আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বাকলিয়া কোতোয়ালী-৯ সংসদীয় আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলমগীর নূর : তরুণ ও ক্লিন ইমেজধারীদের অগ্রাধিকারের দাবি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

 

বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত বন্দরনগরী চট্টগ্রাম, যা সবসময়ই বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংসদীয় আসনে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্ভাব্য প্রার্থীদের আনাগোনা এবং মনোনয়ন প্রত্যাশা বেড়েছে। এর মধ্যে বাকলিয়া-কোতোয়ালী সংসদীয় আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে আলোচনায় এসেছেন একজন তরুণ ও ক্লিন ইমেজধারী রাজনৈতিক কর্মী। তিনি দলের কাছে নতুন নেতৃত্বের সুযোগ সৃষ্টির দাবি জানিয়েছেন।
মনোনয়ন প্রত্যাশী চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ সম্পাদক, দৈনিক মানবকণ্ঠের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান,  তারেক রহমান  রাজনৈতিক র্র্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদশে এর কেন্দ্রয়ি সংসদের চেয়ারম্যান  তরুণ  এই নেতা বলেন, রাজনীতি ও নির্বাচন একটি চলমান প্রক্রিয়া। যেকোনো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলে, বিশেষ করে বিএনপির মতো বৃহৎ দলে, জাতীয় কিংবা স্থানীয় নির্বাচনে নতুন নেতৃত্ব ও প্রার্থীর আগমন খুবই স্বাভাবিক। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, শুধু নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির মধ্যে সংসদ সদস্য নোমিনেশন পক্রিয়া  সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়, বরং তৃণমূল থেকে উঠে আসা এবং দীর্ঘ সময় ধরে দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা নতুন ও তরুণদের সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়াকে অনেকে ব্যবসা হিসেবে দেখলেও তার কাছে এটি জনগণের প্রতি দায়িত্বশীলতা এবং তাদের সেবা করার একটি পবিত্র উপায়। তার মতে, একজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে সমাজ এবং দেশের উন্নয়নে সরাসরি অবদান রাখা যায়। তিনি তার মরহুম পিতা চট্টগ্রামে জাগদল তথা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম , চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি (১৯৭৯ সাল) বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর মোহাম্মদ সওদাগর
এবং তার পরিবারের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দলে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের সাম্প্রতিক সাংগঠনিক চিন্তাভাবনার প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, তারেক রহমান রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং আধুনিক বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাধারায় দলকে ঢেলে সাজাতে চান। এই লক্ষ্যে তিনি শিক্ষিত, রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং বিশেষ করে ওয়ান-ইলেভেনের সময় থেকে নির্যাতিত ও নিঃস্বার্থভাবে কাজ করা তরুণদের অগ্রাধিকার দিয়ে সাংগঠনিক গুরুত্বপূর্ণ পদে আনতে চান। এই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে তরুণ ও নতুন প্রার্থীদের মনোনয়ন দেওয়ার যে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, তা প্রশংসনীয়।

এই নেতা বলেন, দলের উচিত পুরাতন নেতৃত্বের পাশাপাশি অন্তত  ২৫% আসনে নতুন এবং ফ্রেশারদের মনোনয়ন নিশ্চিত করা। এতে একদিকে যেমন দলের মধ্যে নতুন নেতৃত্বের বিকাশ হবে, তেমনি জনগণও তাদের প্রতি আস্থা ফিরে পাবে। তার মতে, তারেক রহমানের এই দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের রাজনীতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। তিনি আশাবাদী যে, দল তার এই যৌক্তিক দাবি বিবেচনা করবে এবং আগামী নির্বাচনে চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী-বাকলিয়া সংসদীয় ৯ আসনে  তাকে মনোনয়ন দিয়ে জনগণের সেবার সুযোগ দেবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ