আজঃ শুক্রবার ২২ মে, ২০২৬

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের ৩৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ

রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ সহ আহত ৬

মাহাবুবুর রহমান রনি, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার তারাবো বাজার এলাকায় মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের সংঘর্ষে রনি মিয়া (২৪) নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধসহ ছয়জন আহত হয়েছে। গত ২১মে বৃহস্পতিবার রাত ১০টা থেকে রাত ১২ টা পর্যন্ত তারাবো উত্তরপাড়া এলাকার শ্রাবণ গ্রুপ এবং দক্ষিণপাড়া এলাকার নবী ভান্ডারীর গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তার ও মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে তারাবো পৌরসভার উত্তরপাড়া এলাকার শ্রাবণ ও রুবেল গ্রুপের সঙ্গে দক্ষিণপাড়া এলাকার নাজমুল ও নবী ভান্ডারির গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরে ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে উভয়পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাক্বিতণ্ডা হয়। পরে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও একপর্যায়ে গুলি বিনিময় হয়। দুই পক্ষই একে অপরকে লক্ষ্য করে ৫-৬ রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে। এসময় ১৩-১৪ টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ছয়জন আহত হয়।

আহতদের মধ্যে একজন রনি মিয়া(২৪)গুলিবিদ্ধ হয়েছে। সে চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দা। সে নবী ভান্ডারীর পক্ষ নিয়ে সংঘর্ষে যোগ দেয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের লোকজন বাড়িঘর, দোকানপাট ও যানবাহনে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। হামলাকারীরা তারাবো বাজারের আব্দুর রফিক, মাহমুদ হোসেন ও আব্দুর রাজ্জাকের ফলের দোকান, সেলিমের রেস্টুরেন্ট সহ তিনটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর এবং লুটপাট করে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত পৌনে ১২টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৩৮ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। আহতদের উদ্ধার করে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি এখন শান্ত। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নরসিংদীতে “ইত্যাদি শুটিং স্পটে”বিশৃঙ্খলা:আহত অন্তত ২০,দুই সাংবাদিকের মোবাইলসহ চুরির হিড়িক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান “ইত্যাদি”-র ধারণ অনুষ্ঠান চলাকালে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা, নিরাপত্তাহীনতা ও অব্যবস্হার ঘটনায় অন্তত ২০জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।একই সঙ্গে দুই সাংবাদিকের মোবাইল ফোনসহ দর্শনদের মোবাইল চুরির হিড়িক পরে বলে অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগীরা।

বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় রায়পুরা উপজেলার রামনগর হাই স্কুল মাঠ সংলগ্ন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই চুরির ঘটনা ঘটে।ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের জন্য আমন্ত্রিত অতিথিদের পাসের ব্যবস্থা ছিল। তবে আয়োজক কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনার কারণে প্রবেশ গেটে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

পাসধারী নারী ও শিশুসহ হাজার হাজার দর্শককে তীব্র ঠেলাঠেলি করে ভেতরে প্রবেশ করতে হয়েছে। এই ধাক্কাধাক্কির সুযোগে অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ পকেটমার চক্র দর্শকদের পকেট ও ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একের পর এক মোবাইল ফোন হাতিয়ে নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্যও ব্যর্থ হন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, অনুষ্ঠানস্থলে প্রায় তিন হাজার অতিথির বসার আসন বরাদ্দ ছিল। কিন্তু পাস ছাড়া আরও কয়েক হাজার বহিরাগত ব্যক্তি পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে এবং প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করেন। এই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে সংবাদ সংগ্রহ করতে যাওয়া ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন, দীপ্ত টিভি, ইভিনিং নিউজ, দৈনিক আমার দেশ, ভোরের ডাক ও প্রতিদিনের সংবাদসহ অন্তত ৭ জন কর্মরত সাংবাদিকের দামি স্মার্টফোন চুরি হয়ে যায়। পরবর্তীতে চরম অব্যবস্থাপনার ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে শত শত পাসধারী আমন্ত্রিত অতিথি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, অনুষ্ঠানে প্রবেশের জন্য প্রধান ফটক দিয়ে ঢোকার সময় প্রশাসনের অব্যবস্থাপনায় ব্যাপক হট্টগোল দেখা দেয়। আমরা ভেতরে প্রবেশ করে দেখি আমার মোবাইলটি নেই। তাৎক্ষণিকভাবে গেটে দায়িত্বরত পুলিশকে বিষয়টি জানাই। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থাতেই মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে আরও ৬ জন সাংবাদিক এবং জেলা প্রশাসনের ১ জন কর্মচারীসহ অন্তত ৪৫ জন দর্শক তাদের মোবাইল চুরির কথা পুলিশকে অবহিত করেন। কিন্তু পুলিশকে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নরসিংদীর পুলিশ সুপার (এসপি) আবদুল্লাহ আল-ফারুক বলেন, ‘ইত্যাদি’ অনুষ্ঠান উপভোগের জন্য নরসিংদী ও এর আশেপাশের জেলা থেকে হাজার হাজার দর্শক এসেছেন। এর পাশাপাশি হয়তো কিছু চোরও ভিড়ের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। অনুষ্ঠানে বেশ কিছু দর্শকের মুঠোফোন খোয়া যাওয়ার বিষয়টি আমরা জেনেছি। ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ (জিডি) করলে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মুঠোফোনগুলো উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।

রূপগঞ্জে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে আহত আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কাঞ্চন পৌরসভা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আবারও সংঘর্ষ, হামলা ও রক্তক্ষয়ের ঘটনা ঘটেছে। এবার কাঞ্চন পৌরসভা ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজাম্মেল হককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিরাব খালপাড় গ্রামের শাহজাহানের ছেলে কাওসার মিয়া ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে কাওসার মিয়ার নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত একদল লোক মুজাম্মেল হকের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে বলে অভিযোগ করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠান।

ঘটনার পর কাঞ্চন পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই কাওসার মিয়া এলাকায় একটি প্রভাবশালী সশস্ত্র গ্রুপ গড়ে তুলে আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট, বোমাবাজি, মাদক নিয়ন্ত্রণ, দখলবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিরাব খালপাড় ও তারাইল এলাকায় সংঘটিত একাধিক সহিংস ঘটনার সঙ্গে কাওসার মিয়া ও তার অনুসারীদের নাম জড়িত। কয়েক বছর আগে বিরাব খালপাড় গ্রামের কামরুল নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনাও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, মাতাল অবস্থায় কামরুলের বুকে লাথি মারার পর তার মৃত্যু হলেও ঘটনাটি ‘স্ট্রোক’ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়।

এছাড়া নবাব আশকারী মিলের অভ্যন্তরে থাকা শত কোটি টাকার সম্পদ লুট, বগুড়া থেকে মুরগির খাবারবাহী গাড়ি ডাকাতি, সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, আওয়ামী লীগ নেতা আবুলের মাছের ঘের দখল ও মাছ লুটের ঘটনাতেও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, কাঞ্চন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার হোসেন, তার ভাতিজা মাছুম ও ছেলে মুরাদকেও পূর্বে হামলা চালিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছিল। এছাড়া আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মোবারক হোসেন খোকন ও যুবদল নেতা বাদশার বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, বোমাবাজি ও লুটপাটের ঘটনাও এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব হামলায় কাওসার ও রাব্বির নেতৃত্বাধীন গ্রুপ জড়িত ছিল।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, চোরাই মালামালের একটি ঘটনায় বগুড়া থানায় কাওসার মিয়ার বিরুদ্ধে একটি মামলাও রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, কাওসার মিয়া পেশায় আকতার গ্রুপের একজন অ্যাকাউন্টস অফিসার হলেও পোল্ট্রি ফার্মের আড়ালে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। স্থানীয়দের দাবি, তার ভাগিনা আলিফ হাসান ও সহযোগী নিশাত চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রায় ৩০ সদস্যের একটি কিশোর গ্যাং এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। এ বাহিনী বিভিন্ন সময় অস্ত্রের মহড়া, হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া আশ্রয়ন প্রকল্প এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এসব কর্মকাণ্ড চললেও ভুক্তভোগীরা ভয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কাওসার মিয়া বা তার পরিবারের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রূপগঞ্জ থানা পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মুজাম্মেল হকের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এলাকায় বড় ধরনের সংঘর্ষ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে।

আলোচিত খবর

পবিত্র ঈদুল আজহায় ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা, ২৩ মে।শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিসে ৭ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এই ছুটি থাকছে। তবে ঈদের আগে সাপ্তাহিক ছুটির মধ্যে আগামীকাল শনিবারের ২৩ মে ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ঈদের ছুটি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঈদুল আজহা উপলক্ষে আগামী ২৫ মে (সোমবার) থেকে ৩১ মে রোববার পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। এর আগে ২৩ মে শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন ও পরদিন ২৪ মে রোববার অফিসগুলো খোলা থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ