আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে হলে সঙ্গীতের কোন বিকল্প নেই

প্রেস রিলিজ

আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির অনুষ্ঠানে চবি’র ডিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ও কবি হোসাইন কবির বলেছেন, পড়ালেখার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা জরুরি। সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের মাঝে নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটবে। সুস্থ ও স্ন্দুরভাবে বেঁচে থাকতে হলে সঙ্গীত চর্চার কোন বিকল্প নেই। আজ ৯ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর থিয়েটার ইনিস্টিউটের গ্যালারী হলে আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির ১৩-তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপল¶ে সঙ্গীতানুষ্ঠান ও গুণীজন সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির সভাপতি শিল্পী বিশুতোষ তালুকদারের সভাপতিত্বে ও শিল্পী প্রণিতা দেব চৈতীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সঙ্গীত ভবনের অধ্য¶ খ্যাতিমান শিল্পী বিদূষী কাবেরী সেন গুপ্তা। সূচনা বক্তব্য রাখেন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তবলা শিল্পী সুরজিৎ সেন। অনুষ্ঠানে সঙ্গীতে বিশেষ অবদানের জন্য প্রবীন গিটার শিল্পী ডাঃ বাবুল সেন গুপ্ত ও শিল্পী শ্যামল মিত্রকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে নবীন ও প্রবীন ১২জন শিল্পী সংগীত পরিবেশন করেন। এরা হলেন-সুভাষ দাশ, মাধবী চৌধুরী, রতন কান্তি ধর, অনিমেষ বড়–য়া, সুস্মিতা সাহা, প্রিয়াসা বিশ্বাস জুঁই, ¯^পন কান্তি দত্ত, দোলন কান্তি দাশ, অনিন্দিতা দত্ত, সৃজিতা দে সৃজা, প্রাংগন ধর ও প্রিয়াসা চৌধুরী। যন্ত্রানুসঙ্গে এসরাজঃ শিল্পী মদন মোহন ঘোষ, তবলায় শিল্পী সুরজিৎ সেন, আদৃত চৌধুরী, প্রান্ত দাশ, কী-বোর্ড শিল্পী তমাল চক্রবর্তী রুবেল ও প্যাডে শিল্পী এস.এম রুবাইয়েত। সুরের আবেশে হল ভর্তি দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন শিল্পীরা।
আনন্দী সঙ্গীত একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তবলা শিল্পী সুরজিৎ সেন তার বক্তব্যে বলেন, ¶ণজন্মা সঙ্গীতের মহাপুরুষ ও সঙ্গীতগুরুরা সমাজ সংস্কারক। আপনি যদি সঙ্গীত শুরু করেন তাহলে সদগুরুর সান্নিধ্যে আপনাদের সন্তানদেরকে যেতেই হবে। অন্যথায় আপনার-আমার সন্তানদের জীবন টলমল হবে। এখন আন্দাজে গান-বাজনা হয় না। সময় থাকতে সন্তানদের আলোর পথ দেখান। ###

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে সেচ পাম্পের ট্রান্সফরমার চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে এক রাতে দুই কৃষকের সেচপাম্পের ৪ টি ট্রান্সফরমারের খোলস ফেলে ভেতরের যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত রবিবার রাতের কোনো এক সময় উপজেলার আমুচিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের নির্মল দে’র ৩ টি ও শ্রীপুর খরণদ্বীপ ইউনিয়নের জৈষ্টপুরা ৯ নং ওয়ার্ডের কৃষক মাদল চৌধুরীর ১টি ট্রান্সফরমারের যন্ত্রাংশ চুরি করে নিয়ে যায়।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে সেখানকার ১টি বিদ্যুতের খুঁটিতে তার, পাম্পে মোটর ও অন্যান্য সামগ্রী থাকলেও নেই ট্রান্সফরমার। আরেকটিতে ৩ টির মধ্যে ২টি ট্রান্সফরমার খুটিতে থাকলেও ১টি নাই। পৃথক দুটি স্থানে পড়ে আছে ট্রান্সফরমারের খোলস, নেই ভেতরের যন্ত্রাংশ।

ভুক্তভোগী ককৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বোরো মৌসুমে জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য ভারাম্বা খালের আমুচিয়া ও জৈষ্টপুরা অংশে দুটি মোটরচালিত বৈদ্যুতিক সেচপাম্প দিয়ে ওই এলাকার মনতলা কালি বিল, আন্ধার বিল ও জৈষ্টপুরা এলাকার কুমার গাতা বিলে অন্তত ২০০ কানি জমির চাষাবাদ করা হয়।

বোরো মৌসুম শেষ হলে প্রতি বছরের মতো গত এক মাস আগে ১৭/৫/২৬ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করে ট্রান্সফরমার নামিয়ে দেওয়ার জন্য পল্লী বিদ্যুৎ কতৃপক্ষকে বলা হয়েছে। এতোদিন ধরে না নামানোর কারণে ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। সরকারি খরচে ট্রান্সফরমার স্থাপনের দাবি জানান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নির্মল দে ও মাদল চৌধুরী।

চুরির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বোয়ালখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) স ম মিজানুর রহমান বলেন, বিভিন্ন কাজের চাপে যথাসময়ে খুঁটি থেকে ট্রান্সফরমার নামানো না হলেও চুরি প্রতিরোধে গ্রাহকদের বিভিন্নভাবে সচেতন করা হচ্ছে। এছাড়া সেচ ও কলকারখানার ট্রান্সফরমার চুরি হলে গ্রাহককে নিজ খরচে তা স্থাপন করার বিধান আছে। প্রতিটি পাঁচ কেভিএ ধারণসম্পন্ন ট্রান্সফরমারের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ