আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

গাজীপুরের সালনায় অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার দক্ষিণ সালনা ইপসা গেইট এলাকায় ডাকাতির প্রস্ততি গ্রহন করাকালীন অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

অপরাধ (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার রবিউল ইসলামের দিক-নির্দেশনায় সদর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার দ্বীন-ই-আলমসহ ওসি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে এসআই কামরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ মহানগরীর সদর থানার দক্ষিণ সালনা ইপসা গেইট এলাকায় পুলিশ অভিযানে যায়। এসময় এসআই কামরুলের নিরলস প্রচেষ্টায় ইপসা গেইটের সামনে ময়মনসিংহ টু ঢাকা মহাসড়কের পূর্ব পাশে পাকা রাস্তার উপর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১৫/১৬ জন ডাকাত ছুটাছুটি করে দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের মধ্যে ০৩ জনকে আটক করে এবং অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জন ডাকাত দৌড়ে পালিয়ে যায়। উপস্থিত জনসাধারণের সামনে পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক আলো ও টর্চ লাইটের আলোতে সাবধানতার সাথে আটককৃতদের দেহ তল্লাশী করে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র
উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ডাকাত সদস্যরা হল- (১) ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার নয়নপুর এলাকার মোঃ খোকন মিয়ার ছেলে সেলিম আহাম্মেদ (২৩),
(২) মুক্তাগাছা থানার আমোদপুর খাঁন বাড়া এলাকার মোঃ জাহেদ আলীর ছেলে মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (২৭) এবং (৩) শেরপুর সদর থানার জুগনীবাগ এলাকার মৃত সুলতানের ছেলে মোঃ হানিফ (৪২)।

গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানায়, তারা গভীর রাতে এই এলাকা সহ মহাসড়কের আশেপাশের এলাকায় বিভিন্ন অলিগলি ও মোড়ের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিক্সা ও ইজিবাইক যোগে যাতায়াতকারী যাত্রীদের থামিয়ে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আঘাত করে তাদের নিকট হতে নগদ টাকা-পয়সা, মোবাইল ফোন ও মালামাল ডাকাতি করে চলে যায়। মহাসড়কে যাতায়াতকারী যাত্রীদের টার্গেট করে তাদের সর্বস্ব ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে গিয়ার, চাপাতি, চাকু সহ বর্ণিত ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছিল। আসামীরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রটি বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

এঘটনায় গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৩৯৯/৪০২ ধারায় সদর থানায় ৩৯ নং মামলাটি রুজু করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতির মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান পিপিএম জানান, চুরি, ছিনতাই, মাদক, ডাকাতিসহ যেকোনো অপরাধ দমনে সদর থানা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ