চট্টগ্রামের কোতোয়ালীতে ১৯ মামলার আসামি দুলাল গ্রেফতার

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ১৯ মামলার আসামি সালাহ উদ্দীন দুলাল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানা পুলিশের অভিযানে তকে গ্রেফতার করা হয়। সালাহ উদ্দীন দুলাল খাতুনগঞ্জ আমির মার্কেট এলাকার মফজল আহাম্মদের ছেলে।

অভিযানে নেতৃত্ব দানকারী কোতোয়ালী থানার এসআই মো. সেকান্তর মিয়া জানান, কোতোয়ালী থানায় অস্ত্র আইনের মামলায় পরোয়ানাভুক্ত আসামি দুলাল। তার বিরুদ্ধে ছিনতাই, অস্ত্র, ডাকাতির চেষ্টা ও মাদক মামলাসহ মোট ১৯টি মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। তাকে আদালতে পাঠানো হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশের ওপর আর কোনো তাবেদারি চলবে না : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের ওপর আর কোনো তাবেদারি চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, ২০২৪’এর জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান যদি কেউ বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে সেই ধারণাটা শুধু ভুলই নয়, বিভ্রান্তিমূলক। গণঅভ্যুত্থানের দাবিদার একক কেউ নয়, এই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত মালিক বাংলাদেশের ১৮ কোটি জনগণ।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে ‘ফ্যাসিবাদ, জুলাই বিপ্লব ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন যৌথভাবে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ শাহ্ নওয়াজের সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ ও যুগ্ম সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ আরিফের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নসরুল কদির, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এম এ আজিজ, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট তারিক আহমদ, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, আহত জুলাই যোদ্ধা চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আব্দুস সাত্তার প্রমুখ। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, যেদিন দেশের মানুষ মনে করেছে এই নির্যাতন দুঃশাসন আর নয়, এই স্বৈরাচারী সরকারের অধীনে থাকা আর নয়, আর নয় কোন পার্শ্ববর্তী দেশের তাঁবেদারি করা, সেদিনই গণঅভ্যুত্থানের চূড়ান্ত ফলাফল এসেছে।

ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল বলেন, দীর্ঘ ১৫ বছরের আওয়ামী দুঃশাসন জগদ্দল পাথরের মত বাংলাদেশের উপর চেপেছিল। বিএনপির নেতাকর্মী-সমর্থকদের গুম-খুন-হত্যা-পাশবিক নির্যাতন ও মিথ্যা মামলা দিয়ে অত্যাচার করেছে। একই সাথে বিরোধী মতের সাংবাদিকসহ সব পেশার লোকদেরকে বর্বরোচিতভাবে অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, তারই একটি বিস্ফোরণ হচ্ছে জুলাই-আগস্টের সেই গণঅভ্যুত্থান।তিনি বলেন, কাউকে রাষ্ট্রক্ষমতা কিংবা সরকারে বসানোর জন্য নয়। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দাঁড়ানোর জন্যই এই বিপ্লবটা প্রয়োজন ছিল। তার প্রমাণ আপনারা দেখেছেন, যেদিন বাংলাদেশের এক ফেরারি ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামি ভারতে বসে নির্লজ্জভাবে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য প্রেস কনফারেন্স করেছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাথে সাথে খুবই কঠোর ভাষায় প্রতিবাদ করেছে।

ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই বাংলাদেশের জন্যই আমরা যুদ্ধ করেছি। আর কোন তাঁবেদারি ও খবরদারি চলবে না বাংলাদেশের উপর। বাংলাদেশ চলবে একটা নীতি মাথায় নিয়ে, সেটা হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। তিনি বলেন, আজকে কে এক দফার ঘোষণা দিয়েছে, কে দুই দফার ঘোষণা দিয়েছে, কার কত ক্রেডিট এগুলো নিয়ে আলাপ করতে করতে স্বৈরাচার এই সাহস দেখাতে চায়, ডিসেম্বরে কিংবা নভেম্বরে ফেরত আসবে। আমরা তো চাই ফেরত আসুক, ফেরত আসতেই হবে, গত ১৭ বছরসহ জুলাই-আগস্টে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন, গুম করেছেন- আপনাকে তার বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে বাংলাদেশে। কোন ক্যাঙ্গারো কোর্ট বা বিশেষ আদালতও করব না। বাংলাদেশের প্রচলিত আইনেই ইনশাআল্লাহ বিচার হবে। এবং যদি প্রমাণিত হয় ফাঁসির কাস্টেও চড়তে হবে।

মীর হেলাল বলেন, নিজের দলের নেতাকর্মীদের না বলে আত্মীয়-স্বজন পরিবার-পরিজন নিয়ে পালিয়ে গিয়েছেন। স্বৈরাচার আমলের ক্ষমতার উচ্ছিষ্টভোগীরাও পালিয়েছে। পালিয়ে যাওয়া এইসব সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীদের কারণে ৯০ ভাগের বেশি নেতাকর্মী এখন বাংলাদেশে মানবেতর জীবন যাপন করছে। যদি ধারণা করেন, এই নেতাকর্মী আপনাদের ডাকে মাঠে নামবে, এটা বোকার স্বর্গে বাস করা ছাড়া আর কিছু না।

নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা নওফেলের চশমা হিলের বাসভবনে ফের অগ্নিসংযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানার চশমা হিল এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বাসভবনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় কারা জড়িত তা তদন্ত করছে পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল বাসভবনের ভেতরে পেট্রোলবোমাসদৃশ বস্তু নিক্ষেপ করলে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন।বর্তমানে বাসভবনটি খালি অবস্থায় রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দুই বছরে চশমা হিলের এই বাসভবনে এটি নিয়ে চার দফা হামলার ঘটনা ঘটল। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় প্রথম দফায় হামলা হয়। একই বছরের ৫ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এরপর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তৃতীয় দফায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ এ ঘটনায় বাড়িটিতে আবারও আগুন দেওয়া হলো।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ জনের একটি দল বাসার ভেতরে পেট্রোল বোমাসদৃশ বস্তু নিক্ষেপ করে। পরে আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

আলোচিত খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামে আসছেন, যোগ দেবেন ৫ কর্মসূচিতে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার চট্টগ্রাম আসছেন তারেক রহমান। বন্দরনগরীর বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাংগঠনিক মতবিনিময় করারও সুযোগ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রামের নেতাকর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দিপনা লক্ষ করা যাচ্ছে। আগামীকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রী বন্যাদুর্গতদের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে চট্টগ্রামে আসবেন। এ সফরে দলের নেতাকর্মীদের বাইরে হেফাজতে ইসলামের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও তিনি একটি বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বললেন, ‘বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নিতে প্রধানমন্ত্রী একদিনের সফরে চট্টগ্রামে আসছেন। সফরসূচি অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে কক্সবাজারের মহেশখালীতে এসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকারি কয়েকটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। দুপুর ১২টায় হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় পৌঁছাবেন। বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

দুপুর ১টায় ফটিকছড়ি উপজেলায় আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের আমীর শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারী উপজেলার আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমীর শাহ আহমদ শফির কবর জেয়ারত করবেন।
এরপর হাটহাজারী উপজেলায় যাবেন তারেক রহমান।

হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ পরিবারকে স্থানীয় সংসদ সদস্য ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকা করে অনুদান দেবেন প্রধানমন্ত্রী। ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে দেবেন ১০ হাজার টাকা করে।
হাটহাজারী থেকে নগরীতে ফিরে প্রধানমন্ত্রী উঠবেন পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লু বে ভিউতে। সন্ধ্যায় হোটেলের হলরুমেই হবে বিএনপির সাংগঠনিক সভা। রাত ৯টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন তিনি।


চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান জানালেন, ‘সভায় নগর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সবাই থাকবেন। থানা ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিটি থেকে তিন থেকে পাঁচজন করে নেতা উপস্থিত হবেন। আহ্বায়ক কমিটিতে নেই এমন কয়েকজন সিনিয়র নেতা ও চট্টগ্রামের সকল সংসদ সদস্য যোগ দেবেন এতে।’
প্রত্যেক সহযোগী সংগঠনের নগর কমিটি থেকে দুইজন করে নেতাকে সভায় যোগ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির নেতারা সভায় অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ