আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে মধ্যরাতে পাহাড় কাটার মহোৎসব

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে মধ্যরাতে জমে উঠেছে পাহাড় কাটার উৎসব। রৌফাবাদ পাহাড়িকা আবাসিক এলাকার পেছনে ভেড়া ফকির পাহাড়টি গভীর রাতে স্কেভেটর এনে কাটা হচ্ছে। রাজনৈতিক ডামাডোলের সুযোগ নিয়ে জনৈক কাশেম শাহ প্লট তৈরি করতে এখন এ পাহাড় কাটছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে গত বছরের জুন মাসে ঈদুল আজহার বন্ধের সময় পাহাড়টি কাটতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল।
পরিবেশ অধিদপ্তরের (মেট্টো) পরিদর্শক মনির হোসেন জানান, বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখবো। পাহাড় কাটায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রৌফাবাদ পাহাড়িকা আবাসিক এলাকার পেছনে ভেড়া ফকির পাহাড়টির অবস্থান। এ পাহাড়ের প্রায় অর্ধেক অংশ ইতিমধ্যে কেটে ফেলা হয়েছে। সেখানে একটি স্কেভেটরও দেখা যায়।
স্থানীয় লোকজন জানান, পাহাড়ের অর্ধেক অংশের ‘মালিক’ জনৈক কাশেম শাহ। গত কয়েকদিন আগে তিনি একটি স্কেভেটর নিয়ে আসেন। মধ্যরাতে ওই স্কেভেটর দিয়ে পাহাড় কাটা হচ্ছে। গত তিন দিন ধরে পাহাড়টির কিছু অংশ কাটা হয়েছে। স্থানীয় লোকজন জানান, দুই বছর আগেও স্কেভেটর দিয়ে পাহাড়টি কাটা হয়েছিল। ওই সময় জেলা প্রাশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত স্কেভেটর জব্দ করেছিল। এরমধ্যে পরিবর্তন হয়েছে মালিকানা। মাঝখানে কিছুদিন বন্ধ থাকলেও গত দুই তিন দিন ধরে পাহাড়টি ফের কাটা শুরু হয়েছে। জনৈক কাশেম শাহ লোক দিয়ে পাহাড়টি কাটছেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে গতকাল সন্ধ্যায় কাশেম শাহের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কাশেম শাহ নই। আপনি ভুল নম্বরে ফোন করেছেন’। এ কথা বলেই মুঠোফোনের লাইন কেটে দেন। পরে আরো কয়েকবার ফোন করা হলে তিনি আর ধরেননি।

করেরহাটে মাদকের ছোবল, দিশেহারা যুবসমাজ
চট্টগ্রাম ব্যুরো: মাদকের ভয়াল ছোবলে দিশেহারা করেরহাটের যুবসমাজ। হাত বাড়ালে পাওয়া যাচ্ছে পছন্দসই মাদক। পাড়া-মহল্লায় মাদকে সয়লাব হয়ে গেছে। প্রকাশ্যে চলছে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়। গত মাস থেকে জমে উঠেছে এখানকার মাদক বিকিকিনির স্পট। বর্তমানে থানা পুলিশের আনাগোনা না থাকায় এমনকী রাজনৈতিক ডামাডোলের সুযোগ মাদক কারবারীরা বেপোরোয়া হয়ে উঠেছে।
এখানকারে স্থানীয় এক স্কুল শিক্ষক বলেন, অপসংস্কৃতি ও মাদকের ছোবলে ধ্বংসের পথে যাচ্ছে এখানকার যুবসমাজ। উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েরা নেশায় আসক্ত হচ্ছে, পরিবার ও সমাজের জন্য ভয়ঙ্কররূপ ধারণ করছে তারা। আর এর পেছনে কারণ হিসেবে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার অভাব রয়েছে বলে তিনি মনে করছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্নস্থাানে প্রকাশ্য গড়ে উঠেছে মাদক বিকি কিনির আখড়া। করেরহাট ফরেষ্টঅফিস ওয়াপদা মাঠ, ফরেষ্ট বাংলো সংলগ্ন ব্রিজ, বিলিজার পাড়ার টাওয়ারের নিচে, বড় থলী, াদেক কোম্পানি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনে, হাবিলদার বাসা, বাসস্ট্যান্ড এলাকা, লক্ষীছড়া, দক্ষিন অলিনগর আবাসন, পশ্চিস অলিনগের লিচুতলা, কালা ঘোনা, বদ্ধ,ভবানীসহ বিভিন্ন স্পট মাদক বিকি কিনি চলছে। কয়েখটি সিন্ডিকেট এই মাদক ব্যভসা নিয়েন্ত্রণ করছে। বর্তমানে এদের মুল ব্যবসা মাদক, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মানুষকে জিম্মি করে চাঁদা আদায়। একই সাথে গত মাস থেকে এরা করেরহাটের বিভিন্ন দোকানে আগুন,চুরি,লুটপাটসহ সাধারণ মানুষের জানমালের ক্ষতি সাধন করেছে।
স্থানীয়রা জানান, গেড়ামারা, ফরেষ্টঅফিসের ডল মিয়ার পুত্র মোঃ আলমগির, মোঃ হারুন মিয়ার পুত্র মাসুদ কালা, বাট্টি হুজুরের পুত্র রহমতউল্ল্যাহ রনি, কালাম সওদাগরের পুত্র মো. জাফর, মোঃ লোকমানের পুত্র মোঃ সাদ্দামসহ কয়েকজন। এছাড়া ছত্তরুয়ার হকসাব, দক্ষিন অলিনগরের বাবলু, রফিক মেম্বারের পুত্র রনি, বড়থলীর নুর হোসেন, মো. রাসেল, শাখাওয়াত হোসেন, হাবিলদারবাসার মো. রানা অন্যতম। এসব সিন্ডিকেট নিয়েন্ত্রণ করছেন নুরুল আমিন চেয়ারম্যান গ্রুপের মিয়া সওদাগর। যিনি করেরহাট ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক বলে স্থানীয়রা জানান। এ বিষয়ে মিয়া সওদাগরের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে র‌্যাব সদস্য হত্যা মামলার আরও দুই আসামি গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে র‌্যাব সদস্য হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক দুই আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি উপজেলার নরুমপুর এলাকার শাহজাহান মোল্লা প্রকাশ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মো. মিজান (৫৩) ও সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার মৃত বোরহান উদ্দিনের ছেলে মো. মামুন (৩৮)।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) সহকারী পুলিশ সুপার এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন জানান, র‌্যাব সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৫ জানুয়ারি নগরের খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ১৬ নম্বর এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি মো. মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া ২৬ জানুয়ারি ভোরে নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহভাজন পলাতক আসামি মো. মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।
র‌্যাব-৭ জানায়, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানোর সময় দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে চারজন র‌্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক একজন র‌্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর তিনজন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।এ ঘটনায় র‌্যাব-৭ এর পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়।

কসাইকে ‘খুনের পর টুকরো লাশ ছড়িয়ে দেয়া প্রেমিকা’ গ্রেফতার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরের বায়েজিদ এলাকায় পরকীয়া প্রেমের জেরে এক কসাইকে হত্যার পর তার লাশ টুকরো করে তার প্রেমিকা বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার দিনভর নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন শহীদনগর ও লোহারপুল এলাকার খাল ও বিভিন্ন স্থান থেকে খুন হওয়া আনিসের লাশের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, নিহত মো. আনিছের (৩৮) সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকা সুফিয়া আক্তার (৩৯) নামে এক নারীর পরিকল্পনায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী আনিছকে অভিযুক্ত নারী বাসায় ডেকে নিয়ে সহযোগীদের সহায়তায় পাথরের শীল ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করে। পরবর্তীতে মরদেহ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারী সুফিয়া আক্তারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নিহত আনিছ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার চিকদাইর এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামি সুফিয়া আক্তার নগরের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন পাঠানপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জানুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শহীদনগর চারতলার মোড় এলাকায় একটি কালো পলিথিনে মোড়ানো মানবদেহের দুটি কাটা হাত পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে হাত দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ঘটনার পরপরই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও মরদেহের অবশিষ্ট অংশ উদ্ধারে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে উদ্ধারকৃত জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্রে নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা জানান, আনিছ গত ২০ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের লক্ষে পুলিশ অভিযান শুরু করে। তারই ধারাবাহিকতায় রাত আনুমানিক চারটার দিকে শহীদনগর এলাকা থেকে সুফিয়া আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।
চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ উত্তর জোনের উপ-কমিশনার (ডিসি) আমিরুল ইসলাম বলেন, পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সুফিয়া আক্তার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, নিহত আনিছের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল।

পরবর্তীতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ ও মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তিনি আনিছকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০ জানুয়ারি বিকেলে আনিছকে পাঠানপাড়ার বাসায় ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে পাথরের শীল দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়।

পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর মরদেহ টুকরা টুকরা করে কালো পলিথিনে ভরে আলামত গোপনের উদ্দেশ্যে শহীদনগর ও শীতলকর্ণা এলাকার বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত ব্যক্তির মরদেহের খণ্ডিত বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত করা হচ্ছে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ