আজঃ শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থীদের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় বক্তারা- সংস্কৃতি চর্চা মানুষকে মানবিক করে তোলে।

অরুণ নাথ :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুকণ্ঠ সংগীত বিদ্যার্থী পরিষদ বাংলাদেশ’র উদ্যোগে শিশু – কিশোর প্রতিভাবান শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা ১৯ এপ্রিল রবিবার বিকাল ৬ টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারী হলে অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যার্থী পরিষদের সভাপতি অরুণ নাথ এর সভাপতিত্বে উদ্বোধক ছিলেন কণ্ঠ শিল্পী, সুরকার,বাংলাদেশ বেতার ও টিভি’র সঙ্গীত পরিচালক সুব্রত দাশ অনুজ।প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন এর গীতিকার চট্টগ্রাম কলেজ প্রাক্তন অধ্যক্ষ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মো: আবুল হাসান, সংবর্ধেয় অতিথি ছিলেন আর্য সঙ্গীত সমিতির অধ্যক্ষ শিল্পী মৃণালিনী চক্রবর্তী, বিশেষ অতিথি ছিলেন মাই টিভি চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান মো: নুরুল কবির, সম্মানিত অতিথি ছিলেন সাপ্তাহিক শিক্ষা সংবাদ এর সম্পাদক দেওয়ান মামুনুর রশীদ, ঋতুপর্ণা চৌধুরীর সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল চৌধুরী। অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বিদ্যার্থী পরিষদের সদস্যরা, এরপর সংবর্ধেয় অতিথি, প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের সম্মাননা স্মারক তোলে দেন আনিকা দাশ চৌধুরী ও রুবেল চৌধুরী। বক্তরা বলেন সঙ্গীত চর্চা মানুষকে মানবিকতা শেখায়, আজকের প্রতিভাবানরা আগামীতে দেশের বাহিরে গিয়ে সুনাম বয়ে আনবে। দ্বিতীয় পর্বে সমবেত সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিদ্যার্থী পরিষদের শিল্পীবৃন্দ।

এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সারদা স্বয়ংপ্রভা ঘোষ,রোদ্দুর দে,সংহিতা নন্দী,হিমু আইচ,সৌমিল শ্রীহান দত্ত, দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করেন অর্চিতা দে – অনুঙ্কা দে,এর পর একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন অন্বেষা ধর,দিবাকর ভট্টাচার্য, অর্ঘ্যদীপ সরকার, দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করেন অবন্তী সরকার ও পিহুনা সরকার, একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুরাঙ্গনা রায় চৌধুরী, এর পর দ্বৈত সংগীত পরিবেশন করেন রাগবীর বসাক ও রাজবীর বসাক,একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সানিয়া নোমান,শুভ্রনীল দাশ,অভ্রনীল দে,দীপান্ত ভট্টাচার্য, ইন্দ্রদীপ ভট্টাচার্য। আমরা সবাই রাজা রবীন্দ্র সমবেত সঙ্গীত এর মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।যন্ত্রাসঙ্গে যারা সহযোগিতা করেছেন কী বোর্ডে পঙ্কজ, তবলায় সানি দে,অক্টোপেড প্রণব, গিটারে রাজীব দাশ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কবিয়াল রমেশ শীলের জন্মদিনে দুইদিন ব্যাপী ‘রমেশ উৎসব’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা, ১৯৪৮ সালে কলকাতার শ্রদ্ধানন্দ পার্কে ‘বঙ্গের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল’ উপাধিপ্রাপ্ত, মাইজভাণ্ডারী গানের অন্যতম গীতিকার ও কবিকুল সম্রাট, উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ কবিয়াল, একুশে পদকপ্রাপ্ত লোককবি রমেশ শীলের ১৪৯ তম জন্মবার্ষিকী শনিবার (৯ মে)। চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার গোমদণ্ডী গ্রামে রমেশ সমাধি প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে ২ দিনব্যাপী রমেশ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

কবিয়াল রমেশ স্মৃতি ট্রাস্টের আয়োজনে ১ম দিন কবির সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, রমেশ শিল্পী গোষ্ঠীর পরিবেশনায় রমেশ সংগীত ও আলোচনা সভা, সন্ধ্যায় স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় রমেশ গীতি; ২য় দিন কবির সমাধীতে শ্রদ্ধা নিবেদন, রমেশ শিল্পী গোষ্ঠীর পরিবেশনায় রমেশ সংগীতানুষ্ঠান, আলোচনা সভা, টিভি ও বেতার শিল্পীদের পরিবেশনায় রমেশ রচিত মাইজভাণ্ডারী গানের আসর বসবে বলে আয়োজক কমিটি জানান।

বিদায়ের সাজানো কফিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তুমি একবার ‘না’ বলো
আমি থেমে যাব
নি:শব্দ রাতের মতো
অসীমে মাঝে মিশে যাব ।

আমি হারিয়ে যাব
অনেক দূরে—
যেখানে কেউ খুঁজে পাবেনা
মায়া মমতাহীন গহীন অন্ধকারে ।

এই পৃথিবী আমার নয়
এই ফুলের বাগান আমার নয়
এখানে কেউ কারো নয়
শুধুই মিথ্যা মায়াময় ।

এখানে অবুঝ প্রেমের খেলা
এখানে ক্ষণিকের ফুলের মেলা
এখানে অজানা পথে চলা
এখানে ঝরা ফুলের মালা ।

এখানে চোখের জলে
কষ্টের ফুল ফোটে
এখানে বোবা কান্নায়
পাথরে ফুল ফোটে ।

আমি যাব চলে
অনেক অনেক দূরে,
কে যেন ডাকে মোরে
মায়া নদীর তীরে ।

আবার আসিব ফিরে
হারানো দিনের গানে
সকল কষ্ট ভুলে যাব
ক্ষণিকের মহামিলনে ।

যদি আর না ফিরি
এই সাজানো বাগানে,
একটি ফুল ছিটিয়ে দিও
বিদায়ের সাজানো কফিনে ।

রচনাকাল :২৭/৪/২০২৬

আলোচিত খবর

দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। শুক্রবার সকাল ৮ থেকে চট্টগ্রামের এই শোধনাগারটিতে পুনরায় পরিশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শরীফ হাসনাত বলেন, কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রিফাইনারিতে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। এর পরপরই চালু করা হয় শোধনাগারটি।ইআরএল সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর নতুন কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে পৌঁছায়নি। ফলে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল রাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এর মধ্যে বুধবার দুপুরে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি কুতুবদিয়া চ্যানেলে এসে পৌঁছায়। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই দেশে আসা প্রথম ক্রুড অয়েলের চালান। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি বাংলাদেশে আসে। ২৪৯ দশমিক ৯৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়তে না পারায় নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট ট্যাংকারে তেল খালাস করে পতেঙ্গার ইআরএলে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে লাইটারিং বলা হয়।এদিকে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ‘নর্ডিকস পলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজে থাকা বিপিসির এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। দেশের বাকি জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানিনির্ভর। বর্তমানে দেশে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলেরও উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ