ ব্যান্ডশো- সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।শেষে রাইফেল ড্র ও প্রীতিভোজ এবং পুরস্কারের বিতরনে মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্য আজীবন বহিস্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্যকে আজীবন বহিষ্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ব্যবস্থাপনা কমিটি ও উপদেষ্টা কমিটির অনুষ্ঠিত ৮ম সভায় জানানো হয়, বহিষ্কৃত সদস্য শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে বিতাড়িত ও মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির নাম ব্যবহার করে বর্তমান নির্বাচিক ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ক্লাবের সিনিয়র সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় আজীবন বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

একই সঙ্গে প্রেস ক্লাবের শৃংঙ্খলা বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকা এবং প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান থেকে নানাবিধ সুবিধা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে বহিস্কৃত সদস্য মনজুর কাদের মনজুর বিরুদ্ধে। আর বিগত সময়ে তার বিরুদ্ধে বেশকিছু স্কুলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভর্তি বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে। এসব অপকর্মের কারণে প্রেস ক্লাবের ঐহিত্য ও সুনাম নষ্ট করায় প্রেসক্লাব থেকে বহিষ্কৃত মনজুর কাদের মনজুকেও আজীবন বহিষ্কার করা হয়। এবং বহিষ্কৃত এই দুই সদস্যকে প্রেস ক্লাব ও প্রেস ক্লাবের আশপাশের এলাকায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়।

এছাড়া চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের নাম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন পেজ ও গ্রুপ খুলে সাংবাদিকদের সম্মানহানিকর তৎপরতার বিরুদ্ধে সভা থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। এবং যারা এ ধরনের তৎপরতার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সভায় ব্যবস্থাপনার কমিটির নেতৃবৃন্দরা জানান, বহিষ্কৃত এই দুইজনের সাথে কোন ধরনের যোগাযোগ বা লেনদেন না করার জন্য চট্টগ্রামের সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের প্রতি বিনীতি অনুরোধ জানানো হয়।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) এর সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, সিএমইউজের সাধারণ সম্পাদক ও কার্যকরী সদস্য সালেহ নোমান, যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সাংস্কৃতিক সম্পাদক রূপম চক্রবর্তী, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও অ্যাপায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম ও সাইফুল ইসলাম শিল্পী এবং প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ।

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদের সব কটিতে জয়ী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১৪টি পদের সব কটিতে জয়ী হয়েছে বিএনপি সমর্থিত জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম মনোনীত প্যানেল। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মোল্লা মোহাম্মদ মাসুম রশিদ, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে ভোট গণনা শেষে এই ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান শেখ আব্দুল আজিজ। এদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

শেখ আব্দুল আজিজ জানান, নির্বাচনে ১ হাজার ২০২ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৫৬ জন ভোট দিয়েছেন।নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন— সহসভাপতি মহসিন চৌধুরী (৪২০) ও মোশারফ হোসেন (৪০৫), যুগ্ম সম্পাদক এম এম তৌহিদুজ্জামান (৪৬০), লাইব্রেরি সম্পাদক জয়দেব কুমার সরকার (৪৮৫), সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নুরুন নাহার নাজমুন নেছা জেবা (৪৯৮)।কার্যনির্বাহী পরিষদের বিজয়ী সাত সদস্য হলেন— শেখ সোহান ইসলাম (৬০২), শাজাহান ঠাকুর (৫৭৬), নারায়ণ কুমার মন্ডল (৫২১), আ ফ ম মুস্তাকুজ্জামান মুক্তা (৫১১), শাকিরা ফেরদৌস রিমি (৪৯২), মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান (৪৬৯) ও স্বর্ণালী দাস (৪৪৭)।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ