ত্রাণী বিতরণকালে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক

বন্যা পরিস্থিতিতে নিরাপদ সুপেয় পানির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম বলেছেন, চট্টগ্রাম ওয়াসা শুধু নিরাপদ পানি সরবরাহকারী একটি প্রতিষ্ঠান নয়, বরং মানুষের সংকটে পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্বও বটে। আজকের এই ত্রাণসামগ্রী বিতরণ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও লাঘব করবে-এটাই আমাদের প্রত্যাশা। আমরা বিশ্বাস করি, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত উদ্যোগই সবচেয়ে বড় শক্তি। তিনি শুক্রবার বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম ওয়াসার পক্ষ থেকে বন্যা দুর্গতদের মাঝে চট্টগ্রাম নগরীর বেবি সুপারস্থ হাসমিকেল মোড় সংলগ্ন পূর্ব নাসিরাবাদ আব্দুল জলিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে এসব কথা বলেন।

ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরো বলেন, বন্যা পরিস্থিতিতে নিরাপদ সুপেয় পানির গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি। তাই চট্টগ্রাম ওয়াসা প্রয়োজনীয় সহায়তা ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।তিনি এ সময় সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

ত্রাণ সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম ওয়াসার প্রধান প্রকৌশলী মাকসুদ আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল আমিন, মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম, মো: নজরুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ রেজাউল আহসান চৌধুরী, সৌমিত পাল, আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাকের, মুহাম্মদ শাহাবুদ্দিন, এ এস এম আতিয়ার রহমান, রিচার্ড নেলসন পিনারু, রুমেন সেন, সাইফুল ইসলাম, মো: ওমর ফারুক, সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আবু বক্কর সিদ্দিক, পলিটিক্যাল রিপোর্টার্স ইউনিটি পিআরইউ’র আহ্বায়ক ও দৈনিক দিনকাল চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ হাসান মুকুল, এ্যাব নেতা প্রকৌশলী রফিকুন নবী , চুয়েটের সাবেক ভিপি সিরাজুল ইসলাম, প্রকৌশলীকামরুজ্জামান, ইমদাদুল হক শাহিন, আবুল বাশার, সায়েম শাহীন,স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শায়েস্থা উল্লাহ চৌধুরী, জমির উদ্দিন নাহিদ, আব্দুল হাই, জহিরুল ইসলাম জহির, সাজ্জাদ হোসেন খাঁন প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুজনের মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ দুজন মৃত্যুর কাছে হার মেনেছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে তারা রাতে মারা গেছেন। এই ঘটনায় আশঙ্কাজনক আরও তিনজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। মারা যাওয়া দুজন হলেন দিদারুল আলম (৩২) ও মো. আলম (৪৫)। দিদারের বাড়ি বোয়ালখালী আর আলম পটিয়ার হুলাইনের বাসিন্দা। দিদারের শরীরের ৯০ ভাগ ও অপরজনের ৬৫ ভাগ পুড়ে গেছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার বোয়ালখালীর কনফিডেন্স লবণ কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ১০ জন দগ্ধ হয়েছিলেন। বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে আগুন লাগে। আহতদের প্রথমে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চমেক হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস খালেদ জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিদার ও আলম মারা যায়। তিনজন আইসিইউতে আছে। তারা হলেন মাহমুদুল হক, উজ্জ্বল ও নূর নবী।
যে তিনজন আইসিইউতে চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। এই তিনজনের শরীরের ৬০ থেকে ৬৫ ভাগ পুড়ে গেছে। অপর তিনজনকে কারখানা কর্তৃপক্ষ ঢাকায় নিয়ে গেছে। ওই তিনজনেরও শরীরের ১৫ থেকে ৪০ ভাগ পুড়ে গেছে। তারা হলেন লিটন, জাহিদ ও সেলিম।

বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের আওতাধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে বন্যা পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের আওতাধীন এইচএসসি ও সমমান, আলিম ও এইচএসসি (বিএমটি-ভোকেশনাল) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্সের অবশিষ্ট সব পরীক্ষা স্থগিতে করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ