আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

আসছে উপজেলা নির্বাচন, সন্দ্বীপ উপজেলায় আলোচনায় যারা

পুষ্পেন্দু মজুমদার সন্দ্বীপ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি মাসের শেষে তফসিল আর মার্চ মাসে প্রথম ধাপে নির্বাচন হচ্ছে এমন ঘোষণায় তৎপরতা চালাচ্ছেন সন্দ্বীপ উপজেলার সম্ভাব্য উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-পর্যালোচনা। তবে এবার আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক থাকছে না উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে।
ইতোমধ্যেই চেয়ারম্যান পদে অন্তত ১২ জন সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম মুখেমুখে শোনা যাচ্ছে। আবার অনেকেই প্রার্থী হওয়ার কথা ঘোষণা দিয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীক তুলে নেয়ায় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীর সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সন্দ্বীপে আওয়ামী লীগ ছাড়া এখন পর্যন্ত বিএনপি, জাতীয় পার্টি বা জায়ামাত সমর্থিত অন্য কোনো প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে না। উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে সম্ভাব্য তালিকায় যাদের নাম শুনা যাচ্ছে তারা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা হলেন- উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনউদ্দীন মিশন,উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন বেদন, বর্তমান মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জেবুন নেসা চৌধুরী জেসি, সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ফোরকান উদ্দিন আহম্মেদ, সন্দ্বীপ পৌরসভার সাবেক মেয়র জাফর উল্ল্যাহ টিটু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ সভাপতি ১৫ নং মাইটভাংগা ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান, সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক সাহেদ সারোয়ার শামীম, সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ১৭ নং মগধরা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম আনোয়ার হোসেন, সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকারি কমিটির সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্রকলিন আ.লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম নজরুল, সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদের ৩ বারের সাবেক চেয়ারম্যান বর্ষিয়ান রাজনৈতিবিদ মাস্টার শাহাজাহান বিএ এর ছেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাদিম শাহ আলমগীর, বৃহত্তর ১১ নং মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের চেয়ারম্যান আবুল খায়ের নাদিম, গতবছর ২৩ জানুয়ারি সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদের তিনবারের সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার শাহাজাহান বিএ মৃত্যু বরণ করলে চেয়ারম্যান পদটি শুন্য হয়। একই বছরের ৯ এপ্রিল নির্বাচন কমিশন সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদের তফসিল ঘোষণা করে ২৫ মে নির্বাচন হয়। তখন চেয়ারম্যান পদে ১৮ জন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান, সে সময় ভাইস চেয়ারম্যান মাইনউদ্দীন মিশন কে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়া হয়। এবার আর থাকছে না দলীয় প্রতীক উনুক্ত থাকলে বাড়তে পারে প্রার্থীর সংখ্যা।

এদিকে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে আলোচনায় আছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাবেক ছাত্রনেতা দেলোয়ার হোসেন সন্দ্বীপি, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান ওমর ফারুক, গতবার সামান্য ভোটে হেরে যাওয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহিম জিল্লু, সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ দপ্তর সম্পাদক প্রনব মজুমদার, সন্দ্বীপ উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহফুজুর রহমান সুমন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তেমন কার ও নাম না শুনা গেলে ও লোকে মুখে প্রার্থী হতে পারেন বলে আলোচনা আছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক লুৎফর নেছা ও নারী নেত্রী ও উদ্যেক্তা সালেহা রুপসা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ