এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উৎসাহ উদ্দিপনা না থাকলেও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দেবহাটা উপজেলা পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ২য় ধাপে দেবহাটা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। এতে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২জন প্রার্থী প্রতিদ্ব›দ্বীতা করে। যার মধ্যে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলফেরদাউস আলফা হেলিকপ্টার প্রতিকে ২৬ হাজার ৩৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›দ্বী প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান মোটারসাইকেল প্রতিক নিয়ে ১৭ হাজার ১৫২ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। এছাড়া চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী আবু রাহান তিতু ঘোড়া প্রতিকে ১ হাজার ২১৪ ভোট, গোলাম মোস্তফা চিংড়ি মাছ প্রতিকে ১ হাজার ১৮৯ ভোট এবং রফিকুল ইসলাম আনারস প্রতিকে ২ হাজার ৭১২ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
অপরদিকে ভাইস চেয়ারম্যান পদে হাবিবুর রহমান তালা প্রতিকে ৩৬ হাজার ৮৬৮ ভোট এবং বিজয় কুমার ঘোষ টিউবওয়েল প্রতিকে ১১ হাজার ৭৬১ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জিএম স্পর্শ কলস প্রতিকে ২৬ হাজার ১৭৫ ভোট এবং আমেনা রহমান ফুটবল প্রতিকে ২১ হাজার ৬৯৬ ভোট পেয়েছেন।
এদিকে, উপজেলার ৪১ টি কেন্দ্রে ১ লাখ ১১ হাজার ৫২৭ জনের মধ্যে সবমিলে ৪৫% ভোট কাস্ট হয়। তবে ভোট কেন্দ্রে নারী ও হিন্দু ভোটারদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। প্রশাসনের তৎপরতায় সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহন সম্পন্ন হওয়ায় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের স্বাধুবাদ জানিয়েছেন ভোটাররা।
এদিকে, ভোট গণনা শেষে দেবহাটা উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে খোলা কন্ট্রোল রুমে ফলাফল ঘোষনা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপসচিব) মাসরুবা ফেরদৌস, সহকারী কমিশনার (ভূমি) দীপা রানী সরকার, কৃষি অফিসার শরীফ মোহাম্মদ তিতুমীর, উপজেলা নির্বাচন অফিসার কাজী মাহমুদ হোসেন, উপজেলা প্রকল্প অফিসার শফিউল বশার, উপজেলা সমবায় অফিসার মনোজিত কুমার মন্ডল, উপজেলা শিক্ষা অফিসার ইদ্রিস আলী প্রমুখ। এদিকে নির্বাচিত প্রার্থীদের জয়ের খবর পেয়ে আনন্দ মিছিল বের করে।



চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান বলেছেন-বিএনপি প্রতিশ্রুতি পূরণের রাজনীতি করে। বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া যতবারই দেশ পরিচালনা করেছে ততবারই দেশের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দেখা পেয়েছে। জিয়া পরিবারের সুুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই জনগণের প্রতিশ্রুতি পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করছেন।







