আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনের সময়সূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ১ নভেম্বর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চলবে নতুন কোরিয়ান কোচ দিয়ে। ঢাকা ছাড়বে রাত ১১:১৫, কক্সবাজার পৌঁছাবে সকাল ৭:১৫।

কক্সবাজার ছাড়বে দুপুর ১টায়, ঢাকা পৌঁছাবে রাত ৯টায়। ওয়াশপিট ও অফডে সার্ভিসিং হবে কক্সবাজারে।

চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ও ঢাকাগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট বর্ধিত করে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলবে। সকাল ৭:৪৫ এ ঢাকা ছেড়ে কক্সবাজার পৌঁছাবে বিকাল ৪টায়। ফিরতিযাত্রায় কক্সবাজার থেকে রাত ৮:৪৫ ছেড়ে ঢাকা পৌছাবে সকাল ৬টায়।

 

 

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালু হবে চট্টলার অবমুক্ত এক রেক দিয়ে। চট্টগ্রাম ছাড়বে সকাল ৬:৩০, কক্সবাজার পৌঁছাবে ১০টায়। কক্সবাজার ছাড়বে সকাল ১০:৩০, চট্টগ্রাম পৌঁছাবে দুপুর ২:৩০। চট্টগ্রাম ছাড়বে দুপুর ৩:১৫, কক্সবাজার পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৭টায়। কক্সবাজার ছাড়বে সন্ধ্যা ৭:৩০, চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১১টায়।

 

 

ট্যুরিস্ট কোচ পাওয়া সাপেক্ষে, কক্সবাজারগামী নতুন দুটো আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী চুড়ান্ত করে রাখা হচ্ছে।

ঢাকা-কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেন, ঢাকা ছাড়বে সকাল ১০টায়, কক্সবাজার সন্ধ্যা ৬:৩০, ছাড়বে রাত ১০টায়, ঢাকা পৌছাবে সকাল ৭টায়। সিলেট-কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেন, সিলেট ছাড়বে সকাল ৭:৩০, কক্সবাজার বিকাল ৫টা, ছাড়বে রাত ৮টায়, সিলেট পৌঁছাবে সকাল ৫:৩০।

মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি রুট বর্ধিত করে চাঁদপুর-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলবে।

চট্টগ্রাম-দোহাজারীর লোকাল ট্রেনটি শোভন শ্রেণীর কোচ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করবে। দোহাজারী কমিউটার কক্সবাজার থেকে ছাড়বে সকাল ৫টায়, চট্টগ্রাম পৌঁছাবে সকাল ৮:৫০, ছাড়বে সন্ধ্যা ৭:৩০, কক্সবাজার পৌঁছাবে রাত ১১টায়। কক্সবাজার কমিউটার চট্টগ্রাম থেকে ছাড়বে ছাড়বে সকাল ৯:৩০, কক্সবাজার পৌঁছাবে দুপুর ১টায়, ছাড়বে দেড় টায়, চট্টগ্রাম পৌছাবে বিকাল ৫টায়।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আজ বিশ্ব শরনার্থী দিবস। দেশে দেশে যু্ূদ্ধ, জাতি গত দাঙ্গায় অশান্ত বিশ্ব

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আজ বিশ্ব শরনার্থী দিবস। দেশে দেশে যু্ূদ্ধ বিগ্রহের কারণে এবং জাতি গত দাঙ্গায় বিশ্ব আজ অশান্ত হয়ে উঠেছে। শান্তিপ্রিয় মানুষগুলো আজ শান্তির অন্বেশায় ছুটে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর এপ্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। বিশ্বে শরনার্থীর সংখ্যা ১১ কোটি ছাড়িয়েছে। সারাবিশ্বে সবচেয়ে বেশি শরনার্থীর তুরস্কে। এখানে ৩৬ লক্ষ শরনার্থী রয়েছে। এরই মধ্যে ২ লক্ষ কমেছে তুরস্ক থেকে।

তুরস্ক সরকার এরই মধ্যে ইউএনএইচসিআরকে জানিয়েছে, শরনার্থীদের জন্য স্থায়ীভাবে কিছু করতে নাপারলে তারা যেন শরনার্থীদের নিয়ে যায়।এরপরই স্থান হলো ইরানের। আফগানিস্তান থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে ইরানে ৩৪ লাখ এবং পাকিস্তানে কয়েক লাখ আফগান শরনার্থী রয়েছে। ভেনেজুয়েলান প্রায় ২৫ লাখ শরনার্থী প্রতিবেশী দেশে রয়েছে। মায়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে ১২ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী প্রাণভয়ে আশ্রয় নিয়েছে। সরকারি পরিসংখ্যানে এর সংখ্যা কিছুটা কম হতে পারে।

এবছর বিশ্ব শরণার্থী দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য হলো “শরণার্থীদের প্রতি সংহতি”।ইউএনএইচসিআর-এর বিশ্বব্যাপী সমন্বয়ে, এ বছরের মূল প্রতিপাদ্যটি শরণার্থীদের অধিকার রক্ষা করা। কুসংস্কারের বিরোধিতা এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী যাতে গ্রহণযোগ্যতা, সমর্থন ও সম্মানের সাথে আচরণ পায় তা নিশ্চিত করার জন্য সহানুভূতির ঊর্ধ্বে উঠে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয়া।

বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় শরনার্থী শিবিরে আশ্রিত ও স্থানীয়দের জন্য ইউএনএইচসিআর বরাদ্দ দিয়েছে ১৪ মিলিয়ন ডলার। এটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।২০ জুন হলো জাতিসংঘ কর্তৃক বিশ্ব শরণার্থী দিবস। প্রতি বছর বিশ্ব শরণার্থী দিবস পালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীদের সেদেশে ফিরিয়ে নিতে মায়ানমার সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়ে আসলেও সেদেশের সরককার কার্যত কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা।আন্তর্জাতিক মহল বারবার মায়ানমারের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সেদেশের সরকারি নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ।
কার্য়ত কোন ফল আসনি।

বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের অমানবিক অবস্থানের প্রতি আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের সচেতনতা সৃষ্টির জন্য পালন করা হয় এদিবসটি। ২০০১ সালের ২০ জুন প্রথম এই দিবসটি প্রতিষ্ঠিত হয় জাতিসংঘের ৫০ তম অধিবেশনে।
বিশ্ব শরণার্থী দিবসে বিশ্বব্যাপী অনিশ্চয়তার সময়ে পদক্ষেপ এবং সহানুভূতির এক শক্তিশালী মানবিক আহ্বান। রেকর্ড সংখ্যক মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত এবং মানবিক সহায়তা হুমকির মুখে থাকায়, এই বছরের প্রতিপাদ্য বিষয় “শরণার্থীদের সাথে সংহতি” – জানানো। নিজ দেশ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়া ব্যক্তিদের সমর্থন করার জন্য অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাই।

বিশ্ব শরণার্থী দিবসে তাদের সাহস এবং স্থিতিস্থাপকতাকে সম্মান জানানোর, তাদের গল্প শোনার এবং বাস্তুচ্যুতির স্থায়ী সমাধানের পক্ষে কথা বলার একটি মুহূর্ত। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়যে শরণার্থীদের স্বাগত জানানো সমাজকে শক্তিশালী করে।উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এবং এমন সম্প্রদায় তৈরি করে যেখানে সকলেই অন্তর্ভুক্ত থাকে। নীতি পরিবর্তন এবং সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা থেকে শুরু করে শরণার্থীদের কণ্ঠস্বর ভাগ করে নেওয়ার মতো সম্মিলিত পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে শরণার্থীদের ভুলে যাওয়া হয় না।
শরণার্থীদের কণ্ঠস্বর কেন্দ্রীভূত করা শরণার্থীদের ব্যক্তিগত গল্প শুনুন এবং তাদের সাথে ভাগাভাগি করুন, তাদের শক্তি, সাহস এবং বাস্তুচ্যুতির বাইরেও বহুমুখী পরিচয়ের স্বীকৃতি দিন।অন্তর্ভুক্তিমূলক সম্প্রদায় গড়ে তোলা স্বাগতপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করুন যেখানে শরণার্থীরা সংযোগ তৈরি করতে পারে।শান্তি ও সমাধানের জন্য একসাথে কাজ করা নিরাপত্তা চাওয়ার অধিকারকে সমর্থন করুন। সংঘাত নিরসনের পক্ষে কথা বলুন এবং বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর দীর্ঘমেয়াদী, টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সমর্থন করুন।

যারা থাকেন এবং বিতরণ করেন তাদের পাশে দাঁড়ানো জাতিসংঘ এবং এর মানবিক কর্মীদের সমর্থন করুন যারা সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও সেবা প্রদান করে চলেছেন, নিশ্চিত করুন যে জীবন রক্ষাকারী সাহায্য অভাবীদের কাছে পৌঁছায়।

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ