আজঃ মঙ্গলবার ৩১ মার্চ, ২০২৬

পার্বত্য জেলা বান্দরবান।

বান্দরবানের থানচি বাজারে কুকি-চিন – বিজিবির ব্যাপক গোলাগুলি।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বান্দরবানের থানচিতে সোনালী ব্যাংক ডাকাতির চেষ্টার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সঙ্গে পুলিশ ও বিজিবি’র ব্যাপক গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে থানচি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানচি বাজার ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রায়হান কাজেমী।

স্থানীয়রা জানান, রাত সাড়ে ৮টার দিকে ৭০-৮০ জনের কেএনএফের একটি সশস্ত্র দল থানচি বাজার সংলগ্ন সোনালী ব্যাংকে আক্রমণের চেষ্টা চালায়। এসময় ব্যাংকের নিরাপত্তা কর্মী ও পুলিশের সাথে গোলাগুলি শুরু হয়। পরে পুলিশের সাথে বিজিবি সদস্যরাও যোগ দেয়। এসময় তিন পক্ষের মধ্যে প্রায় দুইঘণ্টা ব্যাপী গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ও বিজিবি’র গুলির মুখে টিকতে না পেরে কুকি চিন সদস্যরা পিছু হাঁটে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোন প্রকার হতাহতের খবর পাওয়া না গেলেও চরম আতঙ্কে অনেকটাই গৃহবন্দির মত অব্স্থায় রয়েছেন স্থানীয়রা।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামুন জানান, সন্ধায় সাড়ে আটটার পর বাজার এলাকায় ব্যাপক গোলাগুলি ঘটনা ঘটেছে। তবে কে বা কারা গুলিবর্ষণ হচ্ছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত নয়। তবে স্থানীয়রা সবাই আতঙ্কে আছে।

থানচি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান, সন্ত্রাসীদের আক্রমণ করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে ৫০০ রাউন্ড গুলি বির্ষণ করা হয়েছে। তবে পুলিশের টিম সবসময় সজাগ রয়েছে।

উল্লেখ্য, থানচিতে দুটি ব্যাংকে হানা দেয়ার পর সেখানে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলার মধ্যেই এ বন্দুকযুদ্ধ সংঘটিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ওসিদের পেট্টোল পাম্পে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির নির্দেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন জেলার সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের (ওসি) নিজ নিজ এলাকায় দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা পেট্রোল পাম্পে নিয়মিত তদারকি ও পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন।
পাম্পগুলোতে জ্বালানি তেলের মজুদ, বিক্রয় ও সরবরাহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করারর কথা উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন, কোনো ধরনের অনিয়ম, গরমিল বা তথ্য গোপনের চেষ্টা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে।অনিয়ম বা তথ্য গোপন করা যাবে না জানিয়ে পুলিশ সুপার বলেন, জ্বালানি তেল অবৈধভাবে মজুদ, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অতিরিক্ত দামে বিক্রি বা অপচয়ের কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।কেউ যদি অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ, কালোবাজারি বা অনিয়মে জড়িত থাকে, তাদের বিরুদ্ধে বিন্দুমাত্র ছাড় না দিয়ে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এছাড়া জ্বালানি তেল সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ দ্রুত যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে জ্বালানির সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা হবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

চমেক হাসপাতালে বাড়ল সেবার পরিধি অর্থোপেডিক্স ইমার্জেন্সি ওটি সম্প্রসারণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিয়া বিভাগের উদ্যোগে অর্থোপেডিক্স ইমার্জেন্সি অপারেশন থিয়েটার (ওটি) সম্প্রসারণ, আধুনিক লাইব্রেরি ও রেনোভেটেড ক্লাসরুমের যাত্রা শুরু হয়েছে। নতুন সম্প্রসারিত এই অর্থোপেডিক্স ইমার্জেন্সি ওটি চালুর ফলে চট্টগ্রাম অঞ্চলে জরুরি ট্রমা, সড়ক দুর্ঘটনা এবং বিভিন্ন দুর্ঘটনাজনিত রোগীদের জন্য সেবার পরিধি আরও বিস্তৃত হবে এবং দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসা প্রদান সম্ভব হবে।এছাড়াও নবনির্মিত আধুনিক লাইব্রেরি ও রেনোভেটেড ক্লাসরুম চিকিৎসকদের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রমে নতুন মাত্রা যোগ করবে।এর মাধ্যমে চিকিৎসকদের জ্ঞানচর্চা, গবেষণা কার্যক্রম এবং চিকিৎসা সেবার মান আরও উন্নত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সোমবার সকাল ১১টায় ওটি সম্প্রসারণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এ সময় তিনি বলেন, আধুনিক চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়নে এ ধরনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি রোগীদের দ্রুত ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. তসলিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যানেস্থেশিয়া বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ।উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক কে এম বাকি বিল্লাহ, সহযোগী অধ্যাপক ডা. বেলায়েত হোসেন, ডা. আজিজুল হক, সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মহিউদ্দিন মাজেদ চৌধুরী, ডা. ইসতিয়াক মাহমুদ, ডা. জায়েদ বাসরী সহ অ্যানেস্থেশিয়া ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের চিকিৎসকরা।

চমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগে শয্যা আছে ৮৮টি। তবে প্রতিদিন রোগী ভর্তি থাকে প্রায় তিন গুণ বেশি। ২৬ ও ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে চলতি মাসের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৫ শতাধিক নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
বিভাগীয় প্রধান ডা. মোহাম্মদ কাওসারুল মতিন জানান, চট্টগ্রাম বিভাগের প্রায় সব জেলার রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। পাশাপাশি ট্রমা রোগীরাও চিকিৎসা নেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ