আজঃ সোমবার ২০ এপ্রিল, ২০২৬

সিআইইউ’র শিক্ষার্থীদের অ্যাওয়ার্ড প্রদান গুণগত শিক্ষাই একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ইউনেস্কো’র বাংলাদেশ প্রধান ড. সুসান ভাইজ চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি’র (সিআইইউ) শিক্ষার্থীদের একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেন। রোববার বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে এই সনদ তুলে দেন। এর আগে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি মেম্বারদের সঙ্গে একটি বিশেষ লেকচার সেশনে অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষা ও গবেষণা খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

এ অনুষ্ঠানে সিআইইউ’র চারটি অনুষদের মোট ১৪৫ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে পাঁচটি ক্যাটাগরিতে সম্মাননা প্রদান করা হয়। এবারের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ডিন’স লিস্ট প্রাপ্ত ৮৩জন, ডিন’স মেরিট লিস্ট প্রাপ্ত ২৩জন, ডিন’স অনার লিস্ট প্রাপ্ত ২০জন, ভাইস চ্যান্সেলর’স লিস্ট প্রাপ্ত ১২জন এবং ভাইস চ্যান্সেলর’স অনার লিস্টে স্থানপ্রাপ্ত ৭জন শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার রুমা দাস এর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান -এর আহ্বায়ক ড. রুবেল সেন গুপ্ত। প্রধান অতিথির পরিচিতি তুলে ধরেন বিজনেস স্কুলের ডিন ড. সৈয়দ মনজুর কাদের ।

সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার। কৃতী শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরাই একটি দেশের অগ্রগতির চালিকাশক্তি। আমরা বিশ্বাস করি, গুণগত শিক্ষাই একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে পারে। সিআইইউ সবসময়ই চেষ্টা করে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তরিত করতে। এই অ্যাওয়ার্ড সেই প্রচেষ্টার একটি স্বীকৃতি। সিআইইউ’র এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশের উন্নয়নে তাদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে চারজন শিক্ষার্থী মঞ্চে এসে নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, এই অনুষ্ঠান আমাদের প্রত্যেককে নতুন উদ্দীপনা দিয়েছে, আমাদের স্বপ্নকে আরও বড় করে তুলেছে। আমরা কৃতজ্ঞ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক ও প্রশাসনের প্রতি, যাঁরা আমাদের পাশে থেকে পথ দেখিয়েছেন। আজকের এই সম্মান আগামী দিনের সাফল্যের ভিত্তি হয়ে থাকবে। এসময় শিক্ষক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট অফার করছে সংক্ষিপ্ত আরবি ভাষা কোর্স।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট অফার করছে সংক্ষিপ্ত আরবি ভাষা কোর্স। কোর্স শুরুর সম্ভাব্য তারিখ : ১৪ মে, ২০২৬।
* ভাষার চারটি দক্ষতা অর্থাৎ লিসেনিং, স্পিকিং, রিডিং ও রাইটিং শিখানো হবে।
* এই কোর্সে ভর্তি হতে পৃথকভাবে ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবে না।
* জেনারেল শিক্ষিত ও মাদরাসা পড়ুয়া যে কেউ এই কোর্স করতে পারবেন।
* কোর্স ফি : ১০ হাজার টাকা।
* কোর্সে ভর্তির জন্য প্রথমে একটি ফর্ম পূরণ করতে হবে। অতঃপর আমরা আপনাকে কল দিবো ভর্তির জন্য। ফর্মে প্রবেশ করতে ছবিতে ক্লিক করুন অথবা সাইন আপ অপশনে ক্লিক করুন।

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ