আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

তিস্তার সব জলকপাট খোলা, স্থানীয়দের নদীতীর থেকে সরে যেতে প্রশাসনের মাইকিং।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবো জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় তিস্তা নদীর পানি বেড়ে ডালিয়া ও দোয়ানি পয়েন্টে বিপৎসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে কাউনিয়া পয়েন্টে এখন পানি বিপৎসীমার নীচেই রয়েছে। এরই মধ্যে তিস্তা পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

রংপুর ছাড়াও লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা তিস্তার তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা করছে স্হানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড( পাউবো)

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের বরাত দিয়ে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্ট পাউবো জানায়, ভারতের উত্তর সিকিমে তিস্তা নদীর চুংথাং ড্যাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ভারতীয় আবহাওয়া সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ভারতের সিকিম অঞ্চলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তা নদীর ডালিয়া ব্যারেজ পয়েন্টে বিপৎসীমার (৫২ দশমিক ১৫ মিটার) ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিকাল ৪টায় এটি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। রাত অবধি তা বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার উপর পর্যন্ত উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে তিস্তা নদীর রংপুর কাউনিয়া পয়েন্টে বেলা ৩টার তথ্য অনুযায়ী, সমতল ২৮ দশমিক ২৮ মিটার (বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার নিচে) প্রবাহিত হচ্ছিল। তবে বৃহস্পতিবার ভোর নাগাদ তা বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাউবো রংপুরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মাহবুবর রহমান বলেন, “উজানে ভারি বর্ষণের কারণে তিস্তাসহ আশপাশের নদীগুলোতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাইকিং করে সতর্কতা জারি করে নিম্নাঞ্চলের মানুষকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা মানুষকে সচেতন করছি। কোথাও কোনো সমস্যা হলে পাউবো বোর্ড তা মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। তিস্তা ব্যারাজের ফ্লাড বাইপাস দিয়ে মানুষজনের চলাচলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

এদিকে সকাল থেকে বৃষ্টির ফলে আগাম জাতের আমন ধান তিস্তার চরে কেটে রাখায় বিপাকে পড়েছে মানুষ। বন্যার খবর শোনার পর থেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেটে রাখা ধান চর থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন চাষিরা। পাশাপাশি কাটতে না পারা আমন ধান ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদি বলেন, “আমরা নদী তীরবর্তী মানুষদের নিরাপদ আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার জন্য মাইকিং করছি।”

গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদ তামান্না বলেন, তিস্তা পাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে যাওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। বন্যা মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

পাউবো নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টের প্রকৌশলী আসফাউদদৌলা বলেন, “ভারতের উত্তর সিকিমে লোনক হ্রদে ভারি বৃষ্টির জেরে তিস্তা নদীর পানি প্রবল বেগে ভয়াবহ ঢল নেমে আসছে। এর ফলে সিকিমের সঙ্গে ভারতের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। হড়কা বান (আকস্মিক বন্যা) বলা হচ্ছে এটিকে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

তাপমাত্রা কোথাও কোথাও নামতে পারে ৫-৭ ডিগ্রিতে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে শৈত্যপ্রবাহ আগামী কয়েক দিনে আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃত্রিম ভূ-উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ পূর্বাভাস দিয়েছেন।

আবারও তাপমাত্রা কমে ১২ জেলার উপর শৈত্যপ্রবাহ নিজের ফেসবুক পোস্টে আবহাওয়াবিদ পলাশ জানান, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। সকাল ৬টার দিকে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও লেখেন, আগামী শনিবার ১০ জানুয়ারি ও রোববার ১১ জানুয়ারি শৈত্যপ্রবাহ আরও তীব্র হতে পারে। এ সময় রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে।

পোস্টে উল্লেখ করা তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল ৬টায় রাজশাহী জেলায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা ও গোপালগঞ্জে ৭ ডিগ্রি, যশোরে ৭ দশমিক ৪ ডিগ্রি, পঞ্চগড়ে ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি এবং ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।আবহাওয়াবিদ পলাশ জানান, বুধবার সকাল ৬টার মধ্যে দেশের ৮ বিভাগের মধ্যে ৫টি বিভাগের ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে।

যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি আকার ধারণ করেছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে যশোরে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো । এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে হাড়ে কাঁপন লেগেছে।

যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

যশোরের শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কৃষক বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চলছে। ক্ষেতে সেচ চলছে। জমির পাক শেষ হলেও রোপনের জন্য শ্রমিক মিলেছ না প্রচন্ড শীেেতার জন্য। একই গ্রামের দিনমুজুর বাবুল হোসেন বলেন, আমি ক্ষেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চললেও ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

নাভারন এলাকার রিকশা ভ্যানচালক আবুল হাসান বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি। গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা। মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস

ইয়ানূর রহমান : যশোরে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের ফলে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। দু’দিনের ব্যবধানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ মাঝারি আকার ধারণ করেছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে দু’দিন যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও রেকর্ড করা হয়েছে।

যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, যশোরাঞ্চলে পৌষের দ্বিতীয় সপ্তাহেই ব্যারোমিটারের পারদ নেমে গেছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। শুরু হয় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) যশোরের তাপমাত্রা নেমে যায় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওইদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। এর আগে যশোরে শুক্রবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিলো । এরপর গত তিনদিন তাপমাত্রার ব্যারোমিটারের পারদ সামান্য উর্ধ্বমুখি হলেও শীত কমেনি। বরং সূর্যের দেখা না মেলায় কুয়াশা আর উত্তরের বাতাসে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

আবহাওয়া অফিস আরও জানায়, যশোরে এখন মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। বুধবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় গোপালগঞ্জে, ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যশোরে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বিরাজ করছে কুয়াশা ও বাতাসের দাপট। দুইয়ে মিলে হাড়ে কাঁপন লেগেছে।

যশোরাঞ্চলের উপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীতের কারণে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকান্ড ব্যহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট, মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জুবুথুবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড় কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। শীতের কারণে সারা দিনই গরম পোশাক পরে মানুষজনকে চলাচল করতে দেখা যায়।

তবে শৈত্যপ্রবাহ হলেও ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই শ্রমজীবী মানুষের। যশোর শহরের লালদীঘি পাড়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। প্রচন্ড শীতে সেই সংখ্যা অর্ধেকে এসে দাঁড়িয়েছে। তবে তারপরও কাজ না পাওয়ায় অনেকেই বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। কিছু মানুষ অনেক বেলা অবধি অপেক্ষা করছেন কাজের আশায়।

যশোরের শার্শার দক্ষিন বুরুজ বাগান গ্রামের কৃষক বলেন, শীতে ঘরের বাইরে যাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু না যেয়ে তো উপায় নেই। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চলছে। ক্ষেতে সেচ চলছে। জমির পাক শেষ হলেও রোপনের জন্য শ্রমিক মিলেছ না প্রচন্ড শীেেতার জন্য। একই গ্রামের দিনমুজুর বাবুল হোসেন বলেন, আমি ক্ষেতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করি। এখন ইরি-বোরো রোপনের মৌসুম চললেও ঠান্ডা পানিতে নেমে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না। শীতের ভিতরে অনেক কষ্ট হচ্ছে।

নাভারন এলাকার রিকশা ভ্যানচালক আবুল হাসান বলেন, শীতে ঘরে থেকে মানুষ বের হচ্ছে খুবই কম। এজন্য যাত্রী পাচ্ছি না। আয় রোজগারও কমেছে। খুবই কষ্টে দিন পার করছি। গায়ে কাঁপন ধরানো ঠান্ডায় মানুষের পাশাপাশি প্রাণিকূলেরও জবুথবু অবস্থা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ