আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ফ্রি-ল্যান্সিং বেকারত্ব সমস্যা দূর করে

ফ্রি-ল্যান্সিং করে প্রতিষ্ঠিত যুবায়ের প্রতিমাসে আয় করছেন লাখ টাকা

এস এম আলমগীর চাঁদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বেকারত্ব সমস্যা অন্যতম সমস্যা । দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে এসে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে । বাংলাদেশ ও এর ব্যাতিক্রম নয় ।বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও একটা কাজের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অনেক শিক্ষিত বেকার। অনেক কেই দুর্বিষহ জীবন যাপন করতে হচ্ছে চাকুরী নামক সোনার হরিণ টি হাতের নাগালে না পাওয়ার কারনে । মাগুরা জেলার বড়ো শলই এলাকার অধীবাসি আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস ও মমতাজ বেগম দম্পতির ছেলে যুবায়ের হোসেন তেমনি এক যুবক, যে সংসারের অভাব অনটনের কারনে চাকুরীর আশায় ঘুরেছেন দ্বারে দ্বারে । কিন্তু মেলেনি কোনও উপযুক্ত কাজ । দুই ভাই এক বোন সহ পাঁচ জনের পরিবারে দু বেলা দু মুঠো খাবার জুটত না । আর্থিক অনটনের কারনে এক সময় লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়ে যুবায়ের আলীর
এ সময় যুবায়েরের মনে পরিকল্পনা আসে বর্তমান প্রযুক্তির যুগে ফ্রি ল্যান্সিং করে অনেক বেকার যুবক যুবতী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ।
কিন্তু কাজটা এতটা সহজ ছিল না । এর জন্য দরকার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটার ।
কিন্তু সেটা কেনার সামর্থ্য তার পরিবারের ছিল না । অবশেষে যুবায়েরের মা তার গলার চেইন বিক্রি করে দেন ছেলের কম্পিউটার কেনার আবদার পুরনের জন্য । মায়ের স্বর্ণের চেইন বিক্রি করা টাকায় কেনা হয় কম্পিউটার । প্রথমে তিনি ইউটিউব দেখে এবং প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বড়ো ভাইদের ধারনা নিয়ে তিনি শুরু করেন তার শখের ফ্রি ল্যান্সিং ।
পরবর্তীতে তিনি প্রশিক্ষণ এবং ইউটিউবের ভিডিও দেখে ফ্রি ল্যান্সার সম্পর্কে সব কিছু আয়ত্ত করেন ।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত ফ্রি ল্যান্সার যুবায়ের বলেন, বড়ো ভাইদের সহযোগিতায় প্রথমে তিনি শত টাকার কাজ দিয়ে শুরু করি ।তারপর ধীরে ধীরে বড়ো বড়ো কাজ আমার ভাগ্যে জুটতে থাকে । তারপর এই শাখায় ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে প্রায় দুই বছর সময় লেগে গেল ।
এখন তিনি দক্ষ ও প্রতিষ্ঠিত ফ্রি ল্যান্সার । মাসে আয় করেন লাখ টাকা । ফ্রি ল্যান্সিং থেকে আয়ের টাকায় যুবায়ের করেছেন বাড়ি, গাড়ি ।
জমিও কিনেছেন তিনি । যুবায়ের বর্তমানে মাগুরা বিহারীলাল শিকদার সরকারি মহাবিদ্যালযের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র । বেকার সমস্যা যেখানে প্রকট সেখানে যুবায়ের ফ্রি ল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত যুবকের এক জীবন্ত উদাহারন ।
বর্তমানে শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে, তাদের দক্ষ জনসম্পদে পরিনত করার উদ্দেশ্যে, দক্ষ ফ্রি ল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন অবিরাম।
ইতিমধ্যেই তার থেকে কাজ শিখে অনেকে ভাল আয় করছেন ।সফল ফ্রি ল্যান্সার যুবায়ের বলেন, আমি চাই দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকেরা শুধুমাত্র সরকারি চাকরির আশায় না ঘুরে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফ্রি ল্যান্সার হয়ে নিজে উদ্যোক্তা হয়ে কাজ করুক । তাহলেই বেকার সমস্যা অনেকাংশে লাঘব হবে । এবং বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঈদ উপলক্ষে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল আজহা-২০২৬ উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরে টানা আট দিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৬ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত বন্দরের আমদানি-রপ্তানি এবং সিএন্ডএফ কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তবে আগামী ৩ জুন থেকে পুনরায় স্বাভাবিক নিয়মে সব কার্যক্রম চালু হবে।

সোনামসজিদ আমদানি ও রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দিন ইতি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যৌথ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই ঈদের ছুটিকালীন সময় এ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হবে।তবে এ সময়েও সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে। ঈদের দিনসহ প্রতিদিনই ইমিগ্রেশন কার্যক্রম চালু থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা সোনামসজিদ পোর্ট লিংক লিমিটেডের অপারেশন ম্যানেজার কামাল খান জানান, ঈদের ছুটিতে মূল আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও লোড-আনলোড, গুদামজাতকরণ এবং পরিবহনসহ কিছু অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চালু থাকবে।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ