আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ঘূর্ণিঝড় রেমাল শরণখোলায় ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি, একহাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

মোঃ শাহাদাত হোসাইন, শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাট:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় রেমালে বাগেরহাটের শরণখোলায় ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গত ২৬ মে সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে প্রায় ১৭ ঘন্টা একটানা তান্ডব চালায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল। এতে উপজেলার রাজৈর গ্রামে ৩৫/১ পোল্ডারের নির্মানাধীন স্লুইজ গেট ভেঙ্গে প্রায় কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। রায়েন্দা বড়মাছুয়া ফেরীঘাটের সংযোগ সড়কের অস্তিত্ব নেই। পাশাপাশি ফেরীর স্টীল ব্রীজ উপড়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্য্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ঘুর্ণিঝড় রেমালে উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ব্যাপক গাছপালা উপড়ে যাবার পাশাপাশি এ উপজেলা দুর্গত মানুষের সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। ৬৫টি বাড়ি ঘর সম্পূর্ণ ও ১০৪০টি বাড়িঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত কোন লোকজন নিখোঁজ কিংবা উদ্ধার হবার খবর পাওয়া যায়নি। বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদ্য এইচএম বদিউজ্জামান সোহাগ দূর্গত এলাকা পরিদর্শণ করেছেন।

অন্যদিকে, দীর্ঘ প্রায় ১৭ ঘন্টা তান্ডব চালানো এ ঘুর্ণিঝড়ে সুন্দরবনে প্রায় ৭ থেকে ৮ ফুট জলোচ্ছাসে সুন্দরবনের দুবলার চর এলাকা প্লাবিত হওয়ায় স্রোতের টানে বন্যপ্রানী ভেসে যাবার খবর পাওয়া গেছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে হরিণ সহ বিভিন্ন প্রানীর মরদেহ ভাসতে দেখেছেন জেলেরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কেশবপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে কিশোর আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কেশবপুরে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জয়ন্ত বিশ্বাস (১৮) নামে এক কিশোরকে পুলিশ আটক করেছে। সোমবার দুপুরে কেশবপুরের সাগরদাঁড়ি গ্রামের মালোপাড়ায় এ ঘটনাটি ঘটে। জয়ন্ত বিশ্বাস ওই গ্রামের শ্যামল বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে জয়ন্ত বিশ্বাসের বাড়িতে চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই মেয়েটি (৯) টেলিভিশন দেখতে আসে। এ সময় মেয়েটিকে ফুসলিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি বাড়িতে গিয়ে কান্নাকাটি করে পরিবারের লোকদেরকে জানায়। পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে জানালে সাগরদাঁড়ি এলাকা থেকে পুলিশ জয়ন্ত বিশ্বাসকে আটক করে। শিশু মেয়েটি বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলার চিংড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শামীম হোসেন বলেন, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জয়ন্ত বিশ্বাসকে আটককরা হয়েছে। শিশু মেয়েটি পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

শার্শায় ৪ বছরের শিশুকে প্রলোভন দেখিয়ে নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যশোরের শার্শা পল্লীতে ৪ বছরের এক শিশুকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে নির্যাতনের চেষ্টার অভিযোগে আলম গাজী (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৩ মে) সকালে তাকে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আলম গাজী যশোর জেলার শার্শা উপজেলার স্বরুপদাহ গ্রামের জহর গাজীর ছেলে।

এ ঘটনায় শিশুর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শার্শা থানার মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ৪৭, তারিখ- ২৩ মে ২০২৬। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আলম গাজীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (২০ মে) সকালে স্বরুপদাহ গ্রামের আল আমিন ও সাথী দম্পতির ৪ বছরের কন্যা তাবাসসুম বাড়ির উঠানে খেলছিল। এ সময় প্রতিবেশী আলম গাজী শিশুটিকে “কাঠি ভাজা” খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি টংঘরে নিয়ে যায়।

অভিযোগ রয়েছে, সেখানে শিশুটির সঙ্গে অশালীন আচরণ ও নির্যাতনের চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয় এক নারী ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। পরে শিশুটি কান্নাজড়িত অবস্থায় বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের ঘটনাটি জানায়।

শিশুটির দাদি জানান, প্রথমে লোকলজ্জার ভয়ে পরিবার বিষয়টি গোপন রাখলেও পরে এলাকাজুড়ে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়লে তারা থানায় অভিযোগ করেন।বর্তমানে শিশুটি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পরিবারের সঙ্গে রয়েছে। ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকাবাসী দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, “ঘটনার পরপরই মামলা গ্রহণ ও অভিযুক্ত আসামী আলম গাজীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শিশুটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”#

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ