আজঃ সোমবার ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

বিবিধ বৈভবে দ্বীপজেলা ভোলায় অনু্ষ্ঠিত হলো জেলা সাহিত্য মেলা

বিশেষ সম্পাদক: রিপন শান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায়, বাংলা একাডেমির সমন্বয়ে এবং জেলা প্রশাসন ভোলা এর বাস্তবায়নে ভোলায় দিনব্যাপী জেলা সাহিত্য মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ অক্টোবর ২০২৩) সকাল ১০ টায় ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা সাহিত্য মেলা -২০২২/২২০২৩এ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা সরকারি স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জেলা সাহিত্য মেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি : ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব তোফায়েল আহমেদ এমপি । ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান (বিপিএম), বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দক্ষিণ জোন এর জোনাল কমান্ডার আল-ফারুক মাহমুদ হোসাইন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আইরীন ফারজানা, ভোলা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আবদুল গফুর, ভোলা সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ ইসরাফিল, বাংলা একাডেমির ব্যবস্থাপক মোঃ মনিরুজ্জামান, ভোলা সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মহিলা কলেজ এর প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর রুহুল আমীন জাহাঙ্গীর, দৈনিক বাংলার কন্ঠে‘র সম্পাদক এম হাবিবুর রহমান, দৈনিক আজকের ভোলা সম্পাদক মুহাম্মদ শওকাত হোসনে এবং সাপ্তাহিক সময় পূর্বাপর সম্পাদক কবি হাসান মাহমুদ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় কবিতা পরিষদ ভোলা’র সভাপতি কবি কায়সার আাহমেদ দুলাল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রিপন কুমার সাহা, বীরমুক্তিযোদ্ধা মাহাবুব আলম নিরব মোল্লা, ভোলা জেলা মুুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ- এর সভাপতি কবি রিপন শান, ভোলা জেলা সংগীতের রচয়িতা কবি হাওলাদার মাকসুদ, কবি নীহার মোশাররফ, কবি গাজূী তাহের লিটন, ঢাকা থেকে আগত ভোলা জেলার লেখক মামুন সারওয়ার, বোরহান মাসুদ, নেয়ামুল হক, হাসনাইন আহমেদ সহ জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, সুধী এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

 

 

আলোচনাপর্বে অতিথিরা তাদের বক্তব্যে বলেন- এই সময়ে তরুন ছেলে-মেয়ে তথা শিক্ষার্থীরা স্মার্টফোনে বেশি আসক্ত হওয়ায় সাহিত্য পাঠে মনোযোগ হারিয়ে ফেলছে, এই মেলার মাধ্যমে তা ফিরিয়ে আনার এক নব-দিগন্ত সৃষ্টি হবে বলে আমরা আশা করছি।
এসময় বক্তারা আরো বলেন, বর্তমান প্রজন্মের তরুণ সমাজ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এটা আমাদের আশার দিক। আমাদের তরুনদের সাহিত্যসহ ভাল কাজে তাদেরকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আজকে যারা ছাত্র আগামীতে তারাই সমাজ ও দেশের নেতৃত্ব দিবে। আগামী প্রজন্মকে সঠিক দিক নির্দেশনার জন্য আমাদের কে পূনরায় সাহিত্য চর্চায় ফিরে যেতে হবে।

 

মেলা উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে জেলা সাহিত্য মেলা -২০২২ এর শুভ উদ্বোধন করে ভোলা জেলা প্রশাসক আরিফুজ্জামান। এ সময় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মাহিদুজ্জামান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আইরীন ফারজানা সহ আমন্ত্রিত অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এরপর ভোলার কবি-সাহিত্যিক ও ঢাকা থেকে আগত সাহিত্যিকদের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী ভোলা জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে সাহিত্য পাঠ ও লেখক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। লেখক কর্মশালায় সুদীর্ঘ বক্তব্য রাখেন- নন্দিত লেখক মন্দ্বীপ ঘড়াই। অনুষ্ঠানে কবি-সাহিত্যিক ও অতিথিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। মেলার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে আগত শিল্পীদের অংশগ্রহণে ভোলা জেলা শিল্পকলার একাডেমির শিল্পীরা পরিবেশন করে বাহারি সাংস্কৃতিক অনু্ষ্ঠান। সকাল থেকে সন্ধ্যায় নদীবিধৌত জনপদের এই মিলনমোহনার নান্দনিক সঞ্চালনা করেন শিল্পী বাঁধন তালুকদার ।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বৈশাখ বাঙালির এক অনন্য চেতনা।চেতানার এ আনন্দ – উৎসবটি একেবারেই সমাগত। বছরব্যাপী অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আমাদের দ্বারপ্রান্তে হাজির হলো পহেলা বৈশাখ।এ দিনে বাঙালির ঘরে একটু হলেও ভালো খাবার আয়োজনের চেষ্টা চলে। বসন্ত পেরিয়ে গ্রীষ্মের আগমনী বার্তা নিয়ে সমাগত। মানুষের জীবনের সব ব্যর্থতা ভুলে নতুন স্বপ্ন নিয়ে বৈশাখকে বরণ করতে ঔ
নানা ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে থাকে।

আবহমান কাল থেকে বৈশাখের উপভোগ করে আসছে বাঙালি জাতি। নববর্ষ কে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৈশাখের আগমন উপলক্ষে বাড়ি বাড়ি চলে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা।গ্রামের মাটির ঘর গুলোতে চলছে লেপা পোছার কাজ। বৈশাখের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম বাংলার আকাশে বাতাসে। বৈশাখ আনন্দ দেয়, তবে তবে এ মাসে বৈশাখী ঝড় এসে আবার লণ্ডভণ্ড করেও দেয়। ক্ষতি হয় ফসলের, এমনকি ব্যাপক বিপর্যয়ের ঘটনাও ঘটে থাকে। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল , এ বৈশাখ মাসেই পোলংকার ঘূর্ণিঝড় উপকুলের জনপদ লন্ডভন্ড করে দেয়। ঘটে লক্ষ মানুষের জীবনহানি।

বাংলাদেশের উপকূল বাসী সেদিনের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কথা কখনোই ভুলবে না। ষড় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। প্রথম ঋতুটি হচ্ছে গ্রীষ্ম। বসন্তে পুরনো গাছের পাতা ঝরে পরে নতুন পাতায় সবুজে -;শ্যামলে ভরা বৃক্ষরাজির নান্দনিক সৌন্দর্য মনকে ভরিয়ে দেয়।পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির স্পন্দন।

প্রতিবছর বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে নানান আয়োজন করা হয় দেশের গ্রাম থেকে শহর।বৈশাখের আগমনী বার্তাকে কেন্দ্র করে লোকজ গান যারি, শাড়ি, ভাটিয়ারী আয়োজন করা হয় বিভিন্ন জায়গায়। এসব গান উপভোগ করার মধ্য দিয়ে কলেজ চোরের মানুষ একাকার হয়ে যায়। এদিনে সকলের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইয়ে যায়। আবার ইলিশ পান্তার আয়োজন হয়ে থাকে অন্য কোন জায়গায।ঘরে ঘরে ধোয়া মোছার কাজ প্রাশই শেষ পর্যায়ে।

বাঙালির নববর্ষ উদযাপন এক অনন্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত
উৎসব।বাংলা সাহিত্যে ও প্রভাব রয়েছে বৈশাখের। বাংলা বর্ষপঞ্জির উৎপত্তি ও এর বিস্তৃতির এখন অবাধ্য ইতিহাস রয়েছে। ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, মূলত কৃষিকাজ ও খাজনা সংগ্রহের ব্যবস্থাকে ঘিরেই বৈশাখের এআয়োজন। বাঙালির এর উৎসবটি ধীরে ধীরে হয়ে ওঠে অসম্প্রদায়িক চেতনার। বাংলা নববর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য নতুন উদ্যোগে হয়ে থাকে। পহেলা বৈশাখের ব্যবসায়ীরা হালখাতার আয়োজন করা থাকে। এ সময় গত বছরের হিসাব নতুন খাতায় এনে ক্রেতাদের করিয়ে দেওয়ার রে আজও রয়েছে।

কোথাও কোথাও আয়োজন করা হয় ঘুড়ি উড়ানোর উৎসব। আবার কোথাও হয়ে থাকে গরুর লড়াই লড়াই। চট্টগ্রামের সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য বলি
খেলার আয়োজনও বৈশাখ মাসে হয়ে থাকে। বলি খেলাকে কেন্দ্র করে বিশাল মেলার আয়োজন হয়ে থাকে। চট্টগ্রাম নগরীর এই মেলার বিস্তৃতি সরিয়ে যায় কয়েক কিলোমিটার দূরে।

মেলায় করতে সারাদেশ থেকে ব্যবসায়ীরা ছুটে আসে চট্টগ্রাম নগরীতে। সারাদেশের বলিরা ছুটে আসে কুস্তি খেলতে চট্টগ্রাম নগরীর লালদীঘি এমাঠে। গ্রাম বাংলার এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য পৃথিবীর আর কয়টি দেশে আছে? 🇧🇩 প্রখ্যাত গীতিকার দ্বিজেন্দ্র লাল লিখেছেন- ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা, আমাদের এই বসুন্ধরা…।

চট্টগ্রামে শুরু হলো স্বাধীনতার বইমেলা : স্টল ১২৯টি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতার মাসকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে শুরু হয়েছে ১৯ দিনব্যাপী বইমেলা। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে নগরের কাজীর দেউড়ি জেলা স্টেডিয়াম সংলগ্ন জিমনেসিয়াম মাঠে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়, চলবে আগামী ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত।উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, একটি নৈতিক, জ্ঞানভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গঠনে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বই মানুষের চিন্তাকে প্রসারিত করে, মূল্যবোধ তৈরি করে এবং প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।মেয়র মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

পাহাড়তলী বধ্যভূমিসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে চসিক উদ্যোগ নিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে প্রকৃত শহীদদের তালিকা প্রণয়নে সহযোগিতা কামনা করেন।তিনি বলেন, আমরা চাই, চট্টগ্রামের প্রতিটি ঐতিহাসিক স্থানে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষিত হোক, যাতে আগামী প্রজন্ম সত্য ইতিহাস জানতে পারে।নগর পরিচালনা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বাংলাদেশে এখনো পূর্ণাঙ্গ ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ ব্যবস্থা চালু হয়নি।ফলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা ও বিষয় সংরক্ষণে স্থানীয় সরকার সীমাবদ্ধতার মুখে পড়ে। তবুও চসিকের আওতাধীন এলাকাগুলোতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণে কাজ চলমান রয়েছে।মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব। যারা জীবনবাজি রেখে দেশ স্বাধীন করেছেন, তাঁদের অনেকেই আজও কষ্টে দিনযাপন করছেন।তাঁদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করা।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড ও স্পোর্টস কার্ডের মতো কর্মসূচির মাধ্যমে নিম্নবিত্ত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কল্যাণে কাজ করা হচ্ছে, যা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বইমেলার গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না, বরং বই মানুষের জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করে।

তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি সংস্কৃতি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে জানান, চসিক পরিচালিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লাইব্রেরি সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-লাইব্রেরির ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের অধীনে বর্তমানে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও সৃজনশীলতা বিকাশে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই শহর আমাদের সবার। সবাই মিলে আমরা চট্টগ্রামকে একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও জ্ঞানভিত্তিক নগরীতে পরিণত করতে পারি।

৪০ হাজার বর্গফুট জায়গাজুড়ে মেলায় ১২৯টি স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি ডাবল স্টল এবং ৯৪টি সিঙ্গেল স্টল রয়েছে। চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকার স্বনামধন্য প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসহ ১১২টি প্রকাশনা সংস্থা অংশ নিচ্ছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং ছুটির দিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা উন্মুক্ত থাকবে।

মেলায় থাকছে বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক আয়োজন। এর মধ্যে রয়েছে রবীন্দ্র উৎসব, নজরুল উৎসব, বৈশাখী উৎসব, লেখক সমাবেশ, শিশু ও যুব উৎসব, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠান, কবিতা ও ছড়া উৎসব, আলোচনা সভা, লোকজ ও নৃগোষ্ঠী সংস্কৃতি বিষয়ক আয়োজনসহ নানা অনুষ্ঠান। প্রতিদিনের আলোচনা সভায় লেখক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও শিক্ষাবিদরা অংশ নেবেন।

চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে আয়োজনে অংশ নেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, সিএমপির উপ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, শহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুসরাত সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ মামুন। স্বাগত বক্তব্য দেন সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি শাহাবুদ্দিন হাসান বাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কুসুম কুমারী স্কুলের সহকারী শিক্ষক রূমিলা বড়ুয়া। মোনাজাত পরিচালনা করেন চসিকের মাদরাসা পরিদর্শক মাওলানা হারুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানে চসিক পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়।
বুধবার বই মেলা মঞ্চে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ‘একটি দেশকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষিত জাতির বিকল্প নেই’ শীর্ষক বিষয় ভিত্তিক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিজিএমইএ ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি ইউভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল করিম।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ