আজঃ শুক্রবার ২০ মার্চ, ২০২৬

নেত্রকোনা:

কাগজে- কলমে কলেজ, নেই শিক্ষক- শিক্ষার্থী, আছে শুধু সাইন বোর্ড আর ঘর।

আবদুল আওয়াল মদন প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলায় শিক্ষক- শিক্ষার্থী ছাড়াই দাঁড়িয়ে আছে জনতা কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের সাইন বোর্ড ও ঘর। চার দিকে কৃষি জমি। সড়কের পাশেই চোখে পড়বে দুটি হাফ বিল্ডিং ঘর। নেই প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র। শুধু মাত্র ঘরের পাশে ঝুলিয়ে রাখা আছে জনতা কারিগরি ও বাণিজ্য কলেজের সাইন বোর্ডটি। ভবনের দরজা বন্ধ রেখে মাঝে মধ্যে বিভিন্ন দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলণ করা হলেও কোন শিক্ষক শিক্ষার্থী এখানে আসেনা বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। সাইন বোর্ডে ২০০৫ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠা করা হলেও ঘরগুলো নির্মাণ করা হয় দুই বছর আগে।

বৃহস্পতিবার সরজমিনে ফতেপুর ইউনিয়নে হাসনপুর গ্রামে গেলে সড়কের পাশে কৃষি জমির মাঝখানে দুটি হাফ বিল্ডিং ঘর তালা বদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পাশে জনতা কারিগরি ও
বাণিজ্য কলেজের একটি সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। কোন শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থী পাওয়া যায়নি। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, গত দুই বছর আগে এই ঘরগুলো নির্মাণ করলেও আদৌও কোন কার্যক্রম শুরু হয়নি। এর
কয়েক বছর আগে তিয়শ্রী ইউনিয়নের বালালী বাঘমারা বাজারের এক পাশে এই প্রতিষ্ঠানের নামে একটি সাইন বোর্ড ঝুলানো ছিল। যেহেতু হাসনপুরে ঘর নির্মাণ আছে এর কার্যক্রম শুরু করলে অনুন্নত এলাকার ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীরা উপকৃত হত।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে নাম্বার নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ আরিফুর রহমান খানের মোবাইলে ফোন দিলে, তিনি এখানে ক্লাস শুরু না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে, অচিরেই এখানে ক্লাস শুরু করা হবে বলে জানান। তিনি আরো জানান, প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে এমপিও ভুক্ত হয়। এ কলেজে আমিসহ ৯ জন স্টাফ আছে। নবম শ্রেণিতে ১২ জন, একাদশ শ্রেণিতে ১০০, দ্বাদশ শ্রেণিতে ৬২ জন শিক্ষার্থী আছে।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল বারী জানান, কলেজ অধ্যক্ষ আরিফুর রহমান খানকে ফোন দিলে তিনি ক্লাসে আছি বলে জানান। তবে এখানে ক্লাস হয় না বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি খোঁজ খবর নেব।

প্রতিষ্ঠানটির গর্ভনিং বডির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শাহ আলম মিয়া জানান, আমার জানা মতে এ কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ক্লাস না নিলে অচিরেই তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নবপ্রজন্মের উদ্ভাবনী মিলনমেলা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি মেরিন সায়েন্স অ্যান্ড ফিসারিজ অডিটোরিয়ামে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে হাল্ট প্রাইজ জুনিয়র্স অনুষ্ঠান। হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই আয়োজনটি  স্কুল-কলেজের তরুণ উদ্ভাবক ও নেতৃত্বকে একত্রিত করে সৃজনশীলতা ও সামাজিক উদ্ভাবন উদযাপনের এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো. আব্দুর রশিদ সোহাগ, প্রতিষ্ঠাতা, সিইও ও চেয়ারম্যান, পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেড; সারফুদ্দিন, সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার, রবি আজিয়াটা লিমিটেড; মো. মুফিদুর রহমান, প্রভাষক, ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়; এবং মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা;অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও পরিচালক;আন্তর্জাতিক সম্পর্ক দপ্তর, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নার্গিস ফাতেমা-এর মূল বক্তব্য, যেখানে তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া নিজের অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য প্রমাণ করে যে, প্রভাবশালী ধারণার সূচনা যেকোনো বয়সেই হতে পারে।

এ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মোট ২০টি দল নিবন্ধন করে, যার মধ্যে নির্বাচিত কয়েকটি দল অনুষ্ঠানে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করে। প্রতিযোগিতায় টিম “ইকোজিরকন (EcoZircon)” সেরা দল নির্বাচিত হয়, টিম “টম অ্যান্ড জেরি (Tom & Jerry)”  প্রথম রানার-আপ এবং টিম “অ্যাকোয়া ফাইবার (Aqua Fiber)” দ্বিতীয় রানার-আপ নির্বাচিত হয়।

অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয় হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডিরেক্টর খালেদ মাহমুদ অনিক (২০২৫–২৬)-এর নেতৃত্বে। এতে কাজী মুহাইমিনুল ইসলাম মুনাজ চিফ অব স্টাফ এবং কারিন সাফফানা চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পুরো আয়োজনের সফল বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেন কমিউনিটি এনগেজমেন্ট টিম-এর প্রধান নিশাত তাহসিন চৌধুরী লামিয়া ও তানজিফ হাসান, পাশাপাশি জাজেস অ্যান্ড পার্টিসিপ্যান্টস ম্যানেজমেন্ট টিম-এর প্রধান শাজিয়া রহমান ও রাহবার করিম।

হাল্ট প্রাইজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবারও প্রমাণ করেছে যে এটি তরুণ নেতৃত্ব বিকাশ এবং সাহসী চিন্তা ও সীমাহীন স্বপ্ন দেখার অনুপ্রেরণাদায়ক একটি কার্যকরী প্ল্যাটফর্ম।

গ্রন্থাগার সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন ঃ চুয়েট ভিসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, গ্রন্থাগার কেবল বই সংরক্ষণের স্থান নয় বরং এটি সমাজ উন্নয়নের এক শক্তিশালী বাহন। যে জাতির গ্রন্থাগার যত সমৃদ্ধ, সে জাতি তত উন্নত ও অগ্রসর। একটি জাতির মেধা, মনন, ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির ধারক ও লালনকারী হিসেবে গ্রন্থাগারের ভূমিকা অপরিসীম। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রন্থাগারের ভূমিকা সুদূরপ্রসারী এবং দীর্ঘস্থায়ী।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিল কক্ষে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির উদ্যোগে “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬”-এর আলোচনা সভা ও “অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরি” শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুর ও পরিবেশ কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. আসিফুল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু কাউছার। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন চুয়েটের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল আজিজ আবির। চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান জনাব মোহাঃ নাসিরুজ্জামান।

এতে সঞ্চালনা করেন সহকারী লাইব্রেরিয়ান শারমিন সুলতানা তমা।উল্লেখ্য, “জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬” উপলক্ষে এক বণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। বিকালে অনলাইন এসডিআই সার্ভিস এন্ড অনলাইন মেম্বারশীপ সিস্টেম ইন সেন্ট্রাল লাইব্রেরির উপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন চীফ লাইব্রেরিয়ান মোঃ আব্দুল খালেক সরকার।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ