আজঃ শনিবার ৬ জুন, ২০২৬

খেলাধুলাই পারে তরুণদের বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে-যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রতীক্ষিত ‘পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম’-এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টায় উপজেলার কচুয়াই ইউনিয়নের চক্রশালা, জলুয়ার দীঘিরপাড় এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনের সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানুর রহমান, পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক, পটিয়া পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগর, পটিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলম, পৌরসভা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মইনুল আলম ছোটন। এছাড়াও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ক্রীড়া সংগঠক, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার কয়েক শতাধিক মানুষ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুল হক বলেন, “বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়নে যারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন এবং যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আজ এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সম্ভব হয়েছে, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

তিনি আরও বলেন, “সুস্থ দেহ ও সুস্থ মনের জন্য খেলাধুলার বিকল্প নেই। এই স্টেডিয়ামটি আমাদের যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও বিপথগামিতা থেকে দূরে রেখে একটি সুন্দর, স্বাস্থ্যকর ও শৃঙ্খল জীবন গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই স্টেডিয়াম শুধু পটিয়ার নয়, পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে। এখানে অনুশীলনের সুযোগ পেয়ে আগামী দিনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় গড়ে উঠবে, যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।”

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই মিনি স্টেডিয়াম বাস্তবায়িত হলে পটিয়ার তরুণ-যুবকদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া চর্চার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি দক্ষিণ চট্টগ্রামে ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন প্রতিভা বিকাশে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্থানীয়দের মতে, পটিয়া মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হলে এ অঞ্চলের ক্রীড়াপ্রেমী তরুণদের জন্য একটি আধুনিক ও মানসম্মত অনুশীলন কেন্দ্র গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলাকে ঘিরে ভাঙ্গুড়ায় ব্রাজিল সমর্থকদের শোভাযাত্রা; হেক্সা জয়ের প্রত্যাশা ব্রাজিল ভক্তদের

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় ক্রীড়া আসর ফুটবল ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনায় ব্রাজিল ফুটবল দলের জার্সি ও পতাকা নিয়ে নানা রঙেঢঙে নেচে-গেয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার ব্রাজিল সমর্থকরা। সমর্থকদের কণ্ঠে ছিল ৬ষ্ঠ বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রত্যয়।

শুক্রবার ৫ জুন বিকেলে ভাঙ্গুড়া উপজেলার সরকারি হাজী জামাল উদ্দিন ডিগ্রি অনার্স কলেজ চত্বর থেকে ব্রাজিল ভক্ত ফুটবল খেলোয়াড়দের শোভাযাত্রা বের হয়ে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে রাজনৈতিক নেতা–কর্মী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, সংবাদকর্মী সহ বিভিন্ন বয়সী যুবক ও শিশুরাও ব্রাজিল দলের জার্সি পরে এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন। এ সময় রাস্তার পাশে বিভিন্ন দোকান,বাসাবাড়ি ও পথচারীরা হাত নেড়ে শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা ও সমর্থন জানান।

ভাঙ্গুড়া পৌর ফিটনেস ক্লাবের আয়োজনে শোভাযাত্রায় ব্রাজিলের সমর্থক হিসেবে ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার, পাবনা জেলা কৃষক দলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও ভাঙ্গুড়া উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আখিরুজ্জামান মাসুম, পৌর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক আরিফুজ্জামান আজিম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হুমায়ুন আহমেদ মুন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ, ব্রাজিল ভক্ত হাফিজ আল-আফ্রিদী, হিরো খান, আদদান বাপ্পী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ, তরুণ-যুবক সহ ব্রাজিল সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

ফুটবল-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়; বরং আবেগ, উৎসব ও ঐক্যের প্রতীক। ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রতিটি গ্রাম, পাড়া, মহল্লা, চায়ের দোকান কিংবা বাসা বাড়িতে মানুষ মেতে উঠেছে রেকর্ড ৪৮ টি দেশ নিয়ে প্রথম ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের উন্মাদনায়।এই শোভাযাত্রা শুধু উৎসব নয়,এই শোভাযাত্রার পেছনে আছে একটি সচেতন উদ্যোগও।এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হবে বলে বিশ্বাস আয়োজকদের।

ব্রাজিল ভক্ত ফুটবল শোভাযাত্রার অন্যতম আয়োজক ভাঙ্গুড়া পৌরসভার চৌবাড়ীয়া মাষ্টার পাড়া এলাকার অত্যান্ত আনন্দ প্রিয় ক্রীড়া সংগঠন, ব্রাজিল ভক্ত, প্রথম শ্রেণির ফুটবল খেলার পরিচালক,সাহসী কন্ঠস্বর সাংবাদিক শেখ সাখাওয়াত হোসেন জানান,আমরা বাংলাদেশ কে যেমন হৃদয়ে লালন করি। তেমনি ব্রাজিল এর খেলোয়াড়দের ফুটবল নৈপুণ্য ও কারিশমা সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ব্রাজিল সমর্থকদের একত্রিত করে এই শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি সুস্থ বিনোদন ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখাও এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। আসা করছি ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩ তম আসরে প্রায় ২২ কোটি (২১ কোটি ৩৫ লাখ) মানুষের দেশ ব্রাজিল-ই চ্যাম্পিয়ন হবে।

ভাঙ্গুড়া উপজেলার প্রবীণ ব্রাজিল ফুটবল দলের সমর্থক প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক বলেন, ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের ফুটবল খেলা কে মনেপ্রাণে ভালোবাসি। নান্দনিক ফুটবলের জনক ও শৈল্পিক ফুটবলের জাদুকর রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আমাদের ভালবাসার দল ব্রাজিল। ব্রাজিল দলের প্রতি আমাদের ভালোবাসা জানাতে আজকের এই আনন্দ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংসকারীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্র গঠনে ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে। মন্ত্রী শুক্রবার চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও স্বাধীনতা কমপ্লেক্স পরিদর্শন পরবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে তাঁর অবদান দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্বাধীনতা কমপ্লেক্স প্রসঙ্গে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ করা হয়েছিল, যা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পুনরায় এর নাম ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়া। পরবর্তীতে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা,সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তম, সেনাপ্রধান ও সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর নাম ও অবদান ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এসব স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে, তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। সরকার এসব স্থাপনা পুনর্গঠন করে জনগণের জন্য আবার উন্মুক্ত করবে।

দেশের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সামান্য মূল্য সমন্বয়কে কেন্দ্র করে দেশে যে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে, তা অযৌক্তিক। সকলকে দেশপ্রেমিক হতে হবে, কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি বা গণতন্ত্রহীনতার দিকে আমরা যেতে চায় না। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি।

তিনি আরো উল্লেখ করে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যা এগিয়ে নিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন।পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

আলোচিত খবর

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

তিনি আগামী এক বছর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন।
৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদের নির্বাচনে সর্বমোট ১৯০টি দেশ অংশ নেয়। এরমধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকৌরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ