আজঃ শুক্রবার ১০ জুলাই, ২০২৬

পাষণ্ডদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে প্রকাশ্যে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলাতে হবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চমেকে ধর্ষণের শিকার তিন শিশুকে দেখতে যান চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন দুই দিনে তিন শিশুকে ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি থাকা তিন শিশুকে দেখতে যান চসিক মেয়র। এ সময় কর্মজীবী নারীদের সন্তানদের সুরক্ষায় চট্টগ্রামে একটি বড় কেন্দ্রীয় ডে-কেয়ার সেন্টার করার ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি প্রতিটি তৈরি পোশাক কারখানায় (গার্মেন্টস) ডে-কেয়ার সেন্টার বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানান মেয়র।

মেয়র বলেন, তিন-চার বছরের মাসুম বাচ্চাদের ফুসলিয়ে, চকলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে কেউ না কেউ নিয়ে যাচ্ছে। এটি একদিকে আমাদের সমাজের তীব্র নৈতিক অবক্ষয়, অন্যদিকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক। ২০-৩০ টাকা দিয়ে ছোট শিশুদের একা একা দোকানে পাঠানো উচিত নয়, কারণ এই সুযোগেই ওত পেতে থাকা অপরাধীরা এ ধরনের জঘন্য কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে।
হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারের (ওসিসি) তথ্যের বরাত দিয়ে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গত ৮ বছরে চট্টগ্রামে ১২ বছরের নিচে ৪২২টি শিশু নির্যাতনের ঘটনার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকে রিপোর্ট না করায় প্রকৃত সংখ্যা আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।শিশু নির্যাতন ও ধর্ষকদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে আইন সংশোধনের দাবি জানান মেয়র।

মেয়র বলেন, আইন সংশোধন করে এই ধরনের পাষণ্ডদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সাত দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলাতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করার সাহস আর কেউ না পায়।
দেশের অর্থনীতি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে নারী গার্মেন্টস কর্মীদের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মেয়র বলেন, মায়েরা যখন দিন-রাত কষ্ট করে অর্থ জোগান দিচ্ছেন, তখন তাদের সন্তানরা অনিরাপদ থাকা রাষ্ট্র ও সমাজের জন্য লজ্জাজনক।গার্মেন্টস মালিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এত টাকা ইনভেস্ট করা হলেও একটি ডে-কেয়ার সেন্টার করা তাদের জন্য কোনো বিষয়ই না। বাণিজ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে মেয়র বলেন, গার্মেন্টসগুলোর বিভিন্ন রিকোয়ারমেন্টের (অনুমোদন) ক্ষেত্রে ডে-কেয়ার সেন্টার থাকাকে যেন বাধ্যতামূলক শর্ত করা হয়।

গত বছরের বর্ষাকালের একটি মর্মান্তিক ঘটনার স্মৃতিচারণ করে মেয়র বলেন, হালিশহরে এক গার্মেন্টস কর্মীর সাড়ে তিন বছরের শিশু দেখাশোনার কেউ না থাকায় একা নিচে খেলতে গিয়ে ড্রেনে পড়ে মারা গিয়েছিল। এ ধরনের দুর্ঘটনা ও অপরাধের দায় এড়ানো সমাজের কারও পক্ষেই সম্ভব নয়।

চট্টগ্রামের ১৫টি থানার সুবিধাবঞ্চিত ও কর্মজীবী মায়েদের শিশুদের সুরক্ষায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে একটি বড় কেন্দ্রীয় ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করার প্রতিশ্রুতি দেন মেয়র। নগরের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের সহায়তায় চসিক এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করবে বলে তিনি জানান।
এদিকে চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. তসলিম উদ্দীন বলেন, তিনটি শিশুই বর্তমানে সুস্থ আছে এবং স্বাভাবিকভাবে খাওয়া-দাওয়া করছে। মেয়রের নির্দেশনা অনুযায়ী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যয় বহন করছে।

শিশুরা বয়সে অত্যন্ত ছোট হওয়ায় ঘটনার ভয়াবহতা পুরোপুরি বুঝতে পারছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভুক্তভোগী ও তাদের স্বজনরা যাতে এই মানসিক ট্রমা থেকে দ্রুত বের হয়ে আসতে পারেন, সেজন্য চিকিৎসকেরা নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
প্রসঙ্গত, গত দুই দিনে চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, বায়েজিদ ও খুলশী এলাকায় অন্তত তিনটি শিশু ধর্ষণ ও ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাছ উপড়ে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সঞ্চালন লাইন চট্টগ্রামে বিদ্যুৎহীন বিভিন্ন উপজেলা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।কোথাও টানা দুইদিন, আবার কোথাও তিনদিন ধরে বিদ্যুৎহীন রয়েছে অনেক গ্রাম। এতে জনজীবনের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে তারা পড়াশোনা, অনলাইনে প্রয়োজনীয় নোট সংগ্রহ এবং পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হিমশিম খাচ্ছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার ৭১ হাজার ১১৬ জন পরীক্ষার্থী চরম বিপাকে পড়েছে।

জানা গেছে, কোথাও গাছ উপড়ে বিদ্যুতের লাইনের ওপর পড়েছে, কোথাও খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আবার কোথাও তার ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে বলে জানান বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা।
তারা বলছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামতের কাজ চলছে।দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত লাইন দ্রুত মেরামত করে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র, সাবস্টেশন ও বিতরণ লাইনের অবস্থা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং মাঠে একাধিক টেকনিক্যাল টিম কাজ করছে।জানা গেছে, চট্টগ্রামের আনোয়ারা, চন্দনাইশ, বাঁশখালী, পটিয়া, বোয়ালখালী, সন্দ্বীপ, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান ও ফটিকছড়িতে বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া উত্তর চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ, রাঙ্গুনিয়া ও ফটিকছড়ির, সাতকানিয়ার বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ায় ৩৩ কেভি প্রধান সঞ্চালন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা লাইন মেরামতের কাজ চালিয়ে গেলেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হচ্ছে না।সাতকানিয়া উপজেলায় গত বুধবার সকাল থেকে পল্লী বিদ্যুৎ ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। টানা ভারী বর্ষণ, জলাবদ্ধতা ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় উপজেলার পৌরসভাসহ ১৭টি ইউনিয়নের জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অধিকাংশ বাড়িতে মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, পাওয়ার ব্যাংকসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রের চার্জ শেষ হয়ে গেছে। জেনারেটরে চার্জ দিয়ে বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। সড়কে হাঁটু সমান পানি মাড়িয়ে বাজারে যাওয়াও সম্ভব হচ্ছে না।আনোয়ারার বটতলী এলাকার বাসিন্দা মো. মামুনুল করিম জানান, ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎহীন ছিলাম। মোবাইলে ছিল না নেটওয়ার্ক। বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎ এসেছে।

চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার নুর মোহাম্মদ বলেন, টানা ভারী বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় অনেকগুলো লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার কারণে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী ও লাইনম্যানরা ঝুঁকি নিয়ে মাঠে কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত লাইন দ্রুত মেরামত করে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় পানি জমে গেছে বা এখনও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে, সেখানে নিরাপদ পরিবেশ না পাওয়া পর্যন্ত মেরামতকাজ ব্যাহত হচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি সব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে। এখন আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত সব লাইনে মেরামত পর্যায়ক্রমে চলছে।

সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে ২১ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযানে প্রায় ২১ লাখ টাকার ভারতীয় মাদক, মাদকদ্রব্য ও চোরাচালানি পণ্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। অভিযানের সময় কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন (৪৭ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার দিবাগত রাতে চল্লিশপাড়া, রামকৃষ্ণপুর, আশ্রায়ন, প্রাগপুর ও শেওড়াতলা বিওপির টহল দল পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে মালিকবিহীন অবস্থায় ১৯ বোতল ভারতীয় মদ, ৮ কেজি ৮০০ গ্রাম ভারতীয় গাঁজা, ৪ হাজার ৩৫০ পিস ডেক্সামেথাসন ট্যাবলেট, ৩ হাজার ৯০০ পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট এবং ৪০৫ প্যাকেট ভারতীয় পাতার বিড়ি উদ্ধার করা হয়।বিজিবি জানায়, উদ্ধার হওয়া মাদক ও চোরাচালানি পণ্যের মোট সিজার মূল্য ২১ লাখ ৬ হাজার ৫৭৫ টাকা।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ