আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

ফ্রি-ল্যান্সিং বেকারত্ব সমস্যা দূর করে

ফ্রি-ল্যান্সিং করে প্রতিষ্ঠিত যুবায়ের প্রতিমাসে আয় করছেন লাখ টাকা

এস এম আলমগীর চাঁদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে বেকারত্ব সমস্যা অন্যতম সমস্যা । দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোতে এসে সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে । বাংলাদেশ ও এর ব্যাতিক্রম নয় ।বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেও একটা কাজের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অনেক শিক্ষিত বেকার। অনেক কেই দুর্বিষহ জীবন যাপন করতে হচ্ছে চাকুরী নামক সোনার হরিণ টি হাতের নাগালে না পাওয়ার কারনে । মাগুরা জেলার বড়ো শলই এলাকার অধীবাসি আব্দুস সাত্তার বিশ্বাস ও মমতাজ বেগম দম্পতির ছেলে যুবায়ের হোসেন তেমনি এক যুবক, যে সংসারের অভাব অনটনের কারনে চাকুরীর আশায় ঘুরেছেন দ্বারে দ্বারে । কিন্তু মেলেনি কোনও উপযুক্ত কাজ । দুই ভাই এক বোন সহ পাঁচ জনের পরিবারে দু বেলা দু মুঠো খাবার জুটত না । আর্থিক অনটনের কারনে এক সময় লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়ে যুবায়ের আলীর
এ সময় যুবায়েরের মনে পরিকল্পনা আসে বর্তমান প্রযুক্তির যুগে ফ্রি ল্যান্সিং করে অনেক বেকার যুবক যুবতী প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ।
কিন্তু কাজটা এতটা সহজ ছিল না । এর জন্য দরকার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটার ।
কিন্তু সেটা কেনার সামর্থ্য তার পরিবারের ছিল না । অবশেষে যুবায়েরের মা তার গলার চেইন বিক্রি করে দেন ছেলের কম্পিউটার কেনার আবদার পুরনের জন্য । মায়ের স্বর্ণের চেইন বিক্রি করা টাকায় কেনা হয় কম্পিউটার । প্রথমে তিনি ইউটিউব দেখে এবং প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বড়ো ভাইদের ধারনা নিয়ে তিনি শুরু করেন তার শখের ফ্রি ল্যান্সিং ।
পরবর্তীতে তিনি প্রশিক্ষণ এবং ইউটিউবের ভিডিও দেখে ফ্রি ল্যান্সার সম্পর্কে সব কিছু আয়ত্ত করেন ।
বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত ফ্রি ল্যান্সার যুবায়ের বলেন, বড়ো ভাইদের সহযোগিতায় প্রথমে তিনি শত টাকার কাজ দিয়ে শুরু করি ।তারপর ধীরে ধীরে বড়ো বড়ো কাজ আমার ভাগ্যে জুটতে থাকে । তারপর এই শাখায় ব্যাপক অভিজ্ঞতা অর্জন করতে প্রায় দুই বছর সময় লেগে গেল ।
এখন তিনি দক্ষ ও প্রতিষ্ঠিত ফ্রি ল্যান্সার । মাসে আয় করেন লাখ টাকা । ফ্রি ল্যান্সিং থেকে আয়ের টাকায় যুবায়ের করেছেন বাড়ি, গাড়ি ।
জমিও কিনেছেন তিনি । যুবায়ের বর্তমানে মাগুরা বিহারীলাল শিকদার সরকারি মহাবিদ্যালযের সম্মান দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র । বেকার সমস্যা যেখানে প্রকট সেখানে যুবায়ের ফ্রি ল্যান্সার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত যুবকের এক জীবন্ত উদাহারন ।
বর্তমানে শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে, তাদের দক্ষ জনসম্পদে পরিনত করার উদ্দেশ্যে, দক্ষ ফ্রি ল্যান্সার হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন অবিরাম।
ইতিমধ্যেই তার থেকে কাজ শিখে অনেকে ভাল আয় করছেন ।সফল ফ্রি ল্যান্সার যুবায়ের বলেন, আমি চাই দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকেরা শুধুমাত্র সরকারি চাকরির আশায় না ঘুরে উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ফ্রি ল্যান্সার হয়ে নিজে উদ্যোক্তা হয়ে কাজ করুক । তাহলেই বেকার সমস্যা অনেকাংশে লাঘব হবে । এবং বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হচ্ছে ১ কোটি ৩০ লাখ লিটার পাম ওয়েল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকিমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারীদের জন্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম ওয়েল এবং মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত পুনঃদরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম ওয়েল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পাওয়ার হাউস জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি থেকে এই তেল কিনতে ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

একই বৈঠকে জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে মসুর ডাল ক্রয়েরও প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ৮ হাজার টন ডাল সংগ্রহ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ২ হাজার টন ডাল কেনা হবে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ঢাকার গুলশানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইজ সার্ভিসেস লিমিটেড এই ডাল সরবরাহ করবে।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ