আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

চুপিসারে গ্রামের বাড়িতে ঘুরে গেলেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা।

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

চট্টগ্রাম জেলা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নাড়ীর টানে নিজ জন্মস্থান ফটিকছড়িতে চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা।
ফটিকছড়ি রোসাংগিরী ইউনিয়নে নিজ গ্রামের বাড়িতে জনপ্রিয় চিত্র নায়িকা, তার বড় বোন সহ আরো কয়েকজন সদস্য চুপিসারে একদিন অবস্থান করে আজ মঙ্গলবার নায়িকা পূর্ণিমা চলে গেলেও রয়ে যান পরিবারের বাকি সদস্যরা।

দাদা দাদিসহ মুরব্বিদের কবর জিয়ারত করার উদ্দেশ্যে গ্রামে আসেন বলে জানান তার বড় বোন। বলা চলে নিরবে নিভৃতে লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকেই ঘুরে গেলেন জন্মস্থান। এই বিষয়ে তিনি তার ভেরিফাই ফেইসবুক পেইজ “আলহামদুলিল্লাহ ” বলে কয়েকটি ছবি দিয়ে পোস্ট দেন। একেবারে স্থানীয় মিডিয়াসহ জনসাধারণ থেকে এই তথ্য গোপন রাখেন তার পরিবার। পারিবারিক নাম পূর্ণিমা না হলেও তার নাম দিলারা হানিফ রীতা যার জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৮১ ইং ফটিকছড়ি উপজেলার রোসাংগিরী ইউনিয়নে।
নামটা কেউ না চিনলেও একজন বাংলাদেশী অভিনেত্রী চলচ্চিত্র জগতের পূর্ণিমা নামে অধিক পরিচিত ।
১৯৯৮ সালে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এ জীবন তোমার আমার চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়।
তারপর থেকে আর পিছনে পিরে তাকাতে হয়নি এই লাস্যময়ী তারকার। হাজরো যুবকের হৃদয় কেড়ে নেয় এই পূর্ণিমা।
২০১০ সালে কাজী হায়াৎ পরিচালিত (ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে তিনি তার প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
পূর্ণিমা চলচ্চিত্রের ছদ্ম নাম। আসল নাম দিলারা হানিফ রীতা।
বাপ, দাদার জন্ম স্থান ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার সংলগ্ন রোসাং গিরীর সোবহান মোল্লার বাড়ি।
আজ সকালে হঠাৎ তার নিজস্ব ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজে তিনি তার জন্মস্থানে আসেন বলে পোস্ট করেন।
৪২ বছর বয়সী এই নায়িকা এখনো কোটি যুবকের ক্রাশ।
দাম্পত্য সঙ্গী হিসেবে প্রথমে আহমেদ ফাহাদ জামালকে সাথী করেন। . ২০০৭ সাল থেকে সংসার করার পর ২০২১ সালে বিচ্ছেদ হয়।
তারপর আশফাকুর রহমান রবিন কে জীবন সঙ্গী করেন।
সন্তান আছে এক মেয়ে , নাম তার আরশিয়া উমাইজা।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করপন ১ বার।
পূর্ণিমা অভিনীত জনপ্রিয় চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে এফ আই মানিক পরিচালিত অপরাধ-নাট্যধর্মী লাল দরিয়া (২০০২), মতিউর রহমান পানু পরিচালিত প্রণয়ধর্মী মনের মাঝে তুমি (২০০৩), চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত যুদ্ধভিত্তিক মেঘের পরে মেঘ (২০০৪) ও নাট্যধর্মী সুভা, এবং এস এ হক অলিক পরিচালিত প্রণয়ধর্মী হৃদয়ের কথা (২০০৬) ও আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা (২০০৮)। পূর্ণিমার চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় রিয়াজের বিপরীতে। রিয়াজের বিপরীতেই ২৫টির বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম সিআরবি’র বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনে সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাঙা মাটির রঙে চোখ জুড়ালো, সাম্পান মাঝির গানে মন ভরালো, রুপের মধু সুরের যাদু কোন সে দেশে, মায়াবতী মধুমতি বাংলাদেশে, এই অনুভূতি বুকে ধারণ করে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বরণ করেছে “সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী” সহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় সুন্দরম শিল্পীগোষ্ঠী’র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক সুজন মজুমদার এর পরিচালনায় এ দলীয় সংগীত পরিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টায় মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। এসময় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন ও নানা শ্রেণি পেশার মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা রূপ নেয় এক মিলনমেলায়। যেখানে সকাল থেকেই গান, কবিতা, নৃত্য আর আলপনার রঙে ভরে ওঠে ছিলো পুরো সিআরবি প্রাঙ্গণ। যেখানে মিলেছে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদের সুর আর গানে, কবিতায় ও নৃত্যের তালে তালে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নেয় বিভিন্ন সংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা।

সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মঞ্চে একের পর এক পরিবেশিত হয় দেশাত্মবোধক গান, লোকসংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশনা। এসময় বৈশাখী সাজে সেজে আসা মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবের রঙ ছড়িয়ে ছিলো চারদিকে। নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই নানা বয়সী মানুষের ঢল নামে সিআরবি প্রাঙ্গণে। ঢাক-ঢোলের তাল, রবীন্দ্র-নজরুলের গান, আর রঙিন পোশাকে দর্শনার্থীর পদচারণায় প্রাণ ফিরে পেয়েছে চট্টগ্রামের শিরীষ তলা খ্যাত সিআরবি। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে এখানেই যেন মিলেছে উৎসব, ঐতিহ্য আর বাঙালিয়ানা।

ঈদ ছুটিতে পর্যটক পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঈদ ছুটিতে পর্যটক পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে রাঙামাটির পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলো।
বিভিন্ন পর্যটন স্পটের পাশাপাশি কাপ্তাই হ্রদে ট্যুরিস্ট বোট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।
রাঙামাটির পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে গিয়ে দেখা যায়, পর্যটকদের পদচারণায় ঝুলন্ত সেতুটি। ঝুলন্ত সেতুর পাশ থেকেই ট্যুরিস্ট বোট ভাড়া নিয়ে কাপ্তাই হ্রদে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা।

এছাড়া পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের সানরাইজ ইকো পার্কেও অবকাশযাপন করছেন ভ্রমণপ্রেমীরা। অন্যান্য সময়ের তুলনায় ঝুলন্ত সেতু এলাকাটি এখন আরো বেশি মুখর হয়ে উঠেছে। এছাড়া রাঙামাটির পলওয়েল পার্ক, ডিসি বাংলো পার্ক, শিশু পার্ক, আসামবস্তি ব্রিজ,আসামবস্তি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কে পর্যটক
ও স্থানীয়দের উপস্থিতি অনেকটা বেড়েছে।
তবে এবারের ঈদে রাঙামাটির অন্যতম নতুন আকর্ষণ সড়ক বিভাগের সওজ লেকভিউ গার্ডেন। প্রায় শত প্রজাতির ফুলের এই বাগানে পর্যটকদের থেকেও স্থানীয়রা বেশি ভিড় জমাচ্ছেন। পর্যটকদের নিরাপত্তায় স্থানীয় পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোতেও রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশের উপস্থিতি।

এদিকে, ঈদকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির মেঘ-পাহাড়ের উপত্যকা সাজেক ভ্যালিতেও পর্যটকদের পদচারণায় মুখর। সাজেকের শতাধিক রিসোর্ট-কটেজ শতভাগ বুকিং বলছে সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতি। রাঙামাটি সদর, কাপ্তাই উপজেলার রিসোর্টগুলোও প্রায় শতভাগই বুকিং। ভিড় বেড়েছে কাপ্তাইয়ের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও।রাঙামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক বলেন-আমাদের মোটেলের ৮০ শতাংশ রুম বুকিং রয়েছে। ঈদের দিন থেকেই পর্যটকরা রাঙামাটি এসেছেন । ঝুলন্ত সেতুর পাশাপাশি সানরাইজ ইকো পার্কে বেড়াচ্ছেন।

ঝুলন্ত সেতুর টিকেট কাউন্টারের ব্যবস্থাপক জানান- রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৪ হাজার পর্যটক টিকেট কেটে পর্যটন ঝুলন্ত সেতুতে প্রবেশ করেছেন।সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মণ বলেন-আজকে (রোববার) থেকে পর্যটকরা সাজেক আসা শুরু করেছেন। আমাদের রিসোর্ট কটেজগুলো ২৮ মার্চ পর্যন্ত শতভাগ বুকিং রয়েছে। আজকে প্রথম দিনে কতজন পর্যটক এসেছে তা সন্ধ্যার পরে জানাতে পারব। তবে কেউ যদি রুম না পেয়ে থাকলে তাদের জন্যও থাকার ব্যবস্থা করা হবে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ