আজঃ বুধবার ২০ মে, ২০২৬

বার্জ বা বোট ভেড়ানো, গাড়ি চলাচলসহ নানা কাজে সৃষ্টি হবে প্রতিবন্ধকতা

চট্টগ্রাম বন্দরের ১৪ হাজার ৯৪০ বর্গফুট জমি ইজারায় তোলপাড়।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমি ইজারার ঘটনায় চলছে তোলপাড়। একজনের ইজারা করা জমি আরেকজনকে দেওয়ার এমন ৬চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ১৪ হাজার ৯৪০ বর্গফুট জমি ৬ মাসের ইজারা নিয়ে এই তুঘলকি কাণ্ড করেছে বন্দরের এস্টেট বিভাগ। বন্দরের মাঝিরঘাট এলাকায় মেসার্স এসএস ট্রেডিং নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে অস্থায়ী পন্টুন ও জেটি নির্মাণের জন্য নদীর তীর থেকে নদীর দিকে ১৫০ ‘দৌড় ফুট’ জমির মধ্যে ১০০ ‘দৌড় ফুট’ জমি লিজ দেয়। এর মধ্যে ৬০ ফুটই মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়ার নামে অপর ইজারাদারের জমি। ৭ মে ইজারা সংক্রান্ত চিঠি ইস্যুর পর হতবাক হয়েছেন মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া।

তার অভিযোগ, বন্দরের এস্টেট বিভাগের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতিপক্ষের থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়ে এমন অন্যায় করেছেন। এক্ষেত্রে আমাকে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি। আমার লিজও বাতিল করা হয়নি। এ অবস্থায় আমার নামে থাকা জমি অন্যজনকে লিজ দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি জানান, হালসনের ইজারার টাকা পর্যন্ত তিনি পরিশোধ করেছেন বন্দরের কোষাগারে।
জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী ব্যবস্থাপক রায়হান উদ্দিন ৭ মে এসএস ট্রেডিংয়ের অনুকূলে ১০০ ‘দৌড় ফুট’ নদীমুখের জমি ইজারার চিঠি ইস্যু করেন। নদীমুখের প্রতি ‘দৌড় ফুট’ জমির ভাড়া বছরে ৫ হাজার ২০০ টাকা হিসাবে নির্ধারণ করা হয়।
সূত্র জানায়, মাঝিরঘাট এলাকায় কর্ণফুলী নদীর ডান তীরে নদী তীরবর্তী চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (চবক) ১২ হাজার বর্গফুট জমি ইজারা ছিল মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়ার নামে। ২০২২ সালের বন্দরের নিজস্ব প্রয়োজনের কথা বলে সেখান থেকে সাড়ে চার হাজার বর্গফুট জমি উচ্ছেদ করে নিজেদের আওতায় নেয়। ইউসুফের ঘাটের সঙ্গে লাগানো এই জমিসহ ১৪ হাজার ৯৪০ বর্গফুট জমি ৭ জানুয়ারি এসএস ট্রেডিংকেই ইজারা দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ৬ মাসের জন্য ইজারা দেওয়া হয়। অথচ এ জমির জন্য ফেরদৌস ইউসুফসহ আরও তিনজন আবেদনকারী ছিলেন।

মোহাম্মদ ইউসুফ মিয়া বলেন, যেহেতু আমার নামে লিজ ছিল এবং বন্দরের নিজস্ব প্রয়োজনের কথা বলে আমাকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, সেখানে সেই জমি এসএস ট্রেডিং বা অন্য প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া অন্যায়। আমার লিজ করা জমির সামনের নদীমুখ এবং পাশের জমি অন্যজনকে দিয়ে দেওয়ার কারণে বার্জ বা বোট ভেড়ানো, গাড়ি চলাচলসহ নানা কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। এতে আমি ব্যবসায়িকভাবে বিপদের সম্মুখীন হব।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সহকারী ব্যবস্থাপক (ভূমি-২) রায়হান উদ্দিন বলেন, ফেরদৌস ইউসুফ এবং এসএস ট্রেডিং ব্যবসায়িক অংশীদার। তাদের সম্মতিতেই নদীমুখে ১০০ ফুট এসএস ট্রেডিং-এর নামে লিজ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে একই এলাকায় এসএস ট্রেডিংকে ১৪ হাজার ৯৪০ বর্গফুট জমি লিজ দেওয়া ক্ষেত্রে একটি যৌক্তিক কারণ ছিল। সেটি হচ্ছে-তারা ওপেন টেন্ডারে পতেঙ্গা বন্দরের একটি জায়গা পেয়েছিল। কিন্তু সংগতকারণে সেটি একটি বিদেশি কোম্পানিকে দিতে হয়েছে। এর পরিবর্তে মাঝির ঘাটের জমি ৬ মাসের জন্য এসএস ট্রেডিংকে দেওয়া হয়েছে।এদিকে মোহাম্মদ ইউছুপ মিয়া নিজের ইজারার জমি অন্যজনকে দেয়ায় গত ১৭ মে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন চন্দনাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ আয়োজিত মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বিপিএম তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেন। মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদক উদ্ধারসহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখায় তাকে এ স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ওসি এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেন, ঊর্ধ্বতন অফিসারদের নিবিড় তদারককি, থানার প্রতিটি সদস্যের অক্লান্ত পরিশ্রম, কর্তব্যনিষ্ঠা এবং দায়িত্বের প্রতি আনুগত্য আমার জন্য সহায়ক হয়েছে। এ পুরষ্কার আমাকে আগামীতে জনগণকে আরও বেশি সেবা দিতে অনুপ্রেরণা জোগাবে।উল্লেখ্য, গত ৫ মে চট্টগ্রামের ডিএসবি শাখায় পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) থেকে চন্দনাইশ থানায় যোগদেন করেন।

মেধাবী ও নৈতিক প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন-এর মাননীয় মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না। মেধাবী, মানবিক ও নৈতিকতাসম্পন্ন আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

মঙ্গলবার টাইগারপাসস্থ প্রধান নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে চসিক কলেজ শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত ও বর্তমান নেতৃবৃন্দের সাথে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় মেয়র বলেন, “শিক্ষা হচ্ছে জাতির মেরুদণ্ড। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিকভাবে গড়ে তুলতে না পারলে আগামী দিনের কাছে আমাদের জবাবদিহি করতে হবে। এজন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন প্রতি মাসে ৬ থেকে ৮ কোটি টাকা শিক্ষা খাতে ভর্তুকি দিচ্ছে। এটিকে আমরা ব্যয় নয়, ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ হিসেবে দেখি।”

তিনি শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শ্রেণিকক্ষে সব শিক্ষার্থীকে সমানভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী যেন কোচিং বা প্রাইভেট নির্ভরতার কারণে বাড়তি সুবিধা না পায়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যারা পিছিয়ে আছে বা চুপচাপ থাকে, তাদের বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ ও যত্ন নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কিশোর গ্যাং, মাদক ও সামাজিক অবক্ষয় প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক তদারকির অভাবে অনেক শিক্ষার্থী বিপথগামী হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের শুধু জিপিএ-৫ এর পেছনে না ছুটিয়ে নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “একসময় শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ ও আন্তরিকতা ছিল অনুকরণীয়। সেই হারানো দায়িত্ববোধ আবার ফিরিয়ে আনতে হবে।”

পড়াশোনাকে শিক্ষার্থীদের কাছে সহজ ও আনন্দদায়ক করতে শিক্ষকদের সৃজনশীল পদ্ধতিতে পাঠদান করার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান বা ইংরেজি বানানের মতো কঠিন বিষয়গুলো সহজভাবে উপস্থাপন করতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার আগ্রহ তৈরি হয়।

সভায় তিনি নিজের সাম্প্রতিক কানাডা সফরের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন। মেয়র জানান, আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে যৌথ সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে চসিকের নার্সিং ও কারিগরি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিক কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি জনাব মো. শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক আকাশ, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ নুরল আলম আযাদ ও বিশ্বনাথ নাথ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম ফারুক ও ড. চিন্ময় গুহ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল হক, অর্থ সম্পাদক আহমেদ শাহ আলমগীর, সহ-অর্থ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনাজ আক্তার, সমাজকল্যাণ সম্পাদক ওমর ফারুক, শিক্ষা গবেষণা ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিসেস তাহমিনা আক্তার, সহ শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক মিসেস আয়েশা নাজনীন, দপ্তর সম্পাদক ফিরোজ আলম এবং সহ-ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবালসহ শিক্ষক সমিতির অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভা শেষে শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ মেয়রের শিক্ষা-বান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং চসিকের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ