আজঃ রবিবার ১৪ জুন, ২০২৬

বিবিধ বৈভবে দ্বীপজেলা ভোলায় অনু্ষ্ঠিত হলো জেলা সাহিত্য মেলা

বিশেষ সম্পাদক: রিপন শান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, বাংলা একাডেমির সমন্বয়ে এবং জেলা প্রশাসন ভোলা এর বাস্তবায়নে ভোলায় দিনব্যাপী জেলা সাহিত্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ অক্টোবর ২০২৩) সকাল ১০ টায় ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা সাহিত্য মেলা -২০২২/২২০২৩এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা সরকারি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জেলা সাহিত্য মেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি : ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এমপি । ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান (বিপিএম), বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন এর জোনাল কমান্ডার আল-ফারুক মাহমুদ হোসাইন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আইরীন ফারজানা, ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল গফুর, ভোলা সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ইসরাফিল, বাংলা একাডেমির ব্যবস্থাপক মোঃ মনিরুজ্জামান, ভোলা সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজ এর প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর রুহুল আমীন জাহাঙ্গীর, দৈনিক বাংলার কন্ঠে‘র সম্পাদক এম হাবিবুর রহমান, দৈনিক আজকের ভোলা সম্পাদক মুহাম্মদ শওকাত হোসনে এবং সাপ্তাহিক সময় পূর্বাপর সম্পাদক কবি হাসান মাহমুদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলা’র সভাপতি কবি কায়সার আাহমেদ দুলাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন কুমার সাহা, বীরমুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব আলম নিরব মোল্লা, ভোলা জেলা মুুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ- এর সভাপতি কবি রিপন শান, ভোলা জেলা সংগীতের রচয়িতা কবি হাওলাদার মাকসুদ, কবি নীহার মোশাররফ, কবি গাজূী তাহের লিটন, ঢাকা থেকে আগত ভোলা জেলার লেখক মামুন সারওয়ার, বোরহান মাসুদ, নেয়ামুল হক, হাসনাইন আহমেদ সহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, সুধী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

 

 

আলোচনাপর্বে অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন- এই সময়ে তরুন ছেলে-মেয়ে তথা শিক্ষার্থীরা স্মার্টফোনে বেশি আসক্ত হওয়ায় সাহিত্য পাঠে মনোযোগ হারিয়ে ফেলছে, এই মেলার মাধ্যমে তা ফিরিয়ে আনার এক নব-দিগন্ত সৃষ্টি হবে বলে আমরা আশা করছি।
এসময় বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান প্রজন্মের তরুণ সমাজ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এটা আমাদের আশার দিক। আমাদের তরুনদের সাহিত্যসহ ভাল কাজে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আজকে যারা ছাত্র আগামীতে তারাই সমাজ ও দেশের নেতৃত্ব দিবে। আগামী প্রজন্মকে সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য আমাদের কে পূনরায় সাহিত্য চর্চায় ফিরে যেতে হবে।

 

মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে জেলা সাহিত্য মেলা -২০২২ এর শুভ উদ্বোধন করে ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান। এ সময় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আইরীন ফারজানা সহ আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এরপর ভোলার কবি-সাহিত্যিক ও ঢাকা থেকে আগত সাহিত্যিকদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী ভোলা জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে সাহিত্য পাঠ ও লেখক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। লেখক কর্মশালায় সুদীর্ঘ বক্তব্য রাখেন- নন্দিত লেখক মন্দ্বীপ ঘড়াই। অনুষ্ঠানে কবি-সাহিত্যিক ও অতিথিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। মেলার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে আগত শিল্পীদের অংশগ্রহণে ভোলা জেলা শিল্পকলার একাডেমির শিল্পীরা পরিবেশন করে বাহারি সাংস্কৃতিক অনু্ষ্ঠান। সকাল থেকে সন্ধ্যায় নদীবিধৌত জনপদের এই মিলনমোহনার নান্দনিক সঞ্চালনা করেন শিল্পী বাঁধন তালুকদার ।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংসকারীদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্র গঠনে ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করবে। মন্ত্রী শুক্রবার চট্টগ্রামে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র ও স্বাধীনতা কমপ্লেক্স পরিদর্শন পরবর্তী উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ইতিহাসের প্রতিটি বাঁকে তাঁর অবদান দেশকে আলোড়িত ও সমৃদ্ধ করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এই স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

স্বাধীনতা কমপ্লেক্স প্রসঙ্গে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ফ্যাসিবাদী সময়ে ‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্বাধীনতা কমপ্লেক্স’ করা হয়েছিল, যা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পুনরায় এর নাম ‘শহীদ জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স’ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকেই মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন মেজর জিয়া। পরবর্তীতে তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা,সেক্টর কমান্ডার, বীর উত্তম, সেনাপ্রধান ও সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর নাম ও অবদান ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা কখনো সফল হবে না।মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে এসব স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুর অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা দেশের জাতীয় সম্পদ ধ্বংস করেছে, তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন। সরকার এসব স্থাপনা পুনর্গঠন করে জনগণের জন্য আবার উন্মুক্ত করবে।

দেশের চলমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সামান্য মূল্য সমন্বয়কে কেন্দ্র করে দেশে যে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি দেওয়া হচ্ছে, তা অযৌক্তিক। সকলকে দেশপ্রেমিক হতে হবে, কোনো ধরনের ধ্বংসাত্মক রাজনীতি বা গণতন্ত্রহীনতার দিকে আমরা যেতে চায় না। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্রের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করছি।

তিনি আরো উল্লেখ করে বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছিলেন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যা এগিয়ে নিয়েছিলেন, সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে সামনে এগিয়ে নিচ্ছেন।পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও জেলার সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।

হৃদয়ের বর্ণ মালা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আকাশে চাঁদ-
পৃথিবীর শামিয়ানা টলমল,
জোৎস্নার আলো মেখে মেখে।

অবারিত মাঠ-
কবিতা লেখার আসর বসেছে,
বাংলার মুখ দেখে দেখে।

অনন্ত পথ-
হৃদয়ের বর্ণমালা কবিতা ছড়ায়,
পৃথিবীর রূপ চেখে চেখে।

আমার দেশ-
সকল রূপে অপরূপ সাজে,
প্রিয়ার মুখ যায় ঢেকে।

আমার কবিতা-
মা মাটি মানুষ,
জীবন নদীর বাঁকে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ