আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ট্রেনের সময়সূচি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী ১ নভেম্বর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চলবে নতুন কোরিয়ান কোচ দিয়ে। ঢাকা ছাড়বে রাত ১১:১৫, কক্সবাজার পৌঁছাবে সকাল ৭:১৫।

কক্সবাজার ছাড়বে দুপুর ১টায়, ঢাকা পৌঁছাবে রাত ৯টায়। ওয়াশপিট ও অফডে সার্ভিসিং হবে কক্সবাজারে।

চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ও ঢাকাগামী তূর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট বর্ধিত করে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলবে। সকাল ৭:৪৫ এ ঢাকা ছেড়ে কক্সবাজার পৌঁছাবে বিকাল ৪টায়। ফিরতিযাত্রায় কক্সবাজার থেকে রাত ৮:৪৫ ছেড়ে ঢাকা পৌছাবে সকাল ৬টায়।

 

 

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালু হবে চট্টলার অবমুক্ত এক রেক দিয়ে। চট্টগ্রাম ছাড়বে সকাল ৬:৩০, কক্সবাজার পৌঁছাবে ১০টায়। কক্সবাজার ছাড়বে সকাল ১০:৩০, চট্টগ্রাম পৌঁছাবে দুপুর ২:৩০। চট্টগ্রাম ছাড়বে দুপুর ৩:১৫, কক্সবাজার পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৭টায়। কক্সবাজার ছাড়বে সন্ধ্যা ৭:৩০, চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ১১টায়।

 

 

ট্যুরিস্ট কোচ পাওয়া সাপেক্ষে, কক্সবাজারগামী নতুন দুটো আন্তঃনগর ট্রেনের সময়সূচী চুড়ান্ত করে রাখা হচ্ছে।

ঢাকা-কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেন, ঢাকা ছাড়বে সকাল ১০টায়, কক্সবাজার সন্ধ্যা ৬:৩০, ছাড়বে রাত ১০টায়, ঢাকা পৌছাবে সকাল ৭টায়। সিলেট-কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেন, সিলেট ছাড়বে সকাল ৭:৩০, কক্সবাজার বিকাল ৫টা, ছাড়বে রাত ৮টায়, সিলেট পৌঁছাবে সকাল ৫:৩০।

মেঘনা এক্সপ্রেস ট্রেনটি রুট বর্ধিত করে চাঁদপুর-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলবে।

চট্টগ্রাম-দোহাজারীর লোকাল ট্রেনটি শোভন শ্রেণীর কোচ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়ে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করবে। দোহাজারী কমিউটার কক্সবাজার থেকে ছাড়বে সকাল ৫টায়, চট্টগ্রাম পৌঁছাবে সকাল ৮:৫০, ছাড়বে সন্ধ্যা ৭:৩০, কক্সবাজার পৌঁছাবে রাত ১১টায়। কক্সবাজার কমিউটার চট্টগ্রাম থেকে ছাড়বে ছাড়বে সকাল ৯:৩০, কক্সবাজার পৌঁছাবে দুপুর ১টায়, ছাড়বে দেড় টায়, চট্টগ্রাম পৌছাবে বিকাল ৫টায়।

 

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ