আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর শাকপুরা দারুচ্ছুন্নাত কামিল মাদরাসায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ।

স ম জিয়াউর রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ, জলবায়ু, কৃষি ও সেবামূলক সংগঠন গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স ও মানবিক-সামাজিক- স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২ মে, শনিবার, বিকালে বোয়ালখালী উপজেলাধীন শাকপুরা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাকপুরা দারুচ্ছুন্নাত কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ করা হয়।

দেশব্যাপী সর্বস্তরের জনসাধারণকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সচেতন করতে আসন্ন ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬-কে সামনে রেখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি’র ঘোষিত বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমর্থন-সফল-বাস্তবায়নে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি ও পরিবেশ সংগঠক স ম জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনের সদস্য (এডমিন) ও দারিদ্রবিমোচন ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন নিজামীর সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফারহানা আফরোজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি মোহাম্মদ মুছা আলম খান চৌধুরী, দারিদ্র বিমোচন ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বোয়ালখালী উপজেলার সভাপতি মুহাম্মদ সোলায়মান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এমরান, সদস্য (মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন) নজিব চৌধুরী, সদস্য মো. মুজিবুর রহমান, মোহাম্মদ আসিফ, মো. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বছরে পাঁচ কোটি চারা রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশের জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। সরকারের এ কর্মসূচি সফল ও সার্থক করতে গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স ও সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি সকলকে বাসাবাড়ির খালি জায়গায়, যেখানে চারা লাগানোর জায়গা রয়েছে, সেখানে সকলকে ফলজ, বনজ ও ঔষুধি চারা রোপণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শতাধিক মানুষের মাঝে প্রায় ২০০টি বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়। চারা বিতরণ শেষে অনুষ্ঠানের সফলতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ আরিফ উল্লাহ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ